
ঘুর্নিঝড় আম্পান নিয়ে এটাই শেষ আপডেট (বৃঃপতিবার)
==========================================================
ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের বেশিভাগ অংশ পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে স্থল ভাগে প্রবেশের কারণে বাংলাদেশের ক্ষতির পরিমাণ অপেক্ষাকৃত অনেক কম হয়েছে কোলকাতার সপক্ষে। যদিও ঘূর্ণিঝড়টি সাতক্ষীরা জেলায় তার ক্ষমতার দাপট ঠিকই দেখিয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশে প্রবেশের পরে রাজশাহী বিভাগের আম চাষ নির্ভর জেলায় গুলোর উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় আমচাষীদের অনেক ক্ষতি সাধারণ করেছে। সংবাদ পত্রের মাধ্যমে জানতে পারলাম যে সাতক্ষীরা জেলায় বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ক্ষতিগ্রস্ত তাই জেলা প্রশাসক এখনও জানেন না কোন এলাকায় কেমন ক্ষতি সাধারণ হয়েছে। এমনকি জেলা প্রশাসক বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সাথেও যোগাযোগ করতে পারতেছেন না। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ক্ষয়-ক্ষতির চূড়ান্ত পরিমাণ জানার জন্য হয়ত আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে।
ব্লগাররা যদি ক্ষয়-ক্ষতির কোন তথ্য পেয়ে থাকেন তবে মন্তব্য আকারে পোষ্টে যোগ করে দেবার অনুরোধ করবো।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আপডেট, মে ২০, ২০২০ (বুধবার দিবাগত রাত ২ টা ৪৫ মিনিট)
==========================================================
কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে (মেঘের তাপমাত্রা অনেক কমে গেছে) ঘূর্ণিঝড় আম্পান ইতিমধ্যে অনকে শক্তি হারিয়েছে। ঘূর্ণিঝড় এর প্রভাবে সৃষ্ট মেঘ পুরো বাংলাদেশে ছেয়ে গেছে। ঢাক শহরকে কেন্দ্র করে ২০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধ নিয়ে যদি একটি বৃত্ত আকা যায় তার রূপ যেমন হবে ঘূর্ণিঝড় এর কারণে সৃষ্ট মেঘের বর্তমানে সেই অবস্থায় রয়েছে।
বর্তমানে যে অবস্হায় রয়েছে তাতে করে খুব বেশি ক্ষতি করতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না। তবে দেশে যেহেতু আমের মৌসুম চলতেছে তাই এই ঘুর্নিঝড়ের কারণে কাচা আমের আচার খেতে হবে বেশি এ-বছর। পাকা আম বেশি খাওয়া যাবে না।


বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আপডেট, মে ২০, ২০২০ (বুধবার দিবাগত রাত ১ টা)
==========================================================
ঘূর্ণিঝড় এর কেন্দ্র বর্তমানে কুষ্টিয়া জেলায় উপরে। পর্যায়ক্রমে তা উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আগামী ৬ ঘণ্টা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, মুন্সিগন্জ, মানিকগঞ্জ জেলায় উপর দিয়ে তীব্র গতিবেগের বাতাস ও ভারি বৃষ্টি বয়ে যাবে। তবে ঘূর্ণিঝড়টির ব্যাস এত বড় যে এটি প্রায় পুরো বাংলাদেশকে ঘূর্ণিঝড় বৃত্তের ভিতরে চলে আসবে। অপেক্ষাকৃত কম বৃষ্টি হবে চট্টগ্রাম বিভাগের জেলা গুলোর উপর।


বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আপডেট, মে ২০, ২০২০ (বুধবার রাত ১২ টা ১৫ মিনিট)
==========================================================
কোলকাতায় ধ্বংসযজ্ঞ সেরে ঘুর্নিঝড় আম্পানের কেন্দ্র বাংলাদেশে প্রবেশ করতেছে; ইতিমধ্যেই অর্ধেক বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে সাতক্ষীরা, খুলনা ও যশোর জেলার উপর দিয়ে।
কৃত্রিম ভূউপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত মেঘের তাপমাত্রা ও বাতাসে জ্বলীয় বাস্পের পরিমানের চিত্র।
ছবি কৃতজ্ঞতা: মেট্রলিংক


বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আপডেট, মে ২০, ২০২০ (বুধবার রাত ১১ টা ৩০ মিনিট)
==========================================================
ঘুম থেকে উঠে (বাংলাদেশের সাথে কানাডার সময়ের পার্থক্য ১২ ঘন্টা) কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত গত ৬ ঘণ্টার ও বর্তমান ছবি বিশ্লেষণ করে দেখতে পেলাম যে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান কোলকাতায় উপর দিয়ে স্থল ভাগে প্রবেশ করেছে সেই সাথে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ডান দিকের অংশ বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে। ফলে অনুমান করা যাচ্ছে সাতক্ষীরা জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সাক্ষর রেখেছে ঘূর্ণিঝড়টি। ঘূর্ণিঝড় বর্তমানে যশোর জেলার উপর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতেছে। অর্থাৎ এখন থেক আগামী ১২-১৮ ঘণ্টা ঝড়টি পুরোপুরি বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হবে। এই সময় ঝড়টি রাজশাহী, ঢাকা, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাগুলোর উপর দিয়ে অতিক্রম করবে। ঝড়টি যত সামনের দিকে এগোবে ততই এর শক্তি ক্ষয় হবে। তবে এই ঝড় এর বর্তমান অবস্থার কারণেও বাতাস ও বৃষ্টির কারণে সম্পদের অনেক ক্ষতি সাধন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।




ব্রেকিং নিউজ:
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আপডেট, মে ২০, ২০২০ (বুধবার দুপুর ৪ টা ১৫ মিনিট)
==========================================================
জাপানের কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ হিমাওয়ারি-৮ থেকে প্রাপ্ত ইনফ্রারেড চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের মূল কেন্দ্রে দুপুর ৩ টা বেজে ১০ মিনিটের সময় উপকূল অতিক্রম করে স্থল ভাগে প্রবেশ করেছে। ঘূর্ণিঝড় বৃত্তের অর্ধেক তখন পর্যন্ত সমুদ্রের উপর অবস্থান করছিলো। ঘুর্নিঝড় ক্যাটেগরি ২ মানের ঝড় হিসাবে স্হল ভাগে আঘাত করেছে।
ঘুমাতে যাবার পূর্বে এটা শেষ আপডেট। আল্লাহ তায়ালা বাংলাদেশ ও ভারতের উপকূলীয় এলাকার মানুষদের জান ও মালের রক্ষান করুন এই প্রার্থনা করি।




বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আপডেট, মে ২০, ২০২০ (বুধবার দুপুর ১ টা ৩০ মিনিট)
==========================================================
দুপুর ১ টায় জাপানের কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ হিমাওয়ারি-৮ থেকে প্রাপ্ত ইনফ্রারেড চিত্র যা সাধারণত বায়ুতে মেঘের পরিমাণ নির্ধারণে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৩ ভাগের ১ ভাগ ইতিমধ্যেই স্থল ভাগে প্রবেশ করেছে।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আপডেট, মে ২০, ২০২০ (বুধবার সকাল ৭টা)
==========================================================
সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার উপকূলীয় এলাকায় ইতিমধ্যেই ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে (লাল বৃত্ত চিহ্নিত অংশ) ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আপডেট, মে ২০, ২০২০ (বুধবার ভোর ৬ টা ১৫ মিনিট)
==========================================================
ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের আকাশে মেঘের ঘন ঘটা দেখা যাচ্ছে রাডার হতে প্রাপ্ত চিত্রে। জাপানের কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত চিত্রে ১ ঘন্টা পূর্বে ৪০ মিনিট পূর্বে দেখা ঘুর্নিঝড় আম্ফান এর ৩ টি ছবি যোগ করলাম। এই ৩ টি ছবিতে তীর চিহ্ণ দিয়ে যে স্হানকে নির্দেশ করেছি সেই স্হান আগামী ২-৪ ঘন্টার মধ্যে উপকূলীয় এলাকায় আঘাত করা শুরু করেব। এই স্হান ঘুর্নিঝড়ের অগ্রবর্তী অংশ। এই অংশ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর রাডারে ধারা পরবে। এই অংশের বাতাসের তীব্রতাও অনেক বেশি থাকবে। রাডার প্রতি ১০ মিনিট পর-পর নতুন চিত্র গ্রহন করে। রাডার থেকে আপনি নিজেও নিয়মিত ঘুর্নিঝড়ের আপডেট দেখে নিতে পারবেন। ঘুর্নিঝড় এর অগ্রবর্তী অংশের পরের অংশ হবে ঘুর্নঝড় এর কেন্দ্র যার বাতাসের গতিবেগ থাকবে সর্বোচ্চ। বৃত্তের ভিতরে অবস্হিত অংশ সর্বাপেক্ষা ভয়ংকর। এই অংশ থেকে প্রচন্ড বৃষ্টিপাত ও তীব্র গতিবেগের বাতাস বহন করে। এই অংশ সকাল ১০ থেকে ১২ টার দিকে স্হাল ভাগে আঘাত করা শুরু করবে বলে মনে করা হচ্ছে। সময় ২ ঘন্টা আগে বা পিছে হতে পারে।




বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আপডেট, মে ২০, ২০২০ (রাত ১ টা)
===================================================
ঘূর্ণিঝড় আম্ফান আরও কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে ও কিছুটা উত্তর-পশ্চিম দিকে সড়ে গেছে। ফলে বর্তমান অবস্থায় ঘূর্ণিঝড়টি কেন্দ্রে ক্যাটেগরি ২ মানের ঘূর্ণিঝড় হিসাবে ঘণ্টায় প্রায় ১৬০-১৭০ কিলোমিটার বেগে ভারতের ওড়িশা রাজ্যের উত্তর-পূর্ব উপকূল ও পশ্চিম বঙ্গের বর্ডার দিয়ে স্থল ভাগে প্রবেশ করবে। অর্থাৎ ঝড়ের কিছু পশ্চিম বঙ্গের উপর দিয়ে ও কিছু অংশ ওড়িষার উপর দিয়ে প্রবেশ করবে। তবে বর্তমান অবস্থা অনুসারেও ঘূর্ণিঝড় বৃত্তের ডান ডিকের উল্লেখযোগ্য অংশ বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করবে। বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় ঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার। ঝড়টির বাহিরের কিছু অংশ ইতিমধ্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর রাডারে ধরা পরা শুরু করেছে। ফলে এখন থেকে প্রতি ১০ মিনিট পর-পর জানা যাবে ঘুর্নিঝড় আম্ফান অথায় অবস্হান করছে ও কেমন শক্তিশালি অবস্হায় রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় এর বাম দিকের কিছু অংশ ওড়িশার উপর দিয়ে স্থল ভাগে প্রবেশ করলেও ঘূর্ণিঝড় এর কেন্দ্র ভারতের পশ্চিম বঙ্গের উপর দিয়ে প্রবেশ করবে ও ঘূর্ণিঝড় বৃত্তের ডান দিকের প্রায় অর্ধেক অংশ খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে প্রবেশ করবে।




বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আপডেট, মে ২০, ২০২০ (রাত ১২ টা ৩০ মিনিট)
===================================================
ঘুর্নিঝড় আম্ফান বাংলাদেশের যে ক্ষতিগুলো করবে
ঘূর্ণিঝড় আম্পান এর কারণে বাংলাদেশের জন্য প্রধান সমস্যা হবে সাইক্লোন সেন্টারে গাদাগাদি করে অবস্থান করার পরের করোনা ভাইরাসের ব্যাপক বিস্তারের সম্ভাবনা।
দ্বিতীয় প্রধান সমস্যা হবে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি।
তৃতীয় আমের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি। বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড়টি রাজশাহী ও চাপাই নবাবগন্জের উপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বগে অতিক্রম করার কারণে আম ঝড়ে পড়বে।
চতুর্থত: যেহেতু ঘূর্ণিঝড়টি আমাবস্যার পূর্বের রাতে আঘাত হানিতেছে তাই উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসের কারণে উপকূলীয় এলাকার বেড়ি বাধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কৃষি জমিতে লবণাক্ত পানি ঢুকে পড়বে।
পঞ্চমত: গত ২ মাসের লক-ডাউনের কারণে ইতিমধ্যেই উপকূলীয় এলাকার জেলেরা মানবেতর জীবন যাপন করছে অর্থিত সমস্যার কারণে। এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা মেরামত করার প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে এই সকল গরিব মানুষের জন্য।
অর্থাৎ, এই ঘূর্ণিঝড়টির কারণে উপকূলীয় এলাকার সবচেয়ে গরিব মানুষগুলো সর্বাপেক্ষা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আপডেট, মে ১৯, ২০২০ (বিকেল ৫ টা ৩০ মিনিট)
===================================================
ঘূর্ণিঝড় আম্ফান এর শক্তি উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে হঠাৎ করে। বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি ক্যাটেগরি ৩ মানের ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে যার কেন্দ্রের বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ২০৫ কিলোমিটারে নেমে এসেছে। সর্বশেষ পূর্বাভাষ অনুসারে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কেন্দ্র পশ্চিম বঙ্গে উপরে দিয়ে প্রবেশ করে বাংলাদেশের দিকে ধাবিত হবে।

