somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"আপনি কিছু জানেন? তাহলে কথা বলেন কেন?"

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৪ ভোর ৪:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সিলেটে একজন দাঁতের ডাক্তার ছিলেন, বিশিষ্ট দন্ত চিকিৎসক। সংগত কারনেই এখানে নাম প্রকাশ করবো না, তবে সিলেটে তাঁকে এক নামে সবাই চিনতো। নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকের কথা বলছি, সিলেটের জনসংখ্যা তখন কম ছিল। বিখ্যাত মানুষদের এক নামে চেনা কোন big deal ছিল না।
মজার ব্যপার হচ্ছে, ভদ্রলোক আসলে ডাক্তারিই পাশ করেননি। মানে তিনি আসলে ডাক্তার ছিলেন না। অ্যামেরিকায় এসে তিনি কিছুদিন কোন এক ডেন্টিস্টের অফিসে কাজ করেছিলেন, তারপর সিলেটে ফিরে গিয়ে 'দোকান' খুলে বসলেন। আমাদের দেশে বাস ড্রাইভারের হেল্পার যেমন কিছুদিন পরে ড্রাইভার হয়ে যায়, অনেকটা সেরকম। দেশীয় জনতা যেহেতু 'বিদেশী পণ্য, কিনে হয় ধন্য,' কাজেই তাঁর রোগীর কোন অভাব হলো না।
তাঁর এবং হোমিওপ্যাথ ডাক্তারদের মধ্যে একটি জায়গায় ভীষণ মিল ছিল, সর্বরোগের এক চিকিৎসা। এবং সেটি হচ্ছে, দাঁতে সমস্যা মানেই ইঞ্জেকশন দিয়ে মাঢ়ি অবশ করে দাঁত তুলে ফেলে দাও। বাঁশই যদি না থাকে, তবে বাঁশি বাজবে কী করে?
আরে দাঁতই যদি ফেলতে হয়, তাহলে আমি আপনার কাছে কেন এলাম? রোগী যদি প্রতিবাদ করতে চাইতেন, তখন তিনি চোখ গরম করে বলতেন, "ডাক্তার কে? আমি না আপনি? আপনি কী আমার চেয়ে বেশি বুঝেন?"
দাঁত থেকে এবার কলিজায় আসা যাক।
যকৃতের রোগ হিসেবে দেশে 'জন্ডিস' একটি খুবই সাধারণ ব্যাধি। এতে রোগীর লিভার দূর্বল হয়ে যায়। মাত্রাতিরিক্ত জন্ডিস, রোগীর মৃত্যুর কারণও হতে পারে। অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসার পাশাপাশি চলে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা। তবে জন্ডিসের সবচেয়ে জনপ্রিয় চিকিৎসা হচ্ছে 'ঝারফুক।'
একজন পীর/ওঝা রোগীর হাতে একটি পাতা ধরিয়ে দিয়ে হাত ঘষতে বলবেন। তিনি বিরবির করে মন্ত্র পড়তে পড়তে রোগীর হাতে পানি ঢালতে লাগবেন। রোগীর হাত ধুয়ে হলদে পানি পাত্রে গড়িয়ে পড়বে। ব্যস! প্রত্যক্ষ্যদর্শীরা মনে করবে রোগ ধুয়ে যাচ্ছে! হুজুরের কেরামতি!
একবার আমার জন্ডিস হয়েছিল। ডাক্তার কিছু ওষুধ খেতে দিলেন। মাংস খাওয়া একদম নিষেধ ছিল। জাউ আর মাগুর মাছ খেতে খেতে মুখের স্বাদ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অবশ্য গ্যালনে গ্যালনে আখের রস এবং ডাবের পানি খেতে মন্দ লাগেনা।
এইসময়ে আমাদের বাসার বুয়া কোথা থেকে দুইটা পাতা নিয়ে হাজির। আমাকে ঝারফুক করবে। সে নাকি এই বিদ্যা জানে। এতে জন্ডিস আরামসে সেরে যাবে।
নানুর বাসায় গিয়ে আরেক যন্ত্রণা। নানু কানের সামনে ঘ্যান ঘ্যান করতে লাগলেন পাড়ার মসজিদের ইমাম সাহেব আসরের নামাজ শেষে ডাব-পড়া দেন, এতে জন্ডিস রোগীর রোগ সারে।
আমি নানীকে উড়িয়ে দিতে চাইলাম, তিনি উল্টো আমাকে উড়িয়ে দিয়ে বললেন, "বেশি বুঝিস না। আল্লাহ খোদার ব্যপারে তুই-আমি কী জানি? কিছুই না। গিয়া দ্যাখ, কত লম্বা লাইন হয়! এত মানুষ কী হুদাই খারায়?"
আমি লাইন দেখতেই মসজিদে গেলাম। আসলেই বিশাল লাইন। বছর খানেক আগে একবার সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে পাড়ার প্রার্থীকে ভোট দিতে গিয়েছিলাম। এ যেন ঠিক সেইরকম লম্বা লাইন।
