আতাউরের (আমার অনুমান) অভিযোগ প্রাপ্তি ফাউন্ডেশনের কর্মকান্ড থেকে নিজেকে গুটাতে সাহায্য করলেও এর আগে তা নিয়ে চমৎকার কিছু ঘটনা ঘটেছে। প্রাপ্তি ফাউন্ডেশনের তথা প্রাপ্তির ফান্ড রেইজিং এর জন্য ডক্যুমেন্টারীটার একশ কপি করে তা বিক্রি করার একটা পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছিল। পুরো কাজটা স্পন্সর করতে চেয়েছিলেন আশার আলো। ব্লগে আশার আলো'র সাথে সে ইস্যুতে পরিচয়। ফোনে কয়েকদিন কথা হয়েছে। ইসলাম ভাবাপন্ন তবে জামাত মতাদর্শী কিনা সেটা বলতে পারছি না। তার প্রস্তাব নিঃসন্দেহে দারুণ আশার আলো জাগিয়েছিল। ইতোমধ্যে প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ হওয়ায় এবং প্রাপ্তি ফাউন্ডেশনের কর্ম-কাঠামো ঠিক না করতে পারায় সিডি তৈরী ও বিক্রির পরিকল্পনা থমকে গেল এবং পরবর্তীতে তা একেবারে বাদ হয়ে গেল। সে সিডির কাভার ডিজাইন করে দেয়ার জন্য মোঃ আরাফাতুল ইসলাম তখন দায়িত্ব নিয়েছিলেন। সব প্রস্তুতি থেমে গেলেও যুক্ত হবার জন্য মুখিয়ে থাকা মানুষগুলো দেখে তখন আমি যারপরনাই অবাক হয়ে গিয়েছিলাম, মনে হচ্ছিল, ভোদাই কেবল আমি একাই নই!
বিষয়টা এখানেই থেমে থাকেনি। প্রাপ্তি ফাউন্ডেশন নামক সংস্থার একটা গঠনতন্ত্রও তৈরী করা হয়েছিল। এটা ছিল বাংলায়। অবশ্য একটু দুই নম্বরী আছে সেটা নিয়ে। চার পাঁচ বছর আগে একটা এনজিও রেজিস্ট্রেশনের জন্য আমার পরিচিত একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিব আমাকে দায়িত্ব দিয়েছিল। সেটার জন্য একটা গঠনতন্ত্র তৈরী করা হয়েছিল। প্রাপ্তি ফাউন্ডেশনের কাজের সাথে মিলে যাওয়ায় সেটাতে নাম, ঠিকানা পরিবর্তন করে সবাইকে জানিয়ে দিলাম, গঠনতন্ত্র রেডি! সমস্যা একটাই, পুরো ডক্যুমেন্টটা আদর্শলিপিতে করা, ব্লগে পোস্ট করার উপযুক্ত নয়। সমস্যাটা অনেকের সাথে আলাপ করাতে লাভ হলো এই যে একটা কনভার্টার তৈরীর প্রচেষ্টা সন্বন্ধে অবগত হওয়া গেল। সাদিক জানালো এস এম মাহবুবু মুর্শেদ এ নিয়ে কাজ করছে, একটা বাংলা প্রোগ্রাম থেকে অন্য একটা বাংলা প্রোগ্রামে কনভার্সনের সফটওয়ার বানাচ্ছে। এসএমমামু কে জানাতেই সে সেটা বিজয়ে সুতনীতে কনভার্ট করে দিল। এটা সে সময়ের কথা যখন সে তার ও অরুপের কনর্ভাসনটা ওয়েবে ছাড়েনি।
পুরো ডক্যুমেন্টটা ছিল বাংলাতে। এটার ইংরেজী ভার্সন তৈরী করা দরকার হয়ে পড়েছিল। লন্ডন প্রবাসী দূরের কণ্ঠস্বর দায়িত্ব নিল। সে সূত্রে তার সাথে পরিচয়। দূরের কণ্ঠস্বরের বিষয়ে অনেকের অবর্জাভসন হচ্ছে সে জামাত লিংকড কিন্তু আমার সাথে তার যোগসূত্রের কোন বিনিময়ে তাকে সে ধরণের এপ্রোচিং করতে দেখিনি। সে ছিল (এখনও আছে) অত্যন্ত আবেগতাড়িত প্রাপ্তি কনসার্নে। অসী আস্তমেয়েকে নিয়ে পুরা গঠনতন্ত্রটাকে কনস্টিটিউশন করে দিল - বুঝতে পারি এটা একটা দীর্ঘ, বিরক্তিকর ও একঘেয়েমীতাপূর্ণ কাজ। তারপরেও এটা সম্ভব হয়েছিল, প্রাপ্তি ফাউন্ডেশনেক ঘিরে এসব মানুষের অব্যাহত উচ্ছাসের কারণে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




