somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

প্রজ্জলিত মেশকাত
ব্যক্তিজীবনে অহিংসায় বিশ্বাস করি। বুদ্ধের দর্শন গভীরভাবে ভাবায় আমায়। “আসক্তিই সকল দুঃখের কারণ, অধিকারবোধ থেকেই দুঃখের সৃষ্টি।” এই দুটো বাক্যের উপর অগাধ বিশ্বাস। কারো চিন্তা-চেতনাকেই ছোট করে দেখিনা। আমি বিশ্বাস করি যে মতবাদই হোক, তার গভীরে না ঢ

করোনা ভাইরাস এবং একটি নির্লজ্জ জাতির উপাখ্যান।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৩:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রচন্ড ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে আজ লিখতে বসেছি। শুধুমাত্র পর্যাপ্ত পিপিই না থাকার কারণে আমাদের মিডলেভেলদের ২৪ ঘন্টা করে ইমার্জেন্সি ডিউটি করতে হচ্ছে। সিঙ্গেল ইউজ পিপিই বারবার ধৌত করে পরতে হচ্ছে। একবার পরার পর এর আর কার্যকারীতা থাকেনা। এজন্য আমি পিপিই পড়াই বাদ দিয়েছি। ফ্যামিলি বাড়িতে পাঠিয়ে একা রান্না করে কোনরকমে দুইবেলা খাচ্ছি। সিনিয়র স্কেল পাশ করা একজন প্রথম শ্রেনীর গেজেটেড ক্যাডার সার্ভিস কর্মকর্তা আমি। ৬ষ্ঠ গ্রেড পাওয়ার অপেক্ষায় আছি। আমার দুই বিসিএস পরের অন্য অনেক ক্যাডারের কর্মকর্তারা ৬ষ্ঠ গ্রেড পেয়ে গেছে। এ নিয়ে আমার কোন ক্ষোভ নেই কারণ দেশটাই এরকম। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু হয়ে ব্যক্তি-পরিবার পর্যন্ত দুর্নীতি। মাঝে মাঝে মনে হয় এই জাতিতে জন্মগ্রহণই একটা অভিশাপ। কে জানি বলেছিলেন পরের জন্মে ইংল্যান্ডের কুকুর হয়ে জন্মাতে চাই। কথাটা যথার্থই মনে হচ্ছে আজকাল। আজ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলব। আমি সবসময় অহিংসার পক্ষে। কিন্তু আজ ঘৃণা, ক্ষোভ আর অশ্লীল কিছু শব্দ ব্যবহার করবো। এর জন্যে আগেভাগেই ফেলো ব্লগার এবং মডারেটর প্যানেলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আজ যা লিখতে যাচ্ছি তা ফেসবুকে দিলে- আমাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হবে; ডিরেক্টরেট জেনারেল অফিস থেকে শো-কজ করা হবে; এমনকি সাময়িকভাবে বহিষ্কারও করা হতে পারে। ফেসবুক গুজব এবং মূর্খদের কারখানা। এজন্য ডিএক্টিভেট করে দিয়েছি যেটা আগেই বলেছি।

আমি আমার প্রফেশনের ফেসবুক পেইজগুলো অতিরঞ্জিত লেখা, ক্ষোভ, দুঃখ-কষ্ট ইত্যাদি প্রকাশ করার জন্যে আগে থেকেই আনফলো করতাম এবং না করলেও পড়তাম না খুব একটা। আমি জানি এই প্ল্যাটফর্মে আমার প্রফেশনের অনেকেই আছেন। আপনারা যদি কষ্ট পান ক্ষমা করবেন। প্রসংগ একটু পরিবর্তন করি। সরকার সেনাবাহিনী দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট করাচ্ছে, ভালো কথা। সেনাবাহিনী সাধারণ ঠিকাদারদের থেকে অনেক সৎ। তাদের মধ্যে পলিটিক্যাল হুলিগ্যানদের থেকে রাষ্ট্রের প্রতি ভালবাসা, দ্বায়িত্ববোধ অনেক বেশি। তাদের মধ্যে দূর্নীতির প্রবণতা এদের থেকে অনেক কম। আর সঠিক কাঠামোর মধ্যে ঠিকাদারি করলে যে টাকা আসে সেটা সম্পূর্ণ বৈধ। তারপরও মানুষ লোভ-লালসার উর্ধে নয়। প্রজেক্ট থেকে অনেক মেজর পর্যন্ত কয়েক কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে। তাতে কোন সমস্যা নেই। আমার আপন বোন জামাই লেফটেন্যান্ট কর্ণেল। তিনিও এর বেনিফিশিয়ারি। একদিন দুলাভাইয়ের সাথে পান করতে করতে তিনি বললেন, তার একটাকাও অবৈধ নয়। হয়তো তাইই, নয়তো না। এতো প্যাঁচাল পারার কারণ হলো হাজার হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট করানো গেলে, দরিদ্রদের ত্রাণ কি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বিতরণ করা যেতোনা বা ত্রাণের দ্বায়িত্ব তাদের হাতে দেওয়া যেতোনা? এটা করলে খুব অল্প পরিমাণ ত্রাণই বেহাত হতে পারতো এবং দরিদ্র জনগোষ্টির কাছে ত্রাণ যথাযথভাবে পৌঁছে যেত। তা না করে পলিটিক্যাল হুলিগ্যান, যারা নাকি মনুষ্য প্রজাতির অন্তর্ভূক্ত নয়, তাদের ত্রাণ মারার সুযোগ করে দেওয়া হলো। সংবাদ মাধ্যমে ত্রাণ মারার যে খবর আসছে সেটা হলো টিপ অফ দ্যা আইসবার্গ।