আমি একটা ডাব কিনলাম, স্ট্র ঢুকালাম, বিসমিল্লাহ বলে খেতে খেতে বাসায় চলে এলাম। হুজুরের ফু না নিয়েই। নানীকে এসে ডাব দেখালাম। নানীও খুশি।
হুজুর নিয়ে যখন কথা উঠলই, তখন আরেকটা ঘটনা না বললেই নয়। আমার আব্বু তখন ছোট। তাঁর দাদীর ভীষণ পেট খারাপ হলো। ডায়রিয়া। তখনকার যুগে একমুঠ গুড় আর তিন আঙ্গুলের এক চিমটি লবণের খাবার স্যালাইন প্রস্তুত পদ্ধতি কেউ জানতো না। হুজুরের ‘পানি পড়াই’ ছিল সম্বল।
দূরের গ্রামের এক হুজুর ছিলেন ডায়রিয়া রোগ স্পেশালিস্ট। তাঁর পানি পড়ায় নাকি রোগীর পাতলা পায়খানা শক্ত হয়। দাদীর ভীষণ বিপদে আমার আব্বুকে ছুটতে হলো হুজুরের কাছে।
হুজুরের পানি-পড়া ম্যাজিকের মত কাজ করলো। আমার বড় আম্মা সুস্থ হয়ে উঠতে লাগলেন। তিনি শরীরে যতই বল ফিরে পেতে লাগলেন, ততই হুজুরের প্রশংসা করতে লাগলেন।
তিনি সম্পূর্ন সুস্থ্য হবার পর আব্বু বোমা ফাটালেন। হুজুরের পানি পড়া নিয়ে ফেরার সময়ে বাড়ির একদম কাছাকাছি আসার পর হোচট খেয়ে উল্টে বোতল থেকে সব পানি গড়িয়ে গিয়েছিল। এখন এই পানি পড়া আনতে এতদূর যেতে হবে? এরচেয়ে পুকুর থেকে নতুন পানি ভরে নেয়া অনেক সহজ! বড় আম্মা আসলে হুজুরের পড়া পানি খাননি, খেয়েছেন সাধারণ পানি।
তিনি অবাক হয়ে কিছুক্ষণ ভাবলেন। তারপর বললেন, "আরে, বোতল থেকে পানি গড়িয়ে গেলেই কী সব পানি আসলেই গড়িয়ে যায়? বোতলের ভিতরে দুই এক ফোটা হলেওতো বাকি ছিল। সেটার বরকতেই রোগ সেরেছে!"
এইবার হুজুরের ক্ষমতা আরও কয়েকগুণ বেড়ে গেল। ধন্য হে বঙ্গ নারী!
কিছুদিন আগে কোন এক বন্ধু ফেসবুকে একটা বিচিত্র খবর শেয়ার করলেন। গাছ মানবী বা বৃক্ষ মানবী শিরোনামে।
সাভারে নাকি একজন মহিলা আছেন, যিনি গাছে গাছে বাস করেন। এমনিতে মহিলা সুস্থ স্বাভাবিক, কিন্তু মাঝে মাঝেই বারো ঘন্টার জন্য গাছের মগডালে উঠে বসে থাকেন।
মহিলার পরিবার তাঁর সবধরনের চিকিৎসা করছেন, কিন্তু কিছুতেই কিছু লাভ হচ্ছেনা।
খবরের চেয়ে বেশি ইন্টারেস্টিং হয় তার নিচে পাঠকের মন্তব্য। সেখানে একজন ফতোয়া দিলেন, মহিলাকে জ্বিনে ধরেছে, কাজেই ভাল মাওলানা দিয়ে ঝারফুক করাতে হবে। সায়েন্সতো জ্বিনকে অস্বীকার করবেই।
একজন বললেন, এসব অন্ধবিশ্বাস সাইডে রেখে ভাল মানসিক রোগের ডাক্তার দিয়ে তাঁর চিকিৎসা হওয়া প্রয়োজন।
তার নিচে আরেকজন দিলেন, "ভাইসাহেব একটু বেশিই বুঝে ফেলেছেন। জ্বিনকে অস্বীকার করবেন কিভাবে? কোরআন শরীফে বারবার জ্বিনের কথা বলা হয়েছে। জ্বিনকে অস্বীকার করা কুফর।"
এই ভাইয়ের কমেন্টে বস্তা বস্তা লাইক পড়লো।
বুঝা গেল, আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষই আমার বড় আম্মার মত, বোতলে লেগে থাকা কয়েক ফোঁটা পানির থেকেই কুদরত খুঁজে বেড়ান। কিংবা বিশিষ্ট দন্ত চিকিৎসকের মতন, যিনি চোখ গরম করে বলেন, "হাদিস-কোরানের আপনে কী জানেন?"
ঢাকা শহরের রাস্তায় রাস্তায় স্বপ্নে পাওয়া মহৌষধ বিক্রি হয়। অলিতে গলিতে পীরের আস্তানা গড়ে উঠেছে। নিউমার্কেট এলাকাতেও দেখা যায় জ্যোতিষ মহারাজের বড় বড় অফিস। হোমিওপ্যাথির চিকিৎসাতো সেই আদি যুগ থেকে চলে আসছে। আমার এক বন্ধু খুব বিশ্বাসের সাথে বলতো, "হোমিওপ্যাথির সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে এর কোন সাইড ইফেক্ট নাই।"
আরে ব্যাটা, এর কোন ইফেক্ট থাকলে তবেই না সাইড ইফেক্ট থাকবে! হোমিওপ্যাথির ঔষধ চিনির গোলা ছাড়া আর কী? কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে এর ফর্মূলার?
