
অতি সম্প্রতি আমি সনদ পেয়েছি । একটি নয়, একাধিক । প্রথমটা পাওয়ার পর বিভ্রান্ত হয়েছিলাম ! বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না নিজের সৌভাগ্য ! আমার যারপরনাই আনন্দ দেখেই সনদদাতা সনদের পদন্নোতি ঘটিয়ে দিল । আমি আনন্দমাখা বিস্ময়ে হতবাক হলাম ।
একটু খুলে বলা যাক । আমার পরম এক আপনজন আমার বিশেষ এক অজ্ঞতায় সন্তুষ্ট হয়ে প্রথমে আমাকে 'ছাগল' উপাধি দিলেন । বোঝা গেল তিনি আমার অজ্ঞতা সম্পর্কে তখনও সচেতন নন । আমি গাইগুঁই করতে লাগলাম । আমাকেই খুশী করতেই যেন 'রামছাগল' উপাধিটা সনদসহ দিয়ে দিলেন । আমি বিভ্রান্ত হয়ে পড়লাম । ছাগলামি হয়ত করেছি, কিন্তু রামছাগলামি কি করেছি সেটা বুঝে উঠতে পারি নি । তবে কোন প্রশ্ন করলাম না, পাছে বন্ধু খোনকারের অমর বাণী অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্কর- এই কথাটা আবার সত্যি হয়ে ওঠে ।
আজকাল খবরের কাগজ,রেডিও টেলিভিশন বা এই জাতীয় সকল প্রকার সংবাদমাধ্যমের প্রয়োজন ফুরিয়েছে । সব সচিত্র খবর ফেসবুকেই পাওয়া যায় । তাই ' ছাগল ও রামছাগল'র ডেফিনিশন চেয়ে ফেসবুক দেয়ালে বিজ্ঞাপন দিলাম । আশাতীত সাড়া পাওয়া গেল ! আমি কৃতজ্ঞচিত্তে সেসব অধ্যয়ন করতে লাগলাম । উঁহু কোনটাই তেমন কাজের নয় । আমি আশাবাদী মানুষ । হতাশাকে কাছে ঘেঁষতে দিলাম না । আশায় বুকটা কষে বাঁধলাম । সে বাঁধন বৃথা গেল না ।
অবশেষে এলো সেই কাঙ্ক্ষিত ডেফিনিশন । প্রখ্যাত 'ছাগল ও রামছাগল বিশেষজ্ঞ' বন্ধু আসাদুজ জামান মুল্যবান মন্তব্যটিতে প্রমাণ করে দিল যে আমি আসলেই একটা 'রামছাগল ।' আনন্দের আতিশয্য আর কৃতজ্ঞতায় আমার চোখ ভিজে উঠে কয়েক ফোঁটা আনন্দাশ্রু গড়িয়ে পড়ল । কেবল অযুত মাইল দুরত্বের কারণে আসাদুজ জামানকে বুকে জড়িয়ে ধরতে পারলাম না । আফসোস ! তবে বেশ ঈর্ষাও হল । বন্ধু আসাদুজ জামান ঢালাও ভাবে ওখানে সকল মন্তব্যকারীকে ছাগল বলেছে ! এটা একটা কথা হল ! ওরা সবাই কি আর আসাদুজ জামানের মতো ! ঈর্ষা হবে না ?
মড়ার ওপর খাড়ার ঘায়ের মতো আচমকা বন্ধু সাখাওয়াত সন্দেহ প্রকাশ করে বসল আমি আদৌ ভালো হবো কিনা ! তারমানে কি সাখাওয়াত চাইছে আমি মনুষ্যত্বে প্রত্যাবর্তন করি ! রাগে আমার গা জ্বলে গেল ।
আমি আমার সমস্ত অস্তিত্ব নিয়ে যখন প্রতিবাদ করব বলে তৈরি হচ্ছি, ঠিক তখনই মঞ্চে আবির্ভূত হল রসকষহীন বন্ধু জামিল । নিয়তির নির্মম পরিহাসের মতো জামিল আসদুজ জামানের শখের গোপন হাড়িটা একটা আছাড় মেরে হাটেই ভেঙে ফেলল । জানা গেল আসাদুজ জামান নাকি বহু আগে থেকেই ছাগল সম্প্রদায়ের সদস্য ! অত্যন্ত যোগ্য ছাগল হয়েও নাকি আসাদুজ জামান শুধুমাত্র ছোট কান থাকার কারণে রামছাগলে উন্নীত হতে পারে নি ! শুনে আমার একটু মন খারাপ হলেও সান্ত্বনা পেলাম এই ভেবে যে, আমার তো রামছাগল সনদ আছে । আর আসাদুজ জামান শুধুই একটা ছাগল ।
পরিশেষে বন্ধু জামিলকে জানাতে চাই, আমার পায়ের আকৃতি মোটেও গোলাকার নয় । প্রমাণ হিসেবে আমি পায়ের ছবি তুলে জামিলকে ইনবক্সে পাঠিয়েছি । আশা করছি জামিলের ভ্রান্তি দূর হয়েছে । এবং বন্ধু সাখাওয়াতকে আমাদের ছাগলের ভুবনে আমন্ত্রণ জানাতে চাই- আয় সাখাওয়াত, ছাগল হয়ে যা ।