সারা পৃথিবী একটা মহামারি এবং যুদ্ধাবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, আমার দেশে যা ইচ্ছে তাই হচ্ছে, অথচ একদিনের জন্যেও মাদকের নামে ক্রসফায়ার থেমে নেই। ১৮ সালের মে থেকে আজ পর্যন্ত প্রকৃত হিসেবে কয়েক হাজার ক্রসফায়ার হয়েছে মাদকের নামে। কাদেরকে ক্রসফায়ারে দেওয়া হয়েছে? যারা একদম খুচরা লেভেলের বিক্রেতা। আইনশৃংখলা বাহিনীর একটা অংশ জড়িত থাকা স্বত্ত্বেও কারো বিরুদ্ধে বড় কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এমনকি দশ লক্ষ ইয়াবার চালান মেরে দিয়ে বিক্রি করেও বহাল তবিয়তে চাকরী করে যাচ্ছে, যেটা মিডিয়াতে এসেছে। এই সংখ্যা প্রকৃত সংখ্যার হাজার ভাগের একভাগও নয়। ফলশ্রুতিতে কি হয়েছে? প্রত্যন্ত গ্রামে পর্যন্ত ইয়াবা পৌঁছে গেছে। এর আগে গাঁজা ছাড়া অন্য কোন মাদকের বিস্তার, ইয়াবার বিস্তারের একহাজার ভাগের একভাগও হয়নি। এখন প্রত্যন্ত গ্রামে গাঁজা পাওয়া যায়না। পাওয়া যায় ইয়াবা। ইচ্ছে হলে খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন। আমি সিগারেট ছেড়েছি কয়েকবছর। শুধু অনুসন্ধিতসু মন নিয়ে খোঁজ রাখি। তরূণ সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। দশ বছর পর তরুণ সমাজের অবস্থা কি হবে সেটা কেবল ঈশ্বরই বলতে পারেন। ঈশ্বরও বলতে পারবেন না। কারণ ইয়াবার বিস্তার জ্যামিতিক হারকেও হার মানিয়েছে। প্রশ্ন ফাঁসের প্রসংগে নাই গেলাম। সেটা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

এখন করোনা প্রসংগ; বাঙ্গালীর বিবেক এবং এসম্পর্কিত কিছু বিষয়ে আসি। প্রথমদিকে সরকার ছিলো উদাসীন। তারা উন্নয়নের ঝান্ডা উড়াচ্ছিল। বিমান বন্দরে এক শিফটে একজন চিকিৎসকের ডিউটি ছিল। একটা করে টিক দেওয়ার প্রশ্ন দেওয়া হতো, যেসব উপসর্গ করোনা হলে দেখা দেয়, সেসব বিষয়ে। হাজার হাজার বিদেশ ফেরতদের একজন চিকিৎসকের পক্ষে এর চেয়ে বেশি করা কখনোই সম্ভব নয়। ওটা ছিলো একটা ছেলে খেলা। একটা ফানি অধ্যায়। থার্মাল স্ক্যানারের মধ্যে হুরমুর করে সবাই ঢুকে পড়তো, ফলে কারো তাপমাত্রার রিডিং ঠিকমতো আসতোনা। কোন সুপারভিশন বা কোন নিয়ন্ত্রণ ছিলোনা। সেটা ছিলো জাস্ট শো-অফ। তারপরের করোনা সম্পর্কিত সবকিছুই আপনারা জানেন। হাজি ক্যাম্প থেকে কিভাবে রিপ্যাট্রিয়েটরা বেরিয়ে গেল। তাদের কোন কোয়ারেন্টাইন হলোনা। সবকিছু মিলিয়ে আজ করোনা পরিস্থিতির এই অবস্থা এবং দিন দিন খারাপ দিকে যাচ্ছে। যতগুলো রোগী করোনাতে মারা গেছেন, তাদের একটা বড় অংশের টেস্ট পজিটিভ পাওয়া গেছে মারা যাওয়ার পরের রক্তের নমুনা থেকে।