দরিদ্র মানুষ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নেন কারণ তাঁদের কাছে এলোপ্যাথির টাকা থাকেনা। তাঁদের জন্য এটাই সান্তনা যে তাঁরা রোগের চিকিৎসা করাচ্ছেন। কিন্তু ভুল চিকিৎসায় শুধু শুধু টাকা খরচ করে ক্ষতির পরিমান কী আরও বেশিই বাড়ে না? তাহলে কেন শুধু শুধু ওদের কাছে যাওয়া? পীরের ক্ষেত্রেও একই।
কিছুদিন আগে 'হুজুর কাহিনী' নামের একটা ছোট গল্প লিখেছিলাম। সেখানে কোরআন হাদিসের আলোকেই 'জ্বিনের' সুন্দর ব্যাখ্যা দিয়েছিলাম। কারও পড়তে ইচ্ছে থাকলে ফাইলস এ সেভ করা আছে, পড়ে ফেলুন। সারমর্ম হচ্ছে, জ্বিনদের আসলে কোনই ক্ষমতা নেই। অতি বেকুব জাতি। হযরত সোলায়মানকে (আঃ) তাদের চোখের সামনে দেখে যারা বুঝতে পারে নাই তিনি জীবিত নাকি মৃত, তারা কিভাবে অদেখা ভূবন নিয়ে কথা বলার দাবী করে? ভবিষ্যত বলার ক্ষমতারতো প্রশ্নই আসেনা। আর তাছাড়া জ্বিনদের আল্লাহই নিষেধ করেছেন মানুষ থেকে দূরে থাকতে। পীরদের জ্বিন পোষার ধাপ্পাবাজির তাই কোন ইসলামিক ভিত্তিও নেই।
আমার বন্ধু ইকবাল আমার চোখের সামনে নদীতে ডুবে মারা গেল। আমরা প্রথমদিন তাঁর লাশ খুঁজে পেলাম না। ঢাকার একজন পীর নাকি তাঁর পরিবারকে গ্যারান্টি দিয়ে বলেছিল ছেলেকে জীবিত ফিরিয়ে আনবে।
ফাজিলের আওলাদকে সামনে পেলে মুখে থুথু মারতাম। জুতা পেটা করতাম।
মানুষের ইমোশন নিয়ে এই ধরনের নিষ্ঠুর ব্যবসা করার শাস্তি তাদেরকে আমাদের দেশে দেয়া যায়না? আইন করতে বাঁধা কোথায়?
নবীজির (সঃ) স্পষ্ট একটা হাদিস আছে, যেখানে তিনি বলেছেন অসুস্থ্য হলে অবশ্যই আল্লাহর কাছে দোয়া চাইতে, এবং সেই সাথে একজন সুচিকিৎসকের পরামর্শ নিতে।
সবচেয়ে বড় কথা, ইসলাম ধর্মে কুসংস্কার বিশ্বাস করাকে 'শিরক' পর্যায়ের গুনাহ ধরা হয়। নবীজি(সঃ) অত্যন্ত কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। তাবিজ কবজ লাগানো, হাতে আংটি লাগানো, এসব কিছুই আসলে শিরক। মাজারে গিয়ে মানত করা, সূতা বাঁধা, সিজদা দেয়া, তাজিয়া মিছিল - কয়টার কথা বলবো? তওবা ছাড়া এইসব গুনাহের কোন মাফ নেই।
এইসবের কারণ একটাই। শিক্ষার অভাব।
শিক্ষার উদ্দেশ্য আপনাকে শুধু A for Apple, B for Ball শেখানো নয়; বরং আপনার মস্তিষ্ককে কিভাবে খাটাতে হবে, সেটাই শেখানো। আপনি ফিজিক্সে পি.এইচ.ডি করে ফেলেছেন, কিন্তু আপনার শিশুর কপালে কাজলের একটা বড় টিপ দিয়ে রাখেন যাতে কোন খারাপ নজর না লাগে - তাহলে আমার অনুরোধ ঐ পি.এইচ.ডি সার্টিফিকেট চায়ে ভিজিয়ে খেয়ে ফেলুন। তাতেও যদি ওটার একটু সম্মান রক্ষা হয়!
দেশে নাকি শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রীর দাবী! খুবই উত্তম! কিন্তু শুধু A for Apple, B for Ball শিক্ষা দিয়ে আমাদের কী হবে? ঐযে গেছো মানবীর গল্প বললাম, তাঁকে 'জ্বিনে ধরা' ফতোয়া দেয়া লোকেদের কেউ কেউ ইঞ্জিনিয়ার, কেউবা সাধারণ চাকুরে। এরাই আমাদের দেশের শিক্ষিত জনতা! বিশ্ববিদ্যালয়ে কেবল একবার ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার চান্স দিয়ে শিক্ষার মান কতটুকুই বা উন্নত হবে? গন্ডগোলতো গোড়াতেই। গন্ডগোল আমাদের পারিপার্শ্বিকতায়।
যতদিন আমরা এইসব অন্ধবিশ্বাস আগলে রাখবো, আমরা কী জাতি হিসেবে নিজেদের শিক্ষিত দাবী করতে পারবো? তাহলে শিক্ষার মান কোথায় বৃদ্ধি পেল? কবে বৃদ্ধি পাবে

