ভারতীয় বিএসএফ আমাদের সীমানস্নবতর্ী এলাকার নিরীহ কৃষক, শ্রমিকদের হত্যা করে চলেছে একের পর এক। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো দেশের জন্য, দেশের মানুষদের জন্য সর্বদা নিবেদিত! তাদের প্রতি আমার প্রশম্ন, সীমানস্নবতর্ী এলাকার লোকজন কি দেশের নাগরিক নয়? যদি তাই হয় তাহলে এর বিরুদব্দে কোনো প্রতিকার নেই কেন? দেশের কোনো দুর্যোগ মুহহৃর্তে আমরা রাজনৈতিক দলগুলোকে এক হতে দেখি না। এই যে বিএসএফের পুশইন, নির্বিচারে বাঙালি হত্যাকা- চলছে তারপরও দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো পালন করে নীরব দর্শকের ভূমিকা। আমাদের সীমানস্নবতর্ী এলাকার মানুষদের জীবন আজ বিপল্পম্ন। যে কোনো মুহহৃর্তে ছুটে আসতে পারে বিএসএফের তপ্টস্ন বুলেট। এমনকি মৃতু্যর পরও নিহতের লাশ নিয়ে চলে বিএসএফ-বিডিআরের টানা-হেঁচড়া। এেেত্র আমি আমাদের সীমানস্নের অতন্দ্র প্রহরী বিডিআরের সাহসিকতার প্রশংসা না করে পারি না। তারা যে ত্যাগ-তিতিার মাধ্যমে নিভর্ীকভাবে দেশের সেবা করে যাচ্ছেন তা সত্যিই অতুলনীয়। আমরা সে দিনের প্রত্যাশায় আছি, যেদিন পত্রিকা খুললে আমরা আর দেখব না_ বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী নিহত।
প্রিন্স ফয়সাল আহমেদ, পুলিশ লাইন স্ট্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



