এই লেখার আগের পর্বগুলো
পর্ব - ০১ এইখানে Click This Link
পর্ব - ০২ এইখানে Click This Link
দূতাবাস জানাচ্ছে, গ্রামীণ ব্যাংক থেকে গ্রামীণ কল্যাণে তহবিল স্থানান্তরের বিস্তারিত হিসাব বাংলাদেশি মুদ্রায় উল্লেখ করা হয়। গ্রামীণ ব্যাংক কেন গ্রামীণ কল্যাণে ওই সহায়তা তহবিল স্থানান্তর করেছে, তার কয়েকটি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে।
দূতাবাসের ১৯৯৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারির স্মারক থেকে জানা গেছে, ১৯৯৭ সালের ৩ ডিসেম্বরের একটি বৈঠকে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘তহবিল স্থানান্তরের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল করের দায় কমানো এবং গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যদের জন্য তহবিলটি নিশ্চিত করা।’ লক্ষ্য করুন, ওই সময় গ্রামীণ ব্যাংকের আর্থিক কার্যক্রম করের আওতামুক্ত ছিল।
এরপরে নরঅয়ের দূতাবাস এই উপসংহারে পৌঁছায় যে, গ্রামীন ব্যাংকের ওই ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয় এবং তারা বিষয়টি পরিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে। ১৯৯৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারির স্মারকে দূতাবাস আবারও মন্তব্য করে, গ্রামীণ কল্যাণের সঙ্গে চুক্তি প্রসঙ্গে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, তাতে যেমন অস্পষ্টতা আছে, তেমনি এটি সন্তোষজনক নয়।
এর পরে বিষয়টি নোরাডের কাছে উপস্থাপন করা হয়। নোরাডের আইন শাখা এ ব্যাপারে তাদের মতামতে বলে যে, গ্রামীণ ব্যাংক থেকে গ্রামীণ কল্যাণে যে তহবিল স্থানান্তর করা হয়েছে, সে বিষয়ে দূতাবাসকে নরওয়ের উন্নয়ন-সহায়তা তহবিলের মালিকানা দাবি করতে হবে। এরপর যে তহবিল গ্রামীণ কল্যাণ থেকে গ্রামীণ ব্যাংককে ঋণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে, তা গ্রামীণ ব্যাংককে ফিরিয়ে দিতে হবে। যদি সৎ উদ্দেশেই তহবিল স্থানান্তর হয়ে থাকে, তা হলে কেন নোরাড – যারা গ্রামীন ব্যাংকের এতো বড় পৃষ্ঠপোষক, তারা এমন করে ঘাড়ে চেপে বসলো?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

