'মানুষ মরলে পর হয় না, পর হয় অভাবে'। ব্যবসা-পাতি কেমন চলছে? এমন প্রশ্নের জবাবে একজন ছোট্ট দোকানী উত্তর দিলেন এভাবে। বললেন, অভাবের কারনেই মানুষ ভুলতে বাধ্য হয় সব কিছু। এটাই এখন আমাদের জীবনে চরম বাস্তবতা। আজিমপুর কবরস্থান গেটের শেষ বিদায় স্টোরের মালিক গোলাপের মন্তব্য এটি। তিনি বলেন, মানুষের পকেটে টাকা না থাকলে ভারোবাসা আসবে কোথ্থাইকা। মায়ের কবরে আগরবাতি আর গোলাপজল ছিটাতে হলে পকেটের টাকা দিয়ে এসব কিনতে হবে, অথচ এখন আমার বিক্রি নেমেছে অর্ধেকে। কারন মনে শান্তি নাই, পকেটে নাই ট্যাকা। আমার জিনিস পত্রের দাম খুব একটা বাড়েনি। অথচ বিক্রি নেমেছে অর্ধেকে। আগে একজন লোক এক সঙ্গে পাঁচ প্যাকেট আগরবাতি আর তিনটা গোলাপ জল কিনলেও সেই ব্যক্তি এখন এক প্যাকেট আগর আর একটা গোলাপ জল কিনেই খ্যান্ত থাকেন। সেই টাকা দিতেও তার কষ্ট হয়- সেটা আমি টের পাই। কারন আমিওতো এই শহরে সংসার চালাই। মরা মাইনষের ব্যবসা করি বইলা, আমাদের কী না খাইলেও চলে?
এই দেশে এখন গোলাপরাও ভালো নেই। বলি রেখা দিনকে দিন শেকড় ছড়াচ্ছে গোলাপদের কপালে। প্রিয বন্ধুরা এবার আপনারাই বলুন, গোলাপদের বাইরে যারা আছেন, যেমন নাইটকুইন, মাধবী, শিউলি, গন্ধরাজ, হাসনো হেনা এমনকি শাপলা ফুলটির কী অবস্থা? যেখানে মরদেহ সৎকার কিংবা মরদেহর প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রিতেও ভাটা পড়েছে..দাম না বাড়া স্বত্তে ও...
আজকের দৈনিক মানবজমিন এ এর উপর একটি রিপোর্ট পড়ে সত্যিই বিচলিত হয়েছি...বিচলিত একটি দিন উপহারের জন্য বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ, আর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সেই সব জনদরদী নেতাদের যারা আমাদের চালিয়েছেন গেল ৩৭টি বছর।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