অতি সম্প্রতি আমি সনদ পেয়েছি । একটি নয়, একাধিক । প্রথমটা পাওয়ার পর বিভ্রান্ত হয়েছিলাম ! বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না নিজের সৌভাগ্য ! আমার যারপরনাই আনন্দ দেখেই সনদদাতা সনদের পদন্নোতি ঘটিয়ে দিল । আমি আনন্দমাখা বিস্ময়ে হতবাক হলাম ।
একটু খুলে বলা যাক । আমার পরম এক আপনজন আমার বিশেষ এক অজ্ঞতায় সন্তুষ্ট হয়ে প্রথমে আমাকে 'ছাগল' উপাধি দিলেন । বোঝা গেল তিনি আমার অজ্ঞতা সম্পর্কে তখনও সচেতন নন । আমি গাইগুঁই করতে লাগলাম । আমাকেই খুশী করতেই যেন 'রামছাগল' উপাধিটা সনদসহ দিয়ে দিলেন । আমি বিভ্রান্ত হয়ে পড়লাম । ছাগলামি হয়ত করেছি, কিন্তু রামছাগলামি কি করেছি সেটা বুঝে উঠতে পারি নি । তবে কোন প্রশ্ন করলাম না, পাছে বন্ধু খোনকারের অমর বাণী অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্কর- এই কথাটা আবার সত্যি হয়ে ওঠে ।
আজকাল খবরের কাগজ,রেডিও টেলিভিশন বা এই জাতীয় সকল প্রকার সংবাদমাধ্যমের প্রয়োজন ফুরিয়েছে । সব সচিত্র খবর ফেসবুকেই পাওয়া যায় । তাই ' ছাগল ও রামছাগল'র ডেফিনিশন চেয়ে ফেসবুক দেয়ালে বিজ্ঞাপন দিলাম । আশাতীত সাড়া পাওয়া গেল ! আমি কৃতজ্ঞচিত্তে সেসব অধ্যয়ন করতে লাগলাম । উঁহু কোনটাই তেমন কাজের নয় । আমি আশাবাদী মানুষ । হতাশাকে কাছে ঘেঁষতে দিলাম না । আশায় বুকটা কষে বাঁধলাম । সে বাঁধন বৃথা গেল না ।
অবশেষে এলো সেই কাঙ্ক্ষিত ডেফিনিশন । প্রখ্যাত 'ছাগল ও রামছাগল বিশেষজ্ঞ' বন্ধু আসাদুজ জামান মুল্যবান মন্তব্যটিতে প্রমাণ করে দিল যে আমি আসলেই একটা 'রামছাগল ।' আনন্দের আতিশয্য আর কৃতজ্ঞতায় আমার চোখ ভিজে উঠে কয়েক ফোঁটা আনন্দাশ্রু গড়িয়ে পড়ল । কেবল অযুত মাইল দুরত্বের কারণে আসাদুজ জামানকে বুকে জড়িয়ে ধরতে পারলাম না । আফসোস ! তবে বেশ ঈর্ষাও হল । বন্ধু আসাদুজ জামান ঢালাও ভাবে ওখানে সকল মন্তব্যকারীকে ছাগল বলেছে ! এটা একটা কথা হল ! ওরা সবাই কি আর আসাদুজ জামানের মতো ! ঈর্ষা হবে না ?
মড়ার ওপর খাড়ার ঘায়ের মতো আচমকা বন্ধু সাখাওয়াত সন্দেহ প্রকাশ করে বসল আমি আদৌ ভালো হবো কিনা ! তারমানে কি সাখাওয়াত চাইছে আমি মনুষ্যত্বে প্রত্যাবর্তন করি ! রাগে আমার গা জ্বলে গেল ।
আমি আমার সমস্ত অস্তিত্ব নিয়ে যখন প্রতিবাদ করব বলে তৈরি হচ্ছি, ঠিক তখনই মঞ্চে আবির্ভূত হল রসকষহীন বন্ধু জামিল । নিয়তির নির্মম পরিহাসের মতো জামিল আসদুজ জামানের শখের গোপন হাড়িটা একটা আছাড় মেরে হাটেই ভেঙে ফেলল । জানা গেল আসাদুজ জামান নাকি বহু আগে থেকেই ছাগল সম্প্রদায়ের সদস্য ! অত্যন্ত যোগ্য ছাগল হয়েও নাকি আসাদুজ জামান শুধুমাত্র ছোট কান থাকার কারণে রামছাগলে উন্নীত হতে পারে নি ! শুনে আমার একটু মন খারাপ হলেও সান্ত্বনা পেলাম এই ভেবে যে, আমার তো রামছাগল সনদ আছে । আর আসাদুজ জামান শুধুই একটা ছাগল ।
পরিশেষে বন্ধু জামিলকে জানাতে চাই, আমার পায়ের আকৃতি মোটেও গোলাকার নয় । প্রমাণ হিসেবে আমি পায়ের ছবি তুলে জামিলকে ইনবক্সে পাঠিয়েছি । আশা করছি জামিলের ভ্রান্তি দূর হয়েছে । এবং বন্ধু সাখাওয়াতকে আমাদের ছাগলের ভুবনে আমন্ত্রণ জানাতে চাই- আয় সাখাওয়াত, ছাগল হয়ে যা ।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০১৫ বিকাল ৫:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