স্থল ভাগে প্রবেশের সময় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কেন্দ্রের বাতাসের গতিবেগ আরও কমে ক্যাটেগরি ২ মানের ঘূর্ণিঝড় হিসাবে উপকূলীয় এলাকায় আঘাত করবে বলে পূর্বাভাষ মডেল নির্দেশ করতেছে তখন কেন্দ্রের বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ১৭০ কিলোমিটার থাকবে বলে আবহাওয়া পূর্বাভাষ মডেল নির্দেশ করতেছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফান যখন রাজশাহী জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হবে তখন এটি ক্যাটেগরি ১ মানের ঘূর্ণিঝড় হিসাবে থাকবে। তখন ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার থাকবে বলে আবহাওয়া পূর্বাভাষ মডেল নির্দেশ করতেছে।

আজ সন্ধ্যার পর থেকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা, মধ্যরাতের পর থেক বৃহত্তর ফরিদপুর-মাদারীপুর জেলা ও আগামীকাল ভোর হতে ঢাক ও রাজশাহী বিভাগের জেলারগুলোতে বৃষ্টি শুরু হতে পারে যা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা অব্যাহত থাকবে বলে আবহাওয়া পূর্বাভাষ মডেল নির্দেশ করতেছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সারাদেশে বৃষ্টিপাত হবে তবে খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ও ময়মনসিংহ বিভাগে ভারি বৃষ্টিপাত হবার সম্ভাবনার কথা বলছে আবহাওয়া পূর্বাভাষ মডেল।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আপডেট, মে ১৮, ২০২০ (রাত ১০ টা)
===================================================
আমেরিকার University of Wisconsin-Madison বিশ্ববিদ্যালয়ের এর কর্তৃক পরিচালিত Cooperative Institute for Meteorological Satellite Studies নামক প্রতিষ্ঠান এর সর্বশেষ পূর্বাভাষ অনুসারে বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ ক্যাটেগরি ৫ মানের ঝড় হিসাবে ঘণ্টায় ২৬৮ কিলোমিটার গতিবেগ অর্জন করেছে ও আগামী ১২ ঘন্টায় ২৭৮ কিলোমিটার গতিবেগে অর্জন করতে পারে আগ। নিচে ঘূর্ণিঝড়টির চলার পথ শুরু থেকে কেমন ভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে তার একটি চিত্র দেওয়া হলও। তাই এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না যে ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপর দিয়ে স্থল ভাগ অতিক্রম করবে না।




বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আপডেট, মে ১৮, ২০২০ (সোমবার দুপুর ৩ টা)
===================================================
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ ক্যাটেগরি ৫ মানের গতিবেগ অর্জন করেছে (ঘণ্টায় প্রায় ২৭০ কিলোমিটার)। ১৯৯১ সালের পরে বঙ্গোপসাগরে এত শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আর সৃষ্টি হয় নাই।
আমেরিকার University of Wisconsin-Madison বিশ্ববিদ্যালয়ের এর কর্তৃক পরিচালিতCooperative Institute for Meteorological Satellite Studies নামক প্রতিষ্ঠান এর সর্বশেষ পূর্বাভাষ অনুসারে (১ ও ২ নম্বর ছবি (বাম দিক থেকে)) বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ ক্যাটেগরি ৫ মানের গতিবেগ অর্জন করেছে। বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি ঘণ্টায় ২৭০ কিলোমিটার গতিবেগ অর্জন করেছে। আগামী ১২ ঘণ্টায় কিছুটা গতিবেগ কমে ২৫০ কিলোমিটার হবার পূর্বাভাষ করা হয়েছে। তবে স্থল ভাগে আঘাত করার পূর্বে ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের গতিবেগ কিছুটা কমে ক্যাটেগরি ৩ মানের ঝড় হিসাবে উপকূলীয় এলাকায় আঘাত করবে বলে সর্বশেষ পূর্বাভাষে বলা হয়েছে।

