somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

Ruby Sparks(2012)- কতটা রোমান্টিক আর কতটা ফ্যান্টাসি?

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



একজন লেখকের ক্ষমতা অসীম। কল্পনার রাজ্যে তার অবাধ বিচরণ। কলমের জোরে যেকোন অসম্ভবকে তিনি সম্ভব করতে পারেন। সৃষ্টি করতে পারেন যেকোন চরিত্র।এখন লেখকের সৃষ্ট কোন চরিত্র যদি তার বাস্তব জীবনে হানা দেয় তাহলে কেমন হবে একবার চিন্তা করুন তো...

কাহিনী সংক্ষেপ:

কেলভিন একজন উঠতি লেখক। অল্প বয়সেই প্রচুর জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে কেলভিন। তবে ব্যক্তিগত জীবনে কেলভিন ব্যাপক নি:সঙ্গ একজন মানুষ। ভাই হ্যারী আর কুকুর স্কটি ছাড়া তার আর কোন বন্ধু নেই। গার্লফ্রেন্ড ছিল,তবে সেও কেলভিনকে ছেড়ে চলে গেছে।

ব্যক্তিগত মনোচিকিৎসকের পরামর্শে কেলভিন একটি চরিত্র সৃষ্টি করে যে কি না তার কুকুর স্কটি কে পছন্দ করে। নাম দেয় রুবি। লিখতে লিখতে একসময় রুবি কে ভালবেসে ফেলে সে। রুবিকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে। একটা সময় রক্তমাংসের রুবি সত্যি সত্যি হাজির হয় কেলভিনের জীবনে। পুরোপুরি গল্পের রুবি,যে কি না কেলভিনকে ভালবাসে পাগলের মত।

চলতে থাকে কেলভিন-রুবির যুগল জীবন। আর দশটা জুটির মতই হাসি-কান্না,ব্যথা-বেদনা সঙ্গী হয় তাদের। তবে রুবির জীবনের নাটাই টা থাকে লেখকের হাতেই। টাইপরাইটারে বসে রুবিকে নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে কেলভিন। রুবির মন খারাপ হলে মন ভাল করে দেয়,রুবি কেলভিনের কাছ থেকে দুরে সরে যেতে থাকলে লেখার জোরেই আবার কাছে টেনে নিয়ে আসে তাকে। কিন্তু এভাবে আর কতদিন? একটা গল্প-উপন্যাসের চরিত্রের সাথে কি আর সারাটা জীবন কাটিয়ে দেয়া যায়?...

স্বীকার করতে বাধা নেই যে মুভিটিকে ফ্যান্টাসি বলাই যায়। তবে রুবির প্রতি কেলভিনের ভালবাসার তীব্রতার কারণেই রোমান্টিকতা হয়ত ফ্যান্টাসিজমকে ছাড়িয়ে গেছে।চরিত্রের প্রতি লেখকের ভালবাসার তীব্রতায় আপ্লুত হয়েই হয়ত স্রষ্টা চরিত্রটিকে রক্ত-মাংসের মানুষ করে লেখকের নিকট পাঠিয়েছিলেন। তাই আমার দৃষ্টিতে এটি যতটা না ফ্যান্টাসি মুভি,তারচেয়ে অনেক বেশি রোমান্টিক।


তাহলে রোমান্টিক মুভিপ্রেমীরা দেখে ফেলুন,আর দেরি কেন?

টরেন্ট লিংক
১৭টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যেখানে খোদা নেই; সেই ঠিকানার সন্ধানে( একটি দীর্ঘ সুফি দার্শনিক আত্মজিজ্ঞাসা)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা “শরাব পিনে দে”
হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।

সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

পুলিশ বদলাবেন, নাকি পুলিশ সংস্কার করবেন?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮

পুলিশ বদলাবেন, নাকি পুলিশ সংস্কার করবেন?

ফ্যাসিস্ট আমলে পুলিশকে দলীয় ক্যাডার বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছিল- এ অভিযোগ শুধু রাজনৈতিক নয়, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার অংশ।
জুলাইয়ের পর- সেই পুলিশ কি সত্যিই বদলেছে, নাকি শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৮ বছর পর ঋণের খোঁজে সন্তান বনাম হাজার কোটি টাকার খেলাপি: আমাদের ব্যাংকিং ও শেয়ারবাজারের ট্র্যাজেডি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৯

সংবাদের পাতার দুটি বিপরীতমুখী ছবি সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের চরম এক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈপরীত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।

একদিকে আমরা দেখি, ২৮ বছর আগে বাবার নেওয়া মাত্র ১০ হাজার টাকার দাদন... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই ধরণের মানুষগুলোই বি,এন,পি-কে আবারও ডোবাবে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০১



পড়ালেখার পিছনে টাকা খরচ করা 'টাকা পাচার'?
যারা বিদেশে পড়ালেখা করতে যান, তাঁরা কি দেশের টাকা লুট করে নিয়ে যান, নাকি নিজের বাপের টাকায় পড়ালেখা করেন?

পড়ালেখার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি আয়ের মাধ্যম কি?

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩০



প্রায় বিশ কোটি মানুষের এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটারের দেশ বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি আয়ের মাধ্যম মাত্র: - রেমিট্যান্স আর পণ্য রপ্তানি।

রেমিট্যান্স: সাধারণত কোনো ব্যক্তি যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×