বঙ্গদেশে সব কিছুতে রঙ্গ লাগে। আজব একটা ব্যাপার। কিছু যখন কেউ জায়েজ করবার চায়, তখনই একটা মাইয়া মানুষ লইয়া হাজির। মনে লয়; মানুষকে ঘায়েল করবার এক মাত্র অস্ত্র। এ রকম অস্ত্রকে পাত্তা দিলে চলবে না।
শিক্ষক কেনো, কোনো খুনই সমর্থন করতে পারি না। কোনো যুক্তিতেই না। কোনো নারী; নারী সঙ্গ উপভোগ-বৈধ কিম্বা অবৈধ তার দায়িত্ব বা বিচারের ভার নিশ্চয় সন্ত্রাসী-সঙ্গ-সন্ত্রাসীদের নয়। এ রকম অভিযোগের ধোঁয়া তুলে হত্যাকাণ্ডকে সহজ করে ফেলার চেষ্টাকারীদের প্রতি কেবল ঘৃণা নয়; প্রতিরোধও গড়ে তুলতে হবে।
যারা কাম-ক্ষুধা-তৃষ্ণা-বন্দীর গপ্পো বানিয়ে হত্যাকে জায়েজ করতে চায়, তাদের সাথে আমরা নেই; নৈতিকভাবেই থাকতে পারি না। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক শফিউল হত্যার বিচার দেখতে চাই; সেটি অতি দ্রুত।
আরো যে সব শিক্ষক হত্যার বিচার আটকে আছে সেগুলোও। তার মধ্যে আফতাব আহমদ একজন; যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকায় নিজের বসতের জন্য বরাদ্দ করা ঘরে খুন হয়েছেন।
শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমজনতারও।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



