যারা শরৎচন্দ্র পড়েন, আর যারা সাহিত্য সাধনা করেন... চলুন একটা চিঠি পড়ি ...
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
[
পুরো চিঠিতে শরৎচন্দ্রের বিভ্ন্নি উপন্যাস ও ছোটগল্পের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। খুঁজে বরে করুন সেই নামগুলো কী কী ]
দেবদাস,
অনেকদিন পর তোমাকে চিঠি লিখছি। একদিন তোমাকে বলেছিলাম, আমি অরক্ষণীয়া নই। সে ভুল আমার ভেঙে গেছে। প্রথমে বড়দিদি ও মেজদিদির পথ নির্দেশে চলতাম। কিন্তু ওদের কথায় যখন হরিলক্ষী ও রামের সুমতি হল না, তখন পথের দাবী ছেড়েই দিলাম। বইকুণ্ঠের উইল পেয়ে শ্রীকান্তের দেনা-পাওনা চুকিয়ে দিয়ে পথে নামলাম।এমন সময় দেখা হল পণ্ডিতমশাইয়ের সাথে। তাঁর অনুরোধে চন্দ্রনাথের সাথে পরিণীতা হলাম।বেশ কিছুদিন ভালই কাটল। একদিন বিপ্রদাস আমার স্বামীকে বলল, আমি চরিত্রহীনা। এমন কি বামুনের মেয়ে হয়ে কাশিনাথের বাগদত্তা ছিলাম। তবুও গৃহদাহ থেকে নিস্কৃতি পেলাম না । ছবি দেখেছি, বুঝেছি দর্পচূর্ণ হইয়াছে। তোমার কাছে এই আমার শেষ প্রশ্ন, কেন সমাজ নারীর মূল্য দিল না? এই কি তোমার সেই পল্লীসমাজ? থাক ওসব কথা; শুভদাকে বলিও , তোমার অনুরাধাকে যেন বিন্দুর ছেলের হাতে সঁপে দেয়। পরেশ কেমন আছে?তোমার সাথে যদি আর শেষ পরিচয় না হয়, তবে দোষ দিও না।
ইতি
বিরাজ বৌ
[লেখাটি কুড়িয়ে পাওয়া একটা ছেড়া পুরোনো ডায়রির পাতা থেকে সংগৃহীত; সেখানে কারও নাম খুঁজে পাই নি। তবে ডায়রির কোণায় যে তারিখ দেয়া ছিল তার সালটা ছিল : ১৯৮৩, দিন, মাস পাই নি ]
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
ইসিয়াক, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪

চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
জুল ভার্ন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩
যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছে?
আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না।
যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।
দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।
ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে...
...বাকিটুকু পড়ুন
বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও...
...বাকিটুকু পড়ুন
(শালবন ভ্রমণ)২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে...
...বাকিটুকু পড়ুন