somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মহাবিশ্বের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

১৫ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যার শুরু আছে তার পিছনে কারণ থাকতেই হবে- এই ধরণের দর্শন বিজ্ঞান কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশনের মাধ্যমে বাতিল করে দিয়েছে বহু আগেই। আনবিক পরিব্যাপ্তি,আনবিক নিউক্লিয়াসের তেজষ্ক্রিয় অবক্ষয়ের মতো কোয়ান্টাম ঘটনা সমুহ কোন কারণ ছাড়াই ঘটে বলে বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যে প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। হাইজেনবার্গ এর অনিশ্চয়তা তত্ব (E=mc2 এর সাহায্যে) প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে সামান্য সময়ের জন্য শক্তির উৎপত্তি এবং বিনাশ ঘটতে পারে কোন কারণ ছাড়াই স্বতস্ফুর্তভাবে, এগুলো সবই প্রমাণিত সত্য।

স্টিফেন হকিং তার ‍a brief hitory বইয়ে দেখিয়েছেন যদি এমন একটি মহাবিশ্ব ধরে নেয়া হয় যা মুটোমুটি সমসত্ব তাহলে দেখানো সম্ভব যে ঋনাত্মক মহাকর্ষ শক্তি ধনাত্মক মহাকর্ষ শক্তি ঠিক ঠিক কাটাকাটি হয়ে যায়। তাই মহাবিশ্বের মোট শক্তি থাকে শূণ্য। এ তত্ব আমাদের বলে দেয় কারও হস্তক্ষেপ ছাড়াই মহাবিশ্বের তৈরি হওয়া সম্ভব। পরবর্তীতে,বিগব্যং তত্বের মাধ্যমে প্রমানিত হয় মহাবিশ্ব ক্রম প্রসারমান কাজেই এর একটা আদি বিন্দু থাকা সম্ভব,আর তা হচ্ছে কৃষ্ঞগহ্বর। কৃষ্ঞগহ্বরে এ্যান্ট্রপি বা বিশৃঙ্খলা থাকে সবচেয়ে বেশি।

মহাবিশ্ব যদি কেউ সৃষ্টি করে থাকেন তাহলে তার একটা সুশৃঙ্খল নকশা অবশ্যই থাকবে,কিন্তু তাপগতিবিদ্যার দ্বীতিয় সূত্রের সাহায্যে দেখা যায় আদিতে বিশৃঙ্খলা (আ্যান্ট্রপি) ছিল সবচেয়ে বেশি।

কোন গোলকের এ্যান্ট্রপি বা বিশৃঙ্খলা যদি সবেচেয়ে বেশি হয় তাহলে তা কৃষ্ঞগহ্বরে পরিণত হয়। মহাবিশ্বকে একটি গোলক ধরলে তার শুরুতে যেহেতু এ্যান্ট্রপি সবচেয়ে বেশি ছিল কাজেই বলা যায় এটি একটি কৃষ্ঞগহ্বর ছিল। আর কৃষ্ঞগহ্বরের বিশৃঙ্খলা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু ক্রম প্রসারমান মহাবিশ্বতো পুরোপুরি একটা কৃষ্ঞগহ্বর নয়। তার মানে মহাবিশ্বের এ্যান্ট্রপি বা বিশৃঙ্খলা সবের্বাচ্চের চেয়ে কিছুটা হলেও কম । কিন্তু শুরুতে সবচেয়ে বেশি ছিল। আমরা মহাবিশ্বে যে শৃঙ্খলা দেখি তার কারণ হচ্ছে মহাবিশ্বের ক্রমবর্ধীত আয়তনের থেকে আ্যান্ট্রপির বা বিশৃঙ্খলার পরিমাণ কম। আর কিছু পরিমাণ বিশৃঙ্খলা কম হওয়ার জন্যই কোন কোন ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা দেখা যায়।

বৈজ্ঞানিক প্রাপ্ত উপাত্ত মতে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে কোনরুপ পরিকল্পনা, শৃঙ্খলা বা নির্মান ছাড়াই।শুরুতে ছিল শুধুই বিশৃঙ্খলা। যা কোন সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ঠের সাথে একেবারেই বেমানান।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইরান ওয়ার্ল্ড কাপ বয়কট করে নাই কারণ...

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:০৩


সেখানে একজন আসিফ নজরুল ছিলেন না, আমিনুল ইসলাম বুলবুল ছিলেন না! পুরো বিশ্বজুড়ে এখন ফুটবলের উন্মাদনা। যে সব দেশ মাঠে লড়ছে আর যারা কোয়ালিফাই করতে পারেনি উত্তেজনা সবখানেই সমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

গঙ্গা-বুড়িগঙ্গার স্রোত অনেক বদলে গেছে...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৪ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:৩৩

গঙ্গা-বুড়িগঙ্গার স্রোত অনেক বদলে গেছে...

একসময় ভারতীয় কূটনীতিক, রাজনীতিবিদ কিংবা বাংলাদেশের কিছু ক্ষমতাসীন নেতা এমন ভাষায় কথা বলতেন, যেন বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র নয়; বরং কোনো ছোট ভাই, আদরের বোন বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্তর্দিগন্ত

লিখেছেন মুনতাসির রাসেল, ১৪ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:০৯



যে নদী সাগরকে ছোঁয়নি, সে-ই গায় সবচেয়ে নির্মল সঙ্গীত।
যে বৃক্ষের শাখা ফলের ভারে নত হয়নি, সে-ই আকাশকে বেশি বোঝে, বাতাসকে বেশি শোনে।

পৃথিবীর প্রাচীনতম ভ্রমগুলোর একটি এই,
মানুষ ভেবেছে প্রাপ্তিই পরিত্রাণ।

তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

Laptop Stand কেন দরকার?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১৪ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৯

Laptop Stand কেন দরকার? | Digital Fast IT থেকে স্মার্ট সমাধান



দীর্ঘ সময় ল্যাপটপ ব্যবহার করলে অনেকেরই একটি সাধারণ সমস্যা দেখা দেয়—ল্যাপটপের নিচের অংশ অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। অতিরিক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইমিগ্রেশনেই ধরা খেল বিএনপির কূটনীতি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪০


ধরুন আপনার পাশের বাড়ির সাথে সম্পর্ক ভালো না। দীর্ঘদিনের পুরনো ঝামেলা, কথা বলাবলি বন্ধ, একে অপরকে দেখলে মুখ ঘুরিয়ে নেওয়ার অভ্যাস হয়ে গেছে। এই অবস্থায় পাশের বাড়িতে একটা বৈঠক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×