ধার্মিকেরা সুখী হয়, এখন আর এটি আর কথার কথা নয়।
But on a more earthly level, sociologists agree that the practice of a faith and broad happiness with life do seem to be related, though nobody has much idea why.
ইকোনোমিষ্টের একটি প্রতিবেদনের ওপরের অংশটি কিন্তু তাই বলে।
LSE (London school of Economics) এর একটি সমীক্ষায় বাংলাদেশ পৃথিবীর সুখীতম দেশের মর্যাদা পেয়েছিল। টাকাপয়সা, শক্তিবল,মানমর্যাদা যে সুখের সব নয় তা প্রমানিত হয়েছিল সেই সমীক্ষায়। কেননা আমেরিকা ছিল সেই তালিকার নিচের দিকে।
কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যে ইদানিংকালে আমরা মনে হয় আত্মিক দিকের চাইতে বৈষয়িক দিকের প্রতি বেশী যত্নবান হচ্ছি। পশ্চিমারা বৈষয়িক সমৃদ্ধির শিখর চুড়ায় পৌছেও যে শান্তিতে নেই তা আর অষ্পষ্ট নয়।
একজন পশ্চিমাকে সুখী হতে হলে মদ,মেয়ে, ক্লাব,ভাল বেতন ভাল বাড়ি আর ঐশর্যের মুখাপেক্ষী হতে হয় কিন্ত একজন গেয়ো বাংগালী দুবেলা দুমুঠো ভাতে রাজ্যের সুখ পায়। শেষ পর্যন্ত, “Happiness Consists in Contentment”.
একজন নাশ্তিকের যে কোন জাগতিক বিপর্যয় তার মানসিক অশান্তির কারন হয়, কেননা তাকে সব ধরনের ফলাফলের যোগবিয়োগ মেলাতে হয় এই জগতেই।
কিন্তু একজন ধার্মিক মানুষ সর্বাবস্থায় সন্তুষ্ট থাকে আর জগতে কোন ক্ষতির সম্মুখীন হলেও তা মেনে নেয় সন্তুষ্টি চিত্তে। আশা করে পরকালের সুখে।
তাই আর্থিক সাচ্ছল্যের অনুকুলে একের পর এক আধুনিক উপকরনাদীর যথেচ্চ ব্যবহার আর ধর্মীয় অনুশাসনের বাইরে বেরিয়ে এসে উদ্দাম জীবন যাপন কখনোই যে সুখের কারন হতে পারেনা তা আমাদের পশ্চিমাদের কাছ থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




