"কৃষ্ঞ করলে লীলা খেলা
আমি করলে ঢং,
বড়লোকে করলে ঠিক
আমি করলে wrong"
এরকমই একটি গান শুনেছিলাম সম্ভবত প্রীতমের গাওয়া। অনেকদিন পর গানটির কথা মনে পড়লো।
রাজাকারদের বিচারের দাবীর পাশাপাশি তাদের লালান-পালন-সহায়তাকারীদেরও বিচারের দাবী করায় অনেকের বিষয়টা পছন্দ হয়নি, কেউ কেউ আমাকে প্রতিবিপ্লবী খেতাব দিয়ে ফেলেছেন। তাদের ভাব দেখে মনে হচ্ছে শুধু মাত্র তাদের থেকেই দেশ প্রেম শিখতে হবে। তারা দেশ প্রেমের ইজারা নিয়েছেন। তারা যদি বলেন আজ সুর্য উঠেনি তো বলতে হবে "হ্যা, আজ সুর্য উঠেনি"। তারা যে কাউকে রাজাকা-মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট দেবার অধিকার সংরক্ষন করেন। তারা রাজাকার বিচারের দাবীতে চিতকার করে এলাকা মাতাবেন। কিন্তু বিচারের সামান্য কার্যক্রম শুরু হোক তার নূন্যতম প্রচেষ্টা তারা করবেন না। রাজাকার বিচারে উজির নাজির মারতেই থাকবেন, যেটা এতদিন করে এসেছে আওয়ামীলীগ-বিএনপি। তারা ঘৃনায় রাজাকারদের নাম মুখেও আনতে চায়না, আবার রাজাকারদের সাথে দেশবিরোধী চুক্তি তারা নির্লজ ভাবে করে, রাজাকারদের সাথে মিটিং করে, আত্বীয়তার সম্পর্ক করে, সংসদে যায়, মন্ত্রী বানায়, প্রেসিডেন্ট বানায়। তাদের কিছু বলা যাবে না।
রাজাকারদের সাথে নিয়ে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন জায়েজ,
কারন তারা মুক্তযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির দাবীদার।
রাজাকারদের কাছে দোয়া নিতে যাওয়া দোষের কিছু না,
কারন তারা মুক্তযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির দাবীদার।
রাজাকারকে প্রেসিডেন্ট বানানো দোষের কিছু না,
কারন তারা মুক্তযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির দাবীদার।
রাজাকারদের সাথে আত্বীয়তা করা দোষের কিছু না,
কারন তারা মুক্তযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির দাবীদার।
রাজাকারকে নিজ বাসায় এনে আপ্যায়ন করা দোষের কিছু না,
কারন তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা।
রাজাকারের সাথে বিয়ে দেয়া দোষের কিছু না,
কারন তিনি বঙ্গবন্ধুর নাতনী।
রাজাকারের সাথে চুক্তি করা দোষের কিছু না,
কারন তারা মুক্তযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির দাবীদার।
রাজাকারের সাথে চুক্তির বিনিময়ে মোটা অংকের টাকা গ্রহন করা দোষের কিছু না,
কারন তারা মুক্তযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির দাবীদার।
ধর্ষনের জন্য রাজাকারের বিচার হবে
সেঞ্চুরী মানিকের হবেনা।
কারন তারা মুক্তযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির দাবীদার।
হত্যা-লুটতরাজের জন্য রাজাকারদের বিচার হবে
আর জয়নাল হাজারী, শামীম ওসমান নেত্রীর বাহবা পাবেন।
কারন তারা মুক্তযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির দাবীদার।
ক্রস ফায়ারে পড়বে মুরগী মিলন
তারেক-বাবরকে ছেড়ে দিতে হবে
রাজাকার তাহেরকে জেলে রাখতে হবে
মুক্তিযোদ্ধা জলিলকে ছেড়ে দিতে হবে
রাজাকারদের বিচার শুধুই চাইতে হবে। কিন্তু করার কোন উদ্যোগ নেয়া হবে না।
রাজাকারদের বিচার চাওয়া হবে কিন্তু দিনে দিনে তাদেরকে যারা সংসদে পাঠালো মন্ত্রী বানালো, প্রেসিডেন্ট বানালো তাদের বিচার চাওয়া যাবে না।
মাননীয়্ব্লগার বৃন্দ,
উপরের লেখায় আপনি সহমত পোষন করতেই পারেন
আমি পারি না
আপনি আপনার বিবেক বিক্রি করে দিতে পারেন
আমি পারি না

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