তবে কিছুটা সু-সংবাদ যে ঘূর্ণিঝড়টি আবারও ইন্ডিয়ার দিকে সরে গেছে কিছুটা। তবে এখনই আশান্বিত হবার কিছু নাই কারণ এখনও প্রায় ২ দিন অবশিষ্ট ঘূর্ণিঝড়টির স্থল ভাগে আঘাত করার। ফলে যে কোন সময় আবারও বাংলাদেশের দিকে ঘুরে আসতে পারে। বর্তমান অবস্থান অনুসারেও ঘুর্নিঝড়টি বাংলাদেশের মধ্য ভাগ দিয়ে অতিক্রম করবে ভারতের উপর দিয়ে স্থল ভাগে প্রবেশ করার পরে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আপডেট, মে ১৮, ২০২০ (ভোর ৬ টা)
===================================================
ব্রেকিং নিউজ: ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ ক্যাটেগরি ৪ মানের গতিবেগ অর্জন করেছে (ঘণ্টায় ২১২ কিলোমিটার)

আমেরিকার University of Wisconsin-Madison বিশ্ববিদ্যালয়ের এর কর্তৃক পরিচালিত Cooperative Institute for Meteorological Satellite Studies নামক প্রতিষ্ঠান এর সর্বশেষ পূর্বাভাষ অনুসারে বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ ক্যাটেগরি ৪ মানের গতিবেগ অর্জন করেছে। বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি ঘণ্টায় ২১২ কিলোমিটার গতিবেগ অর্জন করেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় গতিবেগ আরও বৃদ্ধি পেয়ে ঘণ্টায় ২৩২ কিলোমিটার পর্যন্ত অর্জন করতে পারে। পরবর্তী ১২ ঘণ্টা কিছুটা গতিবেগ কমে আবারও ঘণ্টায় ২১২ কিলোমিটার হবার পূর্বাভাষ করা হয়েছে। আজ রাত ১২ টা থেকে পরবর্তী ৩৬ ঘণ্টা (মঙ্গলবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত) ঘূর্ণিঝড় আম্পান ক্যাটেগরি ৪ মানের গতিবেগ বজায় রাখবে বলে পূর্বাভাষ করা হয়েছে। তবে স্থল ভাগে আঘাত করার পূর্বে ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের গতিবেগ কিছুটা কমে ক্যাটেগরি ৩ মানের ঝড় হিসাবে উপকূলীয় এলাকায় আঘাত করবে বলে সর্বশেষ পূর্বাভাষে বলা হয়েছে।
আমি পূর্বের স্ট্যাটাসে লিখেছিলাম যে আগামী ২ দিন ঘূর্ণিঝড়টি যে পথে অতিক্রম করবে সেই স্থানের পানির তাপমাত্রা প্রায় পুরো বঙ্গোপসাগরের মধ্যে সর্বোচ্চ (৩০ থেকে ৩২ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড)। ফলে এখনও অনেক সম্ভাবনা রয়েছে ঘূর্ণিঝড়টি আবারও শক্তিশালী হবার। পূর্বে লিখেছিলাম যে ঘূর্ণিঝড়টি ক্যাটেগরি ৪ মান অর্জন করলে অবাক হবো না।

আমেরিকার নৌবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ও প্রতিষ্ঠান Joint Typhoon Warning Center (JTWC) এর সর্বশেষ পূর্বাভাষ অনুসারে ঘুর্নিঝড়টির অগ্রভাগ ১৯ শে মে রাত ১২ টার পর থেকে সাতক্ষিরা ও খুলনা জেলায় উপর দিয়ে বাংলাদেশে আঘাত করা শুরু করবে ও ঘুর্নিকঝড় কেন্দ্রের বাতাসের গতিবেগ থাকতে পারে ঘন্টায় ২০৪ কিলোমিটার। দেশের মধ্যান্বচলে প্রবেশ করার পরেও ঘুর্নিকঝড় কেন্দ্রের বাতাসের গতিবেগ থাকতে পারে ঘন্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি।

