somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হরতাল অবরোধের প্রভাব নেই সোনামসজিদ বন্দরে। কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে বন্দরে

০১ লা মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৪:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আবার মুখর হয়ে উঠছে সোনামসজিদ স্থলবন্দর। ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্যের সাথে প্রাণ চাঞ্চল্য। জানুয়ারির দিকে কিছুটা অবরুদ্ধ হয়ে পড়লেও ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকেই কোন প্রভাব নেই অবরোধ আর হরতালের। এর কারণ, বিএনপি- জামায়াত সমর্থক বন্দর শ্রমিক সংগঠনও অধিক উৎসাহ নিয়ে কাজ করা। প্রতিদিন বাড়ছে রাজস্বের পরিমাণ। বিভিন্ন সংস্থা, সংগঠন, সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট সমিতির সদস্যরা ও আমদানি-রফতানিকারকরা পূর্বের মতোই ব্যবসাবাণিজ্যে হামলে পড়েছে। রাজস্ব বৃদ্ধির পরিমাণ বাড়ছে প্রতিদিন। জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ হতে স্বাভাবিক হয়ে আসায় বন্দরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রায় না পৌঁছলেও এসেছে ১৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২১ কোটি ১৭ লাখ। ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ পর্যন্ত এসেছে ৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা। গত বছরের ৮ মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) ১৭৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। ইতোপূর্বে এই পথে সন্ত্রাসীদের ট্রাকবহরে হামলার ঘটনা নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাহারায় বন্দর থেকে প্রতিদিন পণ্যভর্তি ট্রাকের বহর দুর্বৃত্তদের কোন হামলা বা বাধাবিপত্তি ছাড়াই দেশের বিভিন্নস্থানে যাচ্ছে। এসব বহরে থাকছে সাড়ে তিন শ’র অধিক ট্রাক। তবে পণ্যভর্তি ট্রাকবহরে যৌথবাহিনীর পাহারা থাকলেও প্রতিদিন একই পথ ধরে পাহারাবিহীন কয়েক হাজার খালি ট্রাক অবাধে বন্দরে প্রবেশ করছে পণ্য নিয়ে যাবার জন্য। বন্দরে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসার কারণে গত মাসের ১৯ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারির ১৩ দিনে ৩ হাজার ৯৪৭ ভারতীয় ট্রাক পণ্য নিয়ে প্রবেশ করে। এইসব মালের পুরোটাই ট্রাকবহরে দেশের অভ্যন্তরে চলে যায়। এখন প্রতিদিন ভারতীয় ট্রাকের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সোনামসজিদগামী খালি ট্রাক ও সোনামসজিদ থেকে পণ্যভর্তি ট্রাকের চালকদের মধ্যে বর্তমানে কোন ধরনের ভয়ভীতি আর কাজ করছে না। পাশাপাশি স্বাভাবিকের চেয়ে ট্রাক ভাড়া কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেলেও অবাধ যাতায়াত ও কোন ঝুঁকি না থাকায় কমে এসেছে ট্রাক ভাড়া। অনেকটা আগের মতো অনায়াসে কম ভাড়াতে ট্রাক পাওয়া যাচ্ছে।



০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=মনে রং নেই আর=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫২


মন তো ছিল গোলাপী রঙ আভায় বন্দি, মন ছিল চন্দ্র মল্লিকা,
মন আর সেই মন নেই, মনের চারিপাশে এক সমুদ্দুর কুহেলিকা;
মন যেন পাথর হয়ে আছে, নেই অফুরন্ত ফুরসত
মন গোলাপী রঙ নয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতটা নির্লজ্জ বেহায়া ভিসি সারা দুনিয়াতে নেই-- ছি:

লিখেছেন অপলক , ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০১

একটা মানুষ কতটা নির্লজ্জ হতে পারে, সেই সাথে ক্ষমতার+ টাকার+ সরকারী সুবিধাদী পাবার কাঙ্গাল হতে পারে, চুয়েটের ভিসি (Vice-Chancellor) কে না দেখলে জানতেই পারতাম না। এতদিন শুধু লোভী বলে বুবু... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ, রাজনীতিতে আতঙ্ক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫০


দেশে এখন যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা মধ্য ডানপন্থী রাজনৈতিক দলের মানুষজন । সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে আছেন প্রবীণ নেতা নিতাই চন্দ্র রায়। এই অবস্থায় শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে দেয়ালে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথের ধর্মীয় পরিচয়, গ্রাফিতিতে চুনকালি ও পলিটিক্যাল ইসলাম

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:০৪


রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন প্রগতিশীল লেখকের লেখা পড়ে আমি হতাশ ও বিস্মিত হয়েছি। তাঁদের মধ্যে একাধিকজন লিখেছেন, রবীন্দ্রনাথ হিন্দু ছিলেন না, তিনি ছিলেন ব্রাহ্ম।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথের নামে কত শত অভিযোগ

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫


*রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা চুরি করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন! বাস্তবতা হলো, রবীন্দ্রনাথ যখন নোবেল পান, নজরুল তখন লেখালেখেই শুরুই করেননি। তাঁর বয়স সবে ১৪ ছিল।

প্রাপ্ত বয়সে নজরুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×