অপরদিকে সুবিধাবাদী মহল সুবিধা আদায়ের জন্য আদাজল খেয়ে নেমেছে, যারা নাকি মনুষ্য গোত্রভূক্ত নয়। তাদেরকে পশু বললে নিরীহ পশুদের অপমান করা হবে। জারজ বললে জারজদেরও অপমান করা হবে এজন্য যে কেউ তার জন্মের জন্য দায়ী নয়। দায়ী তার কর্মের জন্য। প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করে যাচ্ছেন আপ্রাণ। তাঁর চেষ্টার কোন ত্রুটি নেই। কিন্তু লোকাল প্রশাসন যাচ্ছেতাই কাজ কর্ম করে যাচ্ছে। মানুষকে অপ্রয়োজনীয় হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি ব্যক্তিগত ক্ষোভও মেটাচ্ছে অনেকে। সরকারের মন্ত্রণালয় বা অথরিটিগুলোর মধ্যে কোন সমন্বয় নেই। সেটা সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক স্যারের কথায় সেটা আরো প্রকাশ্যে চলে এসেছে। স্বাস্থমন্ত্রী নিজেই সমন্বয়হীনতার জন্যে অসহায়।

এখন নতুন ইস্যু যোগ হয়েছে। চিকিৎসকরা, যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদান করছে, তাদের বাসার মালিকরা তাদেরকে বাসা ছেড়ে দিতে বলছে। গতকাল রাতে এক ইন্টার্ন চিকিৎসক আমাকে বললো, "স্যার আমার বাসার মালিক আমাকে বাসা ছেড়ে দিতে বলছে। কারণ আমি হাসপাতালে ডিউটি করি। আমার মাধ্যমে নাকি করোনা ছড়াতে পারে।" আমি তায্যব হয়ে গেলাম। বললাম আমার বউ বাচ্চা বাড়িতে, তুমি আমার বাসায় এসে থাকতে পারো। কিন্তু সেটা কি কেউ করতে চায়? পরে একজন স্বনামধন্য প্রফেসরের মাধ্যমে ছেলেটার সমস্যার সমাধান করলাম।

আমার কর্মস্থলের সামনে নয়াপাড়া নামে একটা এলাকা আছে। মিডলেভেল এবং জুনিয়র চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ সেই এলাকায় ভাড়া থাকে। এক চিকিৎসক দম্পতি করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়ে। তারা ভালভাবেই হোম কোয়ারেন্টাইন মেনে চলছিল। কোনভাবে সেটা প্রকাশিত হওয়ায়, এলাকার আন্ডার ম্যাট্রিক পলিটিক্যাল হুলিগ্যান কমিশনার তার গুন্ডা বাহিনী নিয়ে এসে তাদেরকে চরম অপমান করে এলাকা থেকে বের করে দেয়। বাঙ্গালী যে পাতে খায়, সেই পাতেই হাগে। ডাক্তাররা যদি চিকিৎসা না দেয় তাহলে তোরা কোথায় যাবি অমানুষের দল? তোদের জন্য করুণা হয়। যে বাবা-মা তোদের জন্ম দিয়েছে তাদের জন্য দুঃখ হয়। সাধারণ ফ্লু আর করোনার উপসর্গের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই, এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা। আপনারা আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোন শাসকের নাম বলতে পারবেন, যিনি মানুষ হত্যা করেন নাই? সবাই করেছে। আমার ইচ্ছে হচ্ছে সেই জারজ, হায়েনা, পলিটিক্যাল হুলিগ্যান, অশিক্ষিত, অমানুষ, ত্রাণচোর কাউন্সেলরকে নিজ হাতে গুলি করে হত্যা করতে। "I must be cruel, only to be kind:
Thus bad begins and worse remains behind." শেক্সপেয়ারের হ্যামলেটের কথা। কিন্তু সমস্যা হলো বিচারের বাণী নিভৃতেই কেঁদে যায়। Justice doesn’t prevail always। এটাই সবচেয়ে নির্মম সত্য কথা। আর এটা বাংলাদেশ। একনায়কের দেশ। কোন বিচার নেই। নিরীহ মানুষই হত্যা আর নির্যাতনের স্বীকার হয় সবসময়।

