somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এ দেশে প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ হবে কবে?

০৯ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



রাজনীতি বিষয়টি আমার কেন জানি একদম ভাল লাগে না।হয়তো ছোট থেকে আমাদের দেশে যে রাজনীতি দেখে আসছি এটা তার বড় কারন।রাজনীতি সম্মন্ধে আমার জ্ঞান শূন্য বলতে পারেন।কিন্তু খোলা দৃষ্টিতে তার ভাল মন্দ টুকু তো বুঝি।সংবিধানে কি আছে আমার সেটাও অজানা আমি কোন দিন সংবিধান পড়িনি।তবে লোকে মূখে, বলতে পারেন এদেশের নেতাদের মূখে শুনে যতটুকু জেনেছি, রাজনীতি মানে হচ্ছে জনগনের সেবা করা।দেশের জনগন তাদের ভোটের মাধ্যমে এক জন প্রতিনীধি তৈরী করেন যার কাজ জনগনের সেবা করে যাওয়া।অথচ এদেশের রাজনীতিতে হচ্ছে ঠিক উল্টোটা।রাজনীতি থেকে সুযোগ সুবিধার থেকে আমরা সাধারন জনগন দূর্ভোগই বেশি পেয়ে থাকি।আর আমাদের দেশে সবচেয়ে যে বিষয়টা খারাপ তা হল প্রতিহিংসার রাজনীতি।

যারা রাজনীতির প্রতিহিংসার শিকার হননি তারা বুঝবেন না এই প্রতিহিংসা কত দূরে যেতে পারে।তবে আশে পাশে চোঁখ রাখলে ঠিকই বুঝতে পারবেন প্রতিহিংসার রাজনীতি কাকে বলে।আজও পর্যন্ত প্রতিহিংসার রাজনীতিতে পড়ে জীবন যাচ্ছে অহরহ মানুষের।নিজের জন্য সব সময় দোয়া করবেন যেন প্রতিহিংসার রাজনীতিতে আপনাকে পড়তে না হয়।

বর্তমান সরকারের লোকজনও প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বাইরে নয়।বর্তমান সময়ে সাধারন জনগনের নামে গায়েবী মামলা তার বড় উদাহরন।এই মামলা থেকে মৃত ব্যক্তিও নিস্তার পাচ্ছেন না।আবার যারা প্রবাসে আছেন দীর্ঘদিন ধরে তাদের নামেও মামলা হচ্ছে।এই সব মামলায় লাভ হয় পুলিশের।যাদের নামে মামলা হয় তাদের কে ছাড়াতে তার পরিবার হাজার হাজার টাকা খরচ করে।আমি দেখেছি আমাদের গ্রামের অনেক নিরীহ মানুষের নামে বিনা কারনে মামলা হয়েছে যার কারন প্রতিহিংসার রাজনীতি।

জানিনা এদেশে প্রতিহিংসার রাজনীতি কোন দল আগে শুরু করেছিল।যেই শুরু করুক না কেন সব রাজনীতি দল গুলোকে প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।একটা পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটি যখন প্রতিহিংসার রাজনীতে পড়ে প্রান হারান বা জেলে যান তখন সেই পরিবারটির কি অবস্থা হয় তা কি রাজনীতির বড় নেতারা কখনও ভেবে দেখেন?বড় বড় নেতাদের ছত্র ছায়াই গ্রাম্য পর্যায়ের চুনোপুটি নেতারা প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে সাহস পায়।

ক্ষমতা চিরদিন কারও থাকে না।ক্ষমতায় থাকা কালিন এই কথা ক্ষমতাসীন দল একদম ভুলে যান।দেশের জনগনের জন্য সত্যি যদি কাজ করতে চান তবে সব দলকেই প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দিয়ে জনগনের জন্য কাজ করে যেতে হবে।ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় প্রতিটি দলই এমন কাজ করুন যেন ক্ষমতা না থাকলেও আপনাকে প্রতিহিংসার রাজনীতির কবলে না পড়তে হয়।

রাজনীতি যদি সত্যি জনগনের কল্যানের জন্য হয় তবে প্রতিহিংসার রাজনীতি কোন দলের কাছেই কাম্য নয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৫৭
২৪টি মন্তব্য ২৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“Epstein “ বুঝতে পারেন ! কিন্তু রাজাকার,আলবদর,আলশামস আর আজকের Extension লালবদর বুঝতে পারেন না ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:০৮

মূলত এটি একটি ছবি ব্লগ। এক একটি ছবি একটি করে ইতিহাস। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কস্টের অধ্যায়।

এপস্টেইন ফাইল দেখে আপনারা যারা বিচলিত, জেনে রাখুন ভয়াবহ আরেক বর্বরতা ঘটেছিলো ৭১এ এদেশেই, আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুধু উপবাস নয়, আত্মশুদ্ধি অর্জনই রোজার মূল উদ্দেশ্য

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:০১

শুধু উপবাস নয়, আত্মশুদ্ধি অর্জনই রোজার মূল উদ্দেশ্য

ছবি, সংগৃহিত।

সারসংক্ষেপ

রমজানের রোজা ইসলামের অন্যতম মৌলিক ইবাদত। সাধারণ মুসলিম সমাজে রোজা ভঙ্গের ধারণা প্রধানত পানাহার ও যৌন সংসর্গের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অথচ কুরআন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

Will you remember me in ten years!

লিখেছেন করুণাধারা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



উপরের ছবিটি ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে একজন ব্লগার তার এক পোস্টে দিয়েছিলেন। জানতে চেয়েছিলেন দশ বছর পর কেউ তাকে মনে রাখবে কিনা!! গতমাসে এই পোস্ট যখন আমার নজরে এলো, হিসাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ

লিখেছেন বিপ্লব০০৭, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৭



মানুষ আসলে কী?

Sophies Verden কেতাবে নরওয়েজিয়ান ইয়স্তেন গার্ডার (Jostein Gaarder) এক বিশাল বয়ান পেশ করেছেন ছোট্ট মেয়ে সোফির জীবনের গল্প বলতে বলতে। নীতি-নৈতিকতা, জীবন-জগৎ, সৃষ্টি নিয়ে সোফির ধারণা ছিলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

শোনো হে রাষ্ট্র শোনো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০২


নিশ্চল শহরে আজ ক্ষুধারা হাঁটে পায়ে পায়ে
ফুটপাথে শুয়ে রয় ক্ষুদার্ত মুখ।
চালের বস্তার সেলাই হয়নি ছেড়া,
রুটির দোকানে আগুন ওঠেনি জ্বলে।
ক্ষুদার্ত আধার জাপটে ধরে আষ্টেপৃষ্টে।

আমার চোখ লাল, ভেবো না নেশায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×