আমরা কথা বলব আমাদের মাতৃভাষায় –এতে আপত্তি ছিল ওদের। ওরা বলেছিল, উর্দুই নাকি হবে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা । আমরা প্রতিবাদ করেছি, মিছিল করেছি, ভাষার মর্যাদা রক্ষায় শ্লোগান দিয়েছি। ওরা কাপুরুষের মতো সেই মিছিলে গুলি করেছে, রক্তের বন্যা বয়ে গেছে রাস্তায়। এরপর, ওরা আমাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করেছে বছরের পর বছর। ভোটের গনতন্ত্রে ওদের ক্ষমতা, ওদের সব, তবু নিরংকুশ জয় পেলাম আমরা। ওরা মেনে নিল না। আমাদের হাতে ক্ষমতা দিতে কিসের এত ভয় ছিল ওদের? দেয়ালে পিঠ থেকে গেলো আমাদের। সম্মোহনী শক্তি সম্পন্ন এক নেতার ডাকে সাড়া দিয়ে, যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে ওদের ওপর ঝাপিয়ে পরলাম আমরা। ওরা আমাদেরকে গুলি করে মারলো আবার, ধর্ষণ করলো আমাদের মা-বোনেদের। ওদের সাথে যোগ দিল কিছু নিমকহারামের দল, কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হলো না। এক সাগর রক্তের বিনময়ে আমরা স্বাধীন হলাম। এবং, শেষে আমরাই জিতলাম।
আজ স্বাধীনতার এত বছর পর, ওদের দিকে তাকিয়ে দেখি, সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে আমরা। ওরা নিজেরাই নিজেদেরকে শেষ করতে ব্যস্ত। আর আমরা? ধীরপায়ে এগিয়ে যাচ্ছি ওদেরকে ছাড়িয়ে। এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দুটি ম্যাচ শেষে আমাদের পয়েন্ট ৩, আর ওদের ০ । গাজা খেয়ে রাজা সাহেব হয়তো আজ ২১ ফেব্রুয়ারির দিনে উর্দুতে কিছু বলতে চেয়েছিলেন, সেই সুযোগ পেলেন না তিনি। গোহারা হেরে মুখ লুকাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি, সম্ভবত। আর এদিকে, দুই বাংলা এক হয়ে জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের চরণে পুষ্পার্ঘ নিবেদন করলো। বাংলা এগিয়ে যাবেই; হ্যাঁ, এভাবেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। কেউ কোনদিন আমাদের এই পথচলাকে রুখে দিতে পারবে না। জয় বাংলা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



