somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

maraj chowdhury movin
বাস্তবতাকে প্রকাশ করি।

কালে কালে ছেলে মেয়ের ভালোবাসা

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটা সময় ছিল যখন মানুষ ভালোবাসার কথা চিন্তা করলেও করতে পারত না।কারন ছেলেরা তখন ভাবত ভালোবাসাটা সমাজে গ্রহন যোগ্য নয় এটাকে সমাজে অবৈধ হিসেবে স্বীকৃতি দিবে আর মেয়ে তখন ভালোবাসার কথা চিন্তা করলেও করতে পারতো না কারন তারা ভাবত যে একটি মেয়ে ভালোবাসার কথা প্রকাশ করলে তার পরিবারের মান সম্মান সব শেষ হবে।তাই তারা সেকালে ভালোবাসা থেকে দূরে থাকতো।
তারপর আবার যুগ ও সময় পরিবর্তন হলো,
তখন ভালোবাসা সমাজে গ্রহন যোগ্যতা পায়।কারন তখন ছেলের পরিবার মনে করতো যে ছেলেতো স্বাবলম্বী ভালবাসলে ভাসুক বিয়েতো ভালোসার মানুষকেই করবে।আর তখন মেয়ে ও মেয়ের পরিবারও স্বাবলম্বী ছেলেকেই প্রেম নিবেদনের জন্য মানত কারন তখনকার প্রেম ছিল মধুর মত মিষ্টি কারন তখনে ভালবাসলে ছেলে মেয়েকে বিয়ে করতোই । তবে শর্ত ছিল একটাই মেয়েকে পর্দা করতে হবে এবং ছেলেকে চোখের ইশারায় প্রেম নিবেদন করতে হবে।
কিন্তু বর্তমান যুগের ও সময়ের,
প্রেম ভালোবাসাটা হয়ে গেছে এক প্রকার খেলা।এ যুগের প্রেম ভালোবাসা অতীতের প্রেম ভালোবাসাকে অসম্মান করে।কারন বর্তমানের ছেলেরা শুধু মাত্র লোক দেখানোর জন্য, টাইম পাস করার জন্য ও শারীরিক চাহিদার জন্যই ভালোবাসা করে এবং এটি কোনো ভালোবাসার মধ্যে পরে না।এটি বর্তমান যুগের ছেলেদের এক প্রকার জঘন্যতম চাহিদা যেটি ভালোবাসার নামে কলঙ্ক ও অতীতের ভালোবাসাকে অসম্মান করে। এবং আমি শুধু বলবোই না এ ধরনের ভালোবাসার জন্য শুধু ছেলেরা দাই তা বললে অন্যায় হবে কারন এ ধরনের ভালোবাসার জন্য এ যুগের মেয়েরাও দাই। কারন এ যুগের মেয়েরা টাইট ফিট ড্রেস, ঠোটে লিপস্টিক,মেকআপ ইত্যাদি করে ছেলেদের আকর্ষিত করে যার কারনে এ যুগের ভালোবাসাটা নোংরামিতে পরিনত হয়েছে।এখনকার প্রেম মানেই হলো প্রেমিকার সাথে প্রেমিকার স্ব-ইচ্ছায় নোংরামি করা।বাবা-মায়ের শরীরের ঘাম দিয়ে অর্জিত টাকা দিয়ে প্রেমিক বা প্রেমিকাকে নিয়ে ডেটিং এ যাওয়া।এটিই হচ্ছে বর্তমান যুগের প্রেম ভালোবাসা।
এই ভালোবাসা ও প্রেমটি আমাদের সমাজে জন্য ভয়ংকর হবে,আগামীদিনের জন্য আরো ভয়ংকর হবে,আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য আরো ভয়ংকর হবে।তাই আসুন আমরা সকলে এইসব ভালোবাসা নামক কলঙ্ক কে সমাজ থেকে বর্জন করি এবং আমাদের সামনে এমন ঘটনা ঘটলে প্রতিবাদ করি মার-পিট করে নয় অতীতের ভালোবাসার বর্ণনা করে ও অতীতের ভালবাসা থেকে শিক্ষা নিয়ে।তাহলে আমরা পারবো সুন্দর সুষ্ঠু সমাজ গঠন করতে।
আমার লেখায় যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।

লেখক,
মেরাজ চৌধুরী মুবিন,
প্রতিষ্ঠাতা,প্রধান উদ্যোক্তা ও সহকারী-পরিচালক,
উদ্দীপনা সামাজিক সংঘ।

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গানটি বন্ধুত্বের, গানটি শান্তির প্রতি ভালোবাসায় সিক্ত

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:০০

আমেরিকা ও ইরানের শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে এই গানটি বুনেছি, নিজের বেসুরো গলা 'ব্যবহার' করেই।
এবারে কি ভারত - বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তির আলো দেখা দেবার কথা?



বন্ধু হে অনেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল গ্রহের শেষ প্রেম // কেয়া এবং আমি।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৪ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



আমি ভেসে আছি মহাশূন্যে।
আমার শরীরে রূপালী স্পেসস্যুট।
চারপাশে অসীম অন্ধকার।
আর আমার সামনে দূরে জ্বলছে এক নীলাভ-সবুজ গ্রহ—
Earth-666।
এই গ্রহেই আমার জন্ম।
এই গ্রহেই আমি প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম।
আর এই গ্রহই আমার কাছ থেকে সবকিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪



“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

এই বক্তব্যের মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দর্শনে। গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×