আমার পেশার বিষয়ে কিছু বলবো। সবচেয়ে মেরুদন্ডহীন আর ধইঞ্চা হলো এই পেশার নব্বই ভাগ লোকজন। সরকারপন্থীরা সবসময় সরকারকে চাটতে থাকে। কখনোই কিছু বলতে পারেনা। আর এদের মধ্যে প্রফেশনাল ঈর্ষা সবচেয়ে বেশি। এদের একটা অংশ অমানুষ। আমাদের স্বার্থ নিয়ে কখনোই কিছু বলতে পারেনা। আমরা তরুণরা কিছুটা চেষ্টা করে যাচ্ছি। নেতৃত্বশীলরা কিভাবে বলবে? বলতে পারেনা এজন্যই এদের মধ্যে নব্বই ভাগই দূর্নীতিবাজ। অবশ্য এদের পুরোপুরি দোষ নেই। কারণ এদেরকে দূর্নীতিবাজ বানানো হয়েছে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়। এর একটা কারণ মুখ বন্ধ করা। যেভাবে করা হয়েছে রাষ্ট্রের সবগুলো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে, প্রতিটি বাহিনীকে, এমনকি সেনাবাহিনীকেও। কারণ একনায়কতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে হলে এর কোন বিকল্প নেই।

আজ বিদায় নেব। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে আমরা যেন এই মহামারি থেকে মুক্তি পাই, সেই প্রত্যাশা নিজের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে করি। আমি পিপিই পড়িনা কারণ সান্ত্বনার কোন দরকার নেই। সিংগেল ইউজ পিপিই ধৌত করে পড়লে কোন লাভ নেই। তাই ইলিউশনের মধ্যে থেকে লাভ নেই। করোনা আক্রান্ত হলে কোয়ারেন্টাইনে চলে যাব। আমি কোনদিন চাইনি, চাইনা, চাইবোনা যে আমার জন্য একজন মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হোক। আমি করোনা আক্রান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত সেবা দিয়ে যাব। চার লাখ পিপিইর মধ্যে তিনলাখ পঞ্চাশ হাজার হাওয়া হয়েছে। কারণ আমি কর্মকর্তা হয়েই নতুন বা রিইউজেবল পিপিই পাইনা আর আমার নিচের কর্মচারীরা কিভাবে পাবে? সবকিছুর শেষ আছে। আমার ভয় হয়; লিবিয়ার গাদ্দাফি, ইরাকের সাদ্দাম, স্ট্যালিন, আরো অনেকের মতো, স্বভাবিকভাবেই কোন একজনের মৃত্যু হলে আওয়ালীগ এই দেশের মাটি থেকে ধুলিস্যাত হয়ে যায় কিনা। কারণ প্রকৃতি বড় নির্মম। বিএনপি তাদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করছে। আওয়ামীলীগের পাপ বিএনপির থেকে অনেকগুণ বেশি হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। স্টালিনও বিলীন হয়ে গেছে আজীবনের তরে। স্রষ্টা আমাদের সবাইকে রক্ষা করুক।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:১০
১৯টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গানটি বন্ধুত্বের, গানটি শান্তির প্রতি ভালোবাসায় সিক্ত

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:০০

আমেরিকা ও ইরানের শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে এই গানটি বুনেছি, নিজের বেসুরো গলা 'ব্যবহার' করেই।
এবারে কি ভারত - বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তির আলো দেখা দেবার কথা?



বন্ধু হে অনেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল গ্রহের শেষ প্রেম // কেয়া এবং আমি।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৪ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



আমি ভেসে আছি মহাশূন্যে।
আমার শরীরে রূপালী স্পেসস্যুট।
চারপাশে অসীম অন্ধকার।
আর আমার সামনে দূরে জ্বলছে এক নীলাভ-সবুজ গ্রহ—
Earth-666।
এই গ্রহেই আমার জন্ম।
এই গ্রহেই আমি প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম।
আর এই গ্রহই আমার কাছ থেকে সবকিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪



“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

এই বক্তব্যের মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দর্শনে। গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×