European Centre for Medium-Range Weather Forecasts (ECMWF) আবহাওয়া পূর্বাভাষ মডেল এর Tropical cyclone strike probability মানচিত্র অনুসারে ঘুর্নিঝড়টির স্হল ভাগে আঘাতের পথ কিছুটা উত্তর-পূর্ব দিকে বাংলাদেশের দিকে সরে এসেছে। এই মানচিত্র অনুসারে দেখা যাচ্ছে ঘুর্নিঝড়টির অর্ধেকের বেশি অংশ সরাসরি সাতক্ষিরা ও খুলনা জেলায় উপর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সম্ভাবনা শতকরা ৯০ ভাগের বেশি।
====================================================================
ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় আম্পান ধেয়ে আসছে বাংলাদেশের উপকূলের দিকে ও ২০ শে মে ভোর থেকে খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে বাংলাদেশের স্থল ভাগে আঘাত করতে পারে (সর্বশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাষ অনুসারে, আপডেট, মে ১৮, ২০২০ (রাত ১ টা))।
উপরের ছবিটি জাপানের Himawari নামক কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত ৮৫-৯১ গিগাহার্জ এর মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গের চিত্র। ঘূর্ণিঝড়ের জীবনচক্র সম্বন্ধে সর্বাপেক্ষা বেশি তথ্য পাওয়া যায় কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত ৮৫-৯১ গিগাহার্জ এর মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গের চিত্র থেকে।

ইনফ্রারেড চিত্র হতে মেঘে অবস্থিত জ্বলিয় বাষ্পের তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয়ে থাকে যে তাপমাত্রা দেখে মেঘের উচ্চতা পরিমাণ করা যায়। যে মেঘ যত উঁচু সেই মেঘের সর্বো্চ্চ অংশের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা তত কম হবে।



আবহাওয়া মডেলগুলোর সর্বশেষ পূর্বাভাষ অনুসারে ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রভাগ বুধবার ভোর হতে বাংলাদেশ ও ভারতের সুন্দরবনের উপর দিয়ে স্থল ভাগে প্রবেশ করা শুরু করবে (৬ টির মধ্যে ৫ টি মডেলই তা নির্দেশ করতেছে)। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রে দুপুরের পর থেকে উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করবে ই সেই সময় বাতাসের গতি সর্বোচ্চ থাকবে। গত ৬ ঘন্টায় ঘূর্ণিঝড়টি ঘন্টায় প্রায় ১১ কিলোমিটার বেগে সামনের দিকে আগোচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির প্রায় অর্ধেক অংশ সাতক্ষিরা ও খুলনা জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হবে।

আমেরিকার নৌবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ও প্রতিষ্ঠান Joint Typhoon Warning Center (JTWC) এর পূর্বাভাষ অনুসারে বর্তমান ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার বেগে আঘাত করতে পারে তবে দমকা হাওয়া ঘন্টায় ১৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

তবে আমেরিকার University of Wisconsin-Madison বিশ্ববিদ্যালয়ের এর কর্তৃক পরিচালিতCooperative Institute for Meteorological Satellite Studies নামক প্রতিষ্ঠান এর পূর্বাভাষ অনুসারে ঘূর্ণিঝড় আম্পান ক্যাটেগরি ৩ মানের ঘূর্ণিঝড় হিসাবে স্থল ভাগে প্রবেশ করবে বলে আব হাওয়া পূর্বাভাষ মডেল গুলো নির্দেশ করতেছে। ক্যাটেগরি ৩ মানের ঘূর্ণিঝড়ের বাতাসের গতিবেগ থাকে ঘণ্টায় ১৭৮ থেকে ২০৮ কিলোমিটার। ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডর এর পরে এত শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানে নাই। এই গতিবেগে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলীয় এলাকায় আঘাত করলে বাঁশ ও টিনের তৈরি ঘরগুলোর কোন চিহ্ন খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। এমনকি ১৯৯১ সালের পরে তৈরি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রগুলোর কোনটির কাঠামো হুমকির সম্মুখীন হতে পারে।
স্হল ভাগে প্রবেশের পরে ঘূর্ণিঝড়টি আরও দূর্বল হয়ে সাধারণ মানের ঝড়ে পরিনত হবে বালে মডেল গুলো নির্দেশ করতেছে। তবে এখানে উল্লেখ করতে চাই আগামী ২ দিন ঘূর্ণিঝড়টি যে পথে অতিক্রম করবে সেই স্থানের পানির তাপমাত্রা প্রায় পুরো বঙ্গোপসাগরের মধ্যে সর্বোচ্চ (৩০ থেকে ৩২ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড)। ফলে এখনও অনেক সম্ভাবনা রয়েছে ঘূর্ণিঝড়টি আবারও শক্তিশালী হবার।

