১৯৯১ সালের এপ্রিল মাস। একদিকে উচ্চমূল্যের মহাশক্তিশালী ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম অন্যদিকে স্বল্পমূল্যের স্বল্পকার্যকরী মিনিক্স নামের আরেক অপারেটিং সিস্টেম - একটা কেনার সাধ্য নেই আরেকটার কেনার ইচ্ছা নেই। মহাফাঁপড়ে পড়ে হেলসিংকি ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র লিনুস টরভাল্ডস নিজেই নিজের অপারেটিং সিস্টেম বানানোর কাজে হাত দিলেন।
অগাস্ট মাসের ২৫ তারিখে মিনিক্স নিউজগ্রুপে ছোট্ট একটা মেইল এল। মেইলটিতে লিনুস টরভাল্ডস নামের একজন ছাত্র তার বানানো একটি ছোট্ট অপারেটিং সিস্টেমের কথা জানালেন সবাইকে। ওএসটি ডেভেলপ করতে ধীরে ধীরে অন্যরাও জড়ো হতে থাকে লিনুসের সাথে। তারা ওএসটি ডাউনলোড করে নিজের সুবিধামত পরীক্ষা-পরিবর্তন-পরিবর্ধন করে পরিবর্তিত ভার্সনটি পাঠাতে থাকে লিনুসকে। গড়ে উঠতে থাকে লিনুসের নতুন অপারেটিং সিস্টেম।
১৯৯১ সালে একটা ছেলের শখের বসে তৈরি হওয়া সেই 'ছোট্ট' অপারেটিং সিস্টেমটির আজকে ১৯তম জন্মদিন। এই ১৯ বছরে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভালোবাসা জড়িয়ে পড়েছে এই অপারেটিং সিস্টেমটির সাথে। জাতি-গোত্র-বর্ণ-ধর্ম-ভাষা নির্বিশেষে বিশাল মহীরূহে পরিণত হওয়া লিনাক্স নামের সেই অপারেটিং সিস্টেমটি নিজেই আজ একটা সংস্কৃতি। এই সংস্কৃতি মানবতার আর বন্ধুত্বের।
শুভ জন্মদিন লিনাক্স।
মূল লেখাঃ forum.linux.org.bd/viewtopic.php?f=42&t=1373
- অভ্রনীল

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


