somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

কিউপিড রিটার্নস
হেথায় বলিও না সত্য,
উন্মোচনে রহস্য, করিও গোপন,
যা আছে মম অভ্যন্তরে,
যাপিত জীবন, কঠিন ভীষণ,
পদে পদে তাহার শত আঘাত,
ক্রন্দনে খুঁজিয়া নিও প্রান,
তাহার দিব্য চোখে, সব যে
দুঃখ মহাসাগর সমান......।।

থাকুক না কিছু কথা গোপন

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ২:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রণক সপ্তাহে তিনদিন এই ছেলেটাকে পড়াতে আসে, সরকারী মেডিকেলের স্টুডেন্ট হয়েও মাত্র পাঁচ হাজার টাকার এই টিউশনিটা করে, এমন না যে টাকার জন্যে রণক এই টিউশনিটা করে, এই সময়ে অন্য টিউশনি করালে রণক চাইলেই আট হাজার টাকা দাবি করতে পারে, কিন্তু রণক শুধু এই জন্যে টিউশনিটা করে যেন এক দিন পরপর হলেও অর্ষাকে দেখতে পারে, অর্ষা স্টুডেন্টের বড় বোন, এবার ঢাকা ভার্সিটিতে ভর্তি হল মাত্র, মেয়েটাকে তার ভালো লাগে, আর এভাবে যে কখন রণক অর্ষাকে মনের গভীরে আপন করে নিয়েছে রণক নিজেও জানেনা, অর্ষাও বুঝতে পারে, তার ভাইয়ের টিউটর তাকে পছন্দ করে, এক এলাকায় বড় হলেও রণক কখন বলতে পারেনি এই ভালোবাসার কথা, অর্ষাও কখন সেভাবে কিছু বুঝাতে চায়নি, রণককে ওর ও ভালো লাগে, প্রায়্‌ই অর্ষা ড্রয়িং-এ গুন-গুন করে গান গায়, রণক প্রতিদিন এই গুন-গুন খেয়াল করার চেষ্টা করে, কখনো মনে করতে পারেনা গানটা কী, রণক শুধু অর্ষাকে দেখার জন্যেই পড়াতে যায়, কিন্তু ইদানীং দেখাও যায়না,শুধু ঐ গুন-গুন ছাড়া।

কিন্তু কিন্তু করে অনেকদিন পার হয়, সামনে ছেলেটা ইন্টার পরীক্ষা দিবে, এরপর আর পড়বে কিনা ছেলেটা রণক জানেনা, প্রায় জিজ্ঞাসা করে, ছেলেটা বলে, ভাইয়া আগে গোল্ডেন পাই, রণক আর কিছু বলতে পারেনা, অর্ষাকে কী আর দেখা হবেনা, জানেনা রণক কিছু জানতেও চায়না, সেদিন হটাত করেই ছেলেটা মা মিষ্টি এনে দিয়ে বলে, বাবা আজকে অর্ষাকে দেখতে এসেছিলো, এঙ্গেজমেন্ট করিয়ে গেল ঐ ছেলেটা অর বাবার কলিগের ছেলে, নর্থ-সাউথ থেকে বি,বি,এ করে এখন অস্ট্রেলিয়ায় জব করে, ছুটিতে এসেছিলো সামনের মাসেই চলে যাবে, এই কম সময়ে আবার বিয়ের আয়োজন.......................

রণক আর শুনতে পারেনা, তার কান ঝা-ঝা করতে থাকে, এ কী হল??

যাবার সময় শুধু ডাইনিং এ দাঁড়িয়ে ছেলেটাকে বলে যায়, এক্সামের খুব চাপ চলছে, আর পড়াতে আসবো কিনা জানিনা..... ভালো থেকো আর আপুকে কনগ্রাটস জানিয়ো!

রণক কখনো সিগারেট খায়না, বন্ধু বান্ধব কম জোর করেনি, কিন্তু তার ভালো লাগেনা, সিগারেটের তিতা স্বাদ, সেদিন হটাত করেই সিগারেটের তৃষ্ণা যেনো, কিসে যেনো হাহাকার। কী যেনো থেকেও নেই, আজ আর সিগারেট তিতা লাগেনা, আজ সিগারেটের গরল যেনো অমৃতসম হয়ে ওঠে।
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:১৮


বাংলাদেশের সমাজে একটি নীরব বিপ্লব ঘটে গিয়েছে। দুই বছর আগে ব্লগে অ্যাকাউন্ট খোলার পর থেকে এই পরিবর্তন নিয়ে কম করে হলেও বিশটির বেশি পোস্ট লিখেছি। এই বিপ্লবের সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৫৬

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত



সময় চলেছে তার আপন খেয়ালে,
নদীর স্রোতেরা হারায় কালের বুকে;
আমি শুধু এক অনন্তকাল ধরে,
ডুবে আছি প্রিয়, তোমার চাওয়া পাওয়ার ওই সুখে।

বাহিরের সব নিয়ম চলুক তার মতো,
মহাবিশ্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ের অবস্থা নিয়ে আলাদা গুরুত্ব দেয়া দরকার

লিখেছেন অপলক , ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫



পাহাড়ীদের হাতে এখন প্রচুর টাকা। সে টাকার যোগান প্রত্যাক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে আমরা সমতলের জনগন দিয়েছি। পাহাড়ীরা এখন জাতীয় অর্থনীতিতে বিশাল ভূমিকা রাখছে। তাদের মাঝে প্রচুর উচ্চ শিক্ষিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলার পথে ক্ষণিক দেখা – (১১)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০২

পূর্বের পোস্টঃ ক্ষণিকের দেখা, মায়াময় এ ভুবনে -১০


অবশেষে আমার কিছু কথা শুনে ওরা হাসিতে ফেটে পড়লো। সবার মুখে ছিল উজ্জ্বল হাসি।

আজ দুপুরে একটি এলাকার মাসজিদ সংলগ্ন পুকুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০২

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০২



আমাদের চারপাশে অনেক কিছু আছে।
যা আমরা দেখতে পাই না। ব্যাকটেরিযয়া, ভাইরাস, ডার্ক ম্যাটার, অণু ও পরমাণুর কথা বলছি না। আমি বলছি, মৃত মানুষের কথা। প্রতিদিন বিশ্বে গড়ে দেড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×