somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অণু আলোচনা - বইঃ অবিশ্বাস্য এক হীরক কোহিনূর

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



বই - অবিশ্বাস্য এক হীরক কোহিনূর
লেখক-ইরাদজ আমিনি।
অনুবাদ - আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
প্রকাশক- ঐতিহ্য.
দাম- ১৬৫
পাওয়া যাবে - আন্দরকিল্লা র বই বিপণীতে ( চট্টগ্রাম), ঢাকা নিউমার্কেট।
কোহিনুরের কাহিনী যে কোন রোমাঞ্চকর উপন্যাসের চেয়ে কম নয়।কোহিনুর - পৃথিবীর সবচেয়ে বড়, রোমাঞ্চকর আর দামি হীরে, বহু ঘাট ঘুরে যার বর্তমান আবাসস্থল এখন ইংল্যান্ডে।কোহিনূরের নাম প্রথম পাওয়া যায় বাবুরনামায়।তিনি বলেছেন,পুরো পৃথিবীর আড়াই দিনের খাওয়ার খরচ মেটানো যাবে এই হীরে দিয়ে। গোয়ালিয়রের শাসক হতে প্রথম বাবুরের কাছে এই হীরে আসে। তারপর বাবুরের হাত ধরে হুমায়ূন।তারপর পারস্যের শাহ।ওখান থেকে উপহারসুত্রে কোহিনূর আসে আহমেদনগরের শাসক বুরহান নিজাম শাহ এর কাছে।আবার ওখান হতে মিরজুমলার হাত ধরে মুগলরাজ আওরঙ্গজেব এর কাছে আসে।এরপর আবার পারস্য।
নাদির শাহ একে তার তালুবন্ধি করেন এবং মুগ্ধ হয়ে বলেছিলেন কো -হি -নুর !মানে আলোর পাহাড়।না , তিনি বেশিদিন ধরে রাখতে পারেননি। তার খুন হওয়ার পর হীরে যায় আহমেদ শাহ আবদালির কাছে।আবদালির মৃত্যুর পর হীরা আসে তাঁর সন্তান তিমুর শাহর কাছে।তিমুরের কাছ হতে জামান শাহ আর জামান শাহ হতে সুজা উল মূলকের কাছে।সবশেষে আসে পাঞ্জাবের রঞ্জিত সিং এর কাছে । উনি মারা যাওয়ার পর তার ছেলে দীলিপের কাছ হতে চলে যায় একদম রাণী ভিক্টোরিয়ার কাছে। সেই যে ইংল্যান্ডে গেল আর ফিরে এলো না !!
সংক্ষেপে কোহিনুর হীরার ভ্রমণ ত বলে দিলাম।কিন্তু এর ভেতরে যে রোমাঞ্চকর আর রক্তাক্ত গাথা রয়ে গেছে তা কিন্তু বলিনি! বিশেষ করে
বাবুরপুত্র হুমায়ূন,মীর জুমলা আর নাদির শাহ এর কাহিনীতে আছে থ্রিলারের টানটান উত্তেজনা আর চমক।সবটুকু জানতে চাইলে বইটি পড়া ছাড়া গতি নেই।
বইটি উপন্যাসের মতই আনন্দদায়ক হবে। হয়ত হীরেটার জন্য একটু আফসোস ও লাগতে পারে !
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩১
৬টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বুঝে বলুন, হুজুর!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪




শরীয়া আইন প্রয়োগ করতে শরীয়া আইন জানা বিচার বিভাগ, সামরিক বাহিনী আর প্রশাসন দরকার। বাংলাদেশে শরীয়তী এতো সরকারী মানুষ কি আছে? আর, শরিয়া প্রয়োগ করার জন্যে যদি একটি রাষ্ট্রের... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজনীতির টানাটানি

লিখেছেন প্রামানিক, ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৪০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

রাজনীতিতে দুই মেরু আজ
একটা রাজাকার
আরেকটা হলো মুক্তিযোদ্ধা
সঙ্গে স্বৈরাচার।

তুলসী ধোয়া নয় রে কেহ
তবুও যুগ যুগ ধরে
দুইটি মেরুর ফ্যাসাদ লেগে
যাচ্ছে অনেক মরে।

হচ্ছে ধ্বংস দেশ, জনতা
দেশের ভবিষ্যত
আমজনতা মাইনকা চিপায়
পাচ্ছে না... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় প্রফেসর ইউনুস সাহেবের নিকট খোলা চিঠি ( কাল্পনিক)

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:২৬


মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা,
অন্তর্বর্তী সরকার,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ

বিষয়: পে কমিশন বাস্তবায়ন ও সামষ্টিক অর্থনীতি পুনর্গঠনে একটি বিকল্প সামাজিক প্রস্তাব।

আসসালামু আলাইকুম। একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে আপনার শাসন আমল কেবল আইয়ুব খানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখি ও মানুষ

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১৬

সব পাখি জোড়ায় জোড়ায় ওড়াউড়ি করে না,
আধার সন্ধানে জোড় বেঁধে ঘোরাঘুরি করে না।
সব পাখির সাথী থাকে না,
সব পাখির কণ্ঠে গান থাকে না।
বিরহী কোন পাখি অন্য পাখির... ...বাকিটুকু পড়ুন

জনতার “হ্যাঁ”, দালালের “না”

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:১২

যতই বলুন “হ্যাঁ”,
চাঁদাবাজরা শুনবে না;
তাদের প্রিয় “না”—
অভ্যাস তো বদলাবে না।

যতই বোঝান “হ্যাঁ”,
বুঝতে তারা চাইবে না;
অনিয়ম আর দুর্নীতি
ছাড়তে তো রাজি না।

বলছে সবাই “হ্যাঁ”,
তবু তাদের “না”;
লুট-সন্ত্রাস না থাকলে তো
তাদের জীবন চলেনা ।

গণভোটে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×