প্রবাসীদের কাছ থেকে সাহায্যের আবেদন ও অনলাইন ডোনেশন অপশন কেবলমাত্র আজকে আপলোড হওয়ার পরে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৩০০০ (প্লাস) বাংলাদেশী টাকা সংগৃহিত হয়েছে। তবে এটা এক্সপেক্টেড ভ্যালুর চাইতে অনেক কম। এখনো সব জায়গায় টোকা দেওয়া হয়নি। মেইল করা বাকি রয়েছে কয়েকটা জায়গায়। আশা করছি কালকে আরো ফান্ড কালেকশন হবে।
কালেকশনের পরে টাকাটা বাংলাদেশে কাদের মাধ্যমে ডিস্ট্রিবিউট করলে বেশি এফিসিয়েন্ট হবে সে বিষয়ে মতামত / পরামর্শ প্রয়োজন।
এ্যাকশন এইড, সেইভ দি চিলড্রেন, রেড ক্রিসেন্ট - তাদের ব্যাপারে জানতে চাইছিলাম যে চট্রগ্রামের ল্যান্ডস্লাইডে ক্ষতিগ্রস্থদের ভিতরে সাহায্য বিতরন করতে তাদের কাজের পদ্ধতিটা কি ধরনের। কাদের ভিতরে এবং কোন ক্যাপাসিটিতে তাদের সহায়তা কাজ চলছে।
সামহোয়্যারের ইনের কতৃপক্ষের মাধ্যমে, নাকি এরকম বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ অর্থ বিতরন করা ভালো হবে - সে সম্পর্কে পরামর্শ থাকলে জানাতে পারেন।
হয়তো প্রথম দফায় সাহায্য হয়ে যাওয়ার পরে ফলোআপ হিসেবে প্রবাসী অর্থ ব্যবহৃত হতে পারে। কারন হইচই, লাইম লাইট, সাংবাদিকের ক্যামেরার ফ্ল্যাশ ফুরালে খুব দ্রুতই এই অসহায় মানুষদের কথা সবাই ভুলে যায়। কিন্তু তারা সমানভাবেই সম্বলহীন রয়ে যায়। সেই সময়টাই সেকেন্ড রাউন্ডে একটা হেল্প করা যেতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



