গণতান্পিক পরিবেশ বিঘি্নত হোক এটা কেউ কামনা করে না। এমন ভাষ্য শোনা যায় প্রায়ই। শুনি রাজনীতিকদেরই মুখ থেকে। তাদের কাছ থেকেই আবার মানবতাবাদের কথা শুনি। ভালইতো শুনতে। কিন্তু যখন তাদের কাছ থেকেই অগণতান্পিক আচরন আমরা পাই তখন আমাদের আফসোস করার জায়গা থাকে না। যেমন আফসোস করতে হচ্ছে সমঙ্্রতি ঢাকায় বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক কর্মসহৃচি চলাকালে হাসপাতাল থেকে ধরে নিয়ে আসা শানস্নাকে রাজপথে লাঠিপেটা করা হয়েছে। কী নির্মম ঘটনা। সেখান থেকেই 14 দলীয় নেতা হাসানুল হক ইনুকে আহত করেছে ওরা। হাসানুল হক ইনু একটি দলের প্রধান, বিরোধী দলীয় ঐক্যজোটের অন্যতম নেতা। এহেন কাজকেও মেনে নেওয়া যায় না। আবার শানস্না নিজেকে পেগনেন্ট বলেও পুলিশকে জানিয়েছে বলে জানা যায়। কিন্তু তারপরও তাকে কোন কারণে এভাবে পেটানো হলো তা বোধগম্য নয়। গণতান্পিক রীতি অনুযায়ী মিছিল সমাবেশে পুলিশ হামলা করতে পারে না। মানবাধিকারের সহৃত্র ধরে বলা যায়, কোনো নারী ও শিশুর গায়ে এভাবে হাত ওঠানোর কোনো অধিকার পুলিশের নেই। আর সে যদি হয় গর্ভবতী তাহলে তো প্রশম্নই আসে না। সেেেত্র পুলিশ অপরাধ করেছে বলে গণ্য হতে পারে। কিন্তু বাস্টস্নবতা হচ্ছে আমাদের এখানে তাই হয়েছে। এ ধরনের রাজনৈতিক কালচার কোনো মতেই চলতে দেওয়া যায় না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