লেখকের আরও লেখা পড়তে যোগ দিন:

https://www.facebook.com/groups/canvasbd/
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১২:৩৫
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশভাগের পর-

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৮



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
ওমর আলীর জ্বর এসেছে। জ্বর নিয়েই তিনি পত্রিকা পড়ছেন। দীর্ঘদিনের অভ্যাস। টারজান গিয়েছে বাজার করতে। এর আগেও টারজান বেশ কয়েকবার বাজার করেছে। বাজার করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হায়ার সেলফ্‌

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৪১


শীতের সময়ে রাত ১০ টা অনেক রাত। আর তা যদি হয় শহর থেকে দূরে শহরতলীতে,আবাসিক এলাকার আশপাশে,তাহলে তো কথাই নেই। রাত আটটা বাজতে না বাজতেই পাড়ার সকলে সেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এফএম রেডিও

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২০

২০০৯ সাল। একটি ছেলে। সে তার নানা নানীর সাথে মুন্সীগঞ্জ এ থাকতো। নানা তার নাতিকে একটি মোবাইল উপহার দেয়। নকিয়া ১৬৬১। সেই মোবাইলে এফএম রেডিও ছিলো। সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শাহজালাল রুমি দেশ ছেড়েছেন কার ভয়ে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৮


থাপ্পড়-কাণ্ডের পর দেশ ছেড়েছেন শাহজালাল রুমি। টঙ্গীতে নিজের মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করাই যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর জন্য। গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি, ব্যক্তিগত বার্তায় ভয়ভীতি প্রদর্শন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগের ওসমান হাদী সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্যান

লিখেছেন এল গ্যাস্ত্রিকো ডি প্রবলেমো, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫০

এ আমি কী দেখলাম! ব্লগের প্রতিবাদী মুখ, ভারতের যম, ওসমান হাদীর মুখপাত্র, একাত্তরকা গণ্ডগোলের ব্যাপারে সচেতন মুখ সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্লগটি স্থগিত অথবা বাতিল করা হয়েছে। দেশে যখন সামান্য চুমু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×