কিছু মানুষের পোষ্ট দেখে মনে হয় কাস্টমাররা ইভ্যালি থেকে ফ্রিতে প্রডাক্ট নিচ্ছে! ইভ্যালির অনিয়ম গুলো নিয়ে লিখলে নাকি কাস্টমারদেরই ক্ষতি!
ঐসব দালালদের কাছে প্রশ্ন,
যে প্রডাক্ট কিনেছে সে কি টাকা দেয়নি? ইভ্যালি কি তার কাছ থেকে প্রফিট করেনি? ইভ্যালির মালিকরা কি তাদের ব্যাক্তিগত সম্পদ বিক্রি করে জনগনকে লোকসানে প্রডাক্ট দিচ্ছে?
যদি ৪৫ দিনে ডেলিভারি করতে না পারে তাহলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে কেনো? এটা ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন নয় কি?
আর দালালরা আয়ের ফাক ফোকরে ইভ্যালিকে সুযোগ করে দিচ্ছে। কারণ নির্দিষ্ট সময়ের ১ মাস পার হয়ে গেলে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর অভিযোগ নেবে না।
মানুষ প্রয়োজনে কেনাকাটা করে, আমার প্রয়োজনে ফোনের অর্ডার করলাম, সময় মতো না পাওয়ায় দোকান থেকে আরেকটা ফোন কিনলাম। ৬ মাস পরে ইভ্যালির ফোন পেলাম। তাহলে আমার লাভ হলো কোথায়? আমার আরো অপচয় হলো! গরমে ফ্যানের অর্ডার করলাম, প্রডাক্ট না পেলে কি ফ্যান ছাড়াই থাকবো? বাজার থেকে আবার ফ্যান কিনলাম, কয়েক মাস পরে ইভ্যালির ফ্যান পেয়ে কোন কাজে আসলো না!
লোভনীয় ক্যাশব্যাক অফার দেখে বেশি দামে অর্ডার করলাম, এরপরে ক্যাশব্যাক ব্যালেন্সে দিয়ে রেগুলার সপে কেনাকাটা করতে গিয়ে দেখি ডাবল ডাবল দাম! তাহলে ক্যাশব্যাক দিয়ে আমার লাভ কি?
ডেসটিনি, ইউনিপে, যুবক, সেবকের মতো প্রতারকরা হাজার হাজার কোটি টাকা লুটে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে ইভ্যালির দালালি করা অতি লোভি কিছু মানুষের জন্য।
দালালি না করে ইভ্যালিকে টিকিয়ে রাখার জন্যই তাদের সিস্টেম ঠিক করতে পরামর্শ দিন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