WaveWatch III (WW3) Global Wave Model নির্দেশ করতেছে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত হানার সময় ও তার পূর্বে সমুদ্রের ঢেউ এর উচ্চতা ২০ থেকে ৪০ ফুট উঁচু হতে পারে। ইতিমধ্যেই সমুদ্রের অবস্থা ভয়ংকর। আগামী ২৪-৩৬ ঘণ্টার মধ্যে মাছ ধার ছোট নৌকা গুলো উপকূলে না ফিরলে এই জেলে গুলোর জীবন নিয়ে ফেরার সম্ভাবনা খুবই কম।
কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত ছবি বিশ্লেষন করে দেখা যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড়টি গত ২ দিনে আস্তে-আস্তে সংগঠিত হচ্ছে। ঘুর্নিঝড়টির কোন-কোন অংশে প্রায় ৭০ হাজার ফুট উচু মেঘের সৃষ্টি হয়েছে যা নির্দেশ করতেছে এটি প্রচন্ড শক্তিশালি হচ্ছে। যেহেতু ঘুর্নিঝড়টি এখনও ৩ দিন গভীর সমুদ্রের গরম পানির উপর অবস্হান করবে তারই এই ঘুর্নিঝড়টি আরও প্রচন্ড শক্তি অর্জন করবে। যদি ঘুর্নিঝড়টি ক্যাটেগরি ৪ মানের ঘুর্নিঝড়ে পরিনত হয় তবে আমি অবাক হবো না।
================================
বাংলাদেশ সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ
================================
কোন ঘূর্ণিঝড় স্থল ভাগের প্রবেশের ৩ দিন পূর্বে প্রায় সকল আবহাওয়া পূর্বাভাষ মডেল একই পথ নির্দেশকরাটা প্রায় ব্যতিক্রম বলে চলে। বাংলাদেশে সরকারের হাতে ৩ দিন সময় আছে যা সম্ভব্য দুর্যোগ মোকাবেলায় বিশাল বড় সময় বলা চলে। পর্যাপ্ত সময় পাওয়ার পরেও করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না নেওয়ার ফল ইতিমধ্যেই বুঝতে পড়তেছে বাংলাদেশ, আশাকরি একই রকম ভুলের পুনরাবৃত্তি করবে না বাংলাদেশ সরকার ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলার ক্ষেত্রে।
করোনা মহামারির এই সময়ে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে শত-শত মানুষ গাদা-গাদি করে অবস্থান নিলে উপকূলীয় এলাকার মানুষ ব্যাপক ভাবে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হবে ঘর্নিঝড়ের চলে যাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে। তাই ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে ছাড়াও স্হানীয় স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা ব্যব হার করা যেতে পারে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে হিসাবে। এতে করে মানুষকে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে গাদা-গাদি ভাবে অবস্হান করতে হবে না।
==================================================
পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে চলমান ঘূর্ণিঝড়, টাইফুন কিংবা হ্যারিকেন থেকে জীবন ও সম্পদ রক্ষার্থে পরিচিত হউন ৩ ডজন ওয়েবসাইট এর সাথে
================================================================
কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহের ইনফ্রারেড চিত্র সম্বন্ধে অতিরিক্ত তথ্য:
[Infrared satellite technology works by sensing the temperature of infrared radiation being emitted into space from the earth and its atmosphere. Basically, all objects (including water, land, and clouds), radiate infrared light. In general, the temperature of the atmosphere decreases with height. Since clouds are often high in the atmosphere (about 10,000 feet), they are in air that is much colder than the earth's surface. Therefore, the rule of thumb is: the brighter the cloud in an infrared image, the higher the cloud. Colder objects are brighter and warmer objects are darker.]
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মে, ২০২০ বিকাল ৪:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



