কার্টূন আমরা কে না ভালবাসি!!!! তবুও

যাদের বাসায় ছোট শিশু আছে, তারা প্রায় সব সময়ই এই অসুবিধায় ভুগছেন। তাদের সব পরিবারেরই অভিযোগ শিশুদের কার্টুন দেখা নিয়ে। এমনকি শিশুরাও উৎসাহী এই কার্টুন দেখতে । তারা মজাও পায় বটে। একটি জিনিস বিশেষভাবে খেয়াল করলে আমরা দেখতে পাই যে, শিশুদের কাছ থেকে বড়দের চ্যানেলগুলো আড়াল করতেই মা-বাবাই ছেলে মেয়েদের হাতে কার্টুন চ্যানেল ধরিয়ে দেয় এবং একসময় এটা বাচ্চাদের নেশায় পরিনত হয়ে যায় তখন হাজার চেষ্টা করেও ছাড়ানো যায় না।
বাংলাদেশে অনেক হিন্দি টিভি চ্যানেলে কার্টুনগুলো হিন্দিতে ভাষান্তরিত করা। শিশু নিশ্চয়ই এগুলোই দেখে! এতে করে দেশের নতুন প্রজন্মের জাতি আমাদের প্রিয় মাতৃভাষাকে ভুলে যাচ্ছে। এই নতুন প্রজন্মের শিশুরা যদি অতি মাত্রায় এই হিন্দি ভাষায় কার্টুন গুলো দেখে তাহলে তার মধ্যে অবশ্যই এই ভাষার বর্হিপ্রকাশ ঘটবে। বর্তমান সময়ে হাজারো টিভি চ্যানেল এর ভিড়ে কয়েকটি চ্যানেল কার্টুন দিন রাত চব্বিশ ঘন্টা প্রচার করে। আজকাল বাচ্চারা তো প্রচন্ড মাত্রায় হিন্দি ভাষা ব্যবহার করে এবং ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতি অনেক পরিমানে ঝুঁকে পড়ছে।
ছোট্ট শিশুরা যখন কার্টুন দেখে তখন তারা অতি মনোযোগ সহকারে দেখে এবং টিভি সেটের অনেক সামনে গিয়ে দেখে। যা তাদের চোখেরও বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনিতেই টিভি দেখলে নির্দিষ্ট পরিমাণ দূরত্ব রেখে দেখায় ভালো। বর্তমানে কার্টুন সিরিয়াল গুলোতে অনেক আর্কষণীয় এ্যানিমেশন দেওয়া হয় শিশুদের আকৃষ্ট করার জন্য। যা শিশুদের চোখের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর।
আরেকটি দিক যা শিশুদের মানসিক দিককেও ক্ষতি করে। যে শিশুটি ঘন্টার পর ঘন্টা টিভি সেটের সামনে বসে কার্টুন দেখে এতে তাদের চোখের ক্ষতির পাশাপাশি তাদের মানসিক দিককেও কিছুটা পরিবর্তন করে। এত ছোট বয়সের যে শিশুরা কার্টুন দেখে এতে তাদের মন মানসিকতারও পরিবর্তন দেখা দেয়। এতে শিশুদের অভিভাবকদেরও ক্ষতি করার আশঙ্কা থাকে। কারণ, বর্তমান সময়ের কার্টুন গুলোতে মারামারির দৃশ্য বেশী থাকে। যা শিশুদের মস্তিস্ককে ভাবিয়ে তোলে। পরবর্তীতে তা মারাত্মক ভাবে শিশুদের মাঝে প্রকাশ হতে পারে। একই পরিবারে একাধিক বাচ্চা থাকলে তাদের মধ্যে এর প্রভাব পড়ে ফলে এবং তারা মারামারির করাটাকে একটা খেলা হিসেবে নিয়ে মাঝে মাঝে দূর্ঘটনাও ঘটিয়ে থাকে। অথবা একটি পরিবারে যখন শুধু একটি বাচ্চা থাকে সে প্রচন্ড পরিমানে আগ্রাসন/ রাগ/ হতাশায় ভুগে ফলে সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়।
হিন্দি কার্টুনগুলো প্রচার করছে হিন্দি টিভি চ্যানেল গুলো। তা তাদের স্বার্থেই জন্যই তারা এগুলো প্রচার করছে। আর আমাদের দেশীয় চ্যানেলো এসব প্রচার করে নির্বিঘ্নে। আমাদের উচিত আমাদের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি কিংবা বেসরকারী টিভি চ্যানেল গুলো এই কার্টুনগুলো সংগ্রহ করে বাংলায় ডাবিং করে প্রচার করা। কিংবা নিজস্ব উদ্যোগে ভালো ভালো শিক্ষামূলক কার্টুন প্রচার করা। এসব বিষয় গুলো চিন্তা করার মনে হয় এখনই সময়। আর অবশ্যই পরিবারের বড় সদস্যরা শিশুটিকে পর্যাপ্ত সঙ্গ দিবে যাতে সে টিভি চ্যানেলের প্রতি অতি মাত্রায় ঝুঁকে না পড়ে।
সাদা নীল জার্সি

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্পর্শে_ _ _ _ _
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।