somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রেম নিবেদনের সহজ উপায় (সফলতা নিশ্চিত) !

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তুমিই আমার প্রথম দেখা সবচেয়ে রূপবতী মেয়ে- এ কথাটা আমি আমার বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবো না, কখনোই না। তবে তুমি সুন্দর, তুমি রূপবতী একজন মেয়ে। তোমাকে দেখলেই যেকোনো ছেলের বুকের ভেতরটাতে অš-ত একবার হলেও মোচর দিয়ে উঠবে! মিস হয়ে যাবে দুটো কিংবা তারও বেশী হার্টবিট, বা যেটাকে আমরা শুদ্ধ বাংলায় হৃদস্পন্দন বলি! শুধু তোমার চোখের দিকে তাকিয়েই একটি ছেলে হারিয়ে ফেলতে পারে তার সব কিছু জ্ঞান। একটি ছেলের যা কিছু জ্ঞান আছে, তার সবটুকুই বের করে দিয়ে তাকে তুমি অজ্ঞান করে দিতে পারো শুধু তোমার ঐ অপূর্ব চোখ দুখানা দেখিয়েই! তোমার হাতের সরু আঙুলগুলোর দিকে তাকিয়ে কোনো ছেলে ভেবে নিতেই পারে- সে দেখছে অপূর্ব কিছু শিল্পকর্ম, যা কোনো এক পারদর্শী শীল্পির পরম মমতা নিয়ে গড়া হয়েছে। তোমার গভীর কালো ভ্র“ দুটো দেখে যে কেউ চমকে যেতে পারে, আর সেই চমকানো অবস্থাতেই কেটে যেতে পারে তার অনš-কাল। সে হারিয়ে ফেলতে পারে তার জীবনের মহামূল্যবান সময়গুলো। তোমার সুন্দর ঐ নাকটা, যেটা দিয়ে প্রতিদিন নিঃশ্বাস নাও তুমি, সর্দি লাগলেই যে নাকটা দিয়ে তুমি সুমধুর সুর তোলো এবং সময় পেলেই যেটা দিয়ে তুমি অনাহূত ময়লা এক নিমিষেই ঝেড়ে ফেলে দাও, সেই নাকটার দিকে তাকিয়েই যেকোনো ছেলে অবাক বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যেতে পারে। আর একবার হতবাক হলেই তো কাজ সাড়া! সে আর কোনোদিন তোমাকে তার কন্ঠ দিয়ে কোনো গান বা কবিতা শোনাতে চাইলেও শোনাতে পারবে না। এমন কি মুখ ফুটে বলতেও পারবে না- “ভালোবাসি তোমাকে!”। ওয়াও, কী সিরিয়াস ব্যাপাররে বাবা! তবে তোমার কান দুটোর কোনো তুলনা হয় না। তারপরও তুলনা করছি, যদিও তোমার কান দুটোর পরিমাপের সাথে সে জিনিসটার মিল কখনোই হবে না। তোমার কান দুটোকে দেখে আমার মনে হয়েছে সেগুলো যেন স্বর্গের কোনো অপ্সরীর হাতে ধরা অভাবনীয় কোমল পালকে গড়া দুটি পাখা। যে পাখা দিয়ে বাতাস খাওয়ার জন্য আমরা প্রত্যেকে অপেক্ষা করি প্রতিটি মুহূর্ত, করছি এখনো। আমাকে প্রচন্ড গরম লাগলেই তাই প্রথমেই মনে হয় তোমার কান দুটো কথা, তারপর তোমার কথা ( বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ গরম না লাগলে বাতাস খাওয়ার কোনো মানেই হয় না, যেমন, শীতকাল )!
আর তোমার চুলগুলোকে দেখলে তো নিজেকে আর কন্ট্রোল (নিয়ন্ত্রণ) করতে পারি না। যখন বাতাসে তোমার চুলগুলো উড়-উড়- করে, তখন নিজেকে কেন যেন সুপার ম্যান মনে হয় আমার। তোমার চুলগুলোর মতো করে নিজেকে বাতাসে উড়াতে গিয়ে কতোবার যে আছাড় খেয়েছি তার ইয়ত্তা নেই! আর .... .... .... .... ....!!!!

থাক, তোমার গুণোগান গাওয়া অনেক হলো, আর না। শব্দগুলোকে আর সুশৃঙ্খল ভাবে সাজাতে পারছি না । আমি যতোই সেগুলোকে সুশৃঙ্খল ভাবে সাজাতে চাইছি সেগুলো ঠিক ততোবারই বিশৃঙ্খল বা এলামেলো হয়ে যাচ্ছে! তাই নিজেই অফ মেরে গেলাম এবারের মতো।


একটু মজা করলাম তোমার সাথে। কিছু মনে কোরো না তুমি, এবং সেটা কখনোই না। তুমি কী ভাবছো এটা জানি আমি। ভাবছো- কী ডেঞ্জারাস বেয়াদব ছেলেরে বাবা! কী সাংঘাতিক! অথবা ভাবতে পারো এটাও- আমি আর কিছু না হোক তোমাকে প্রেম নিবেদন করছি আর কি! অন্যান্য ছেলেরা যেমন করে ঠিক তেমনি, রাবিশ!
না, ধারনাটা ভুল তোমার, আমি তোমাকে প্রেম-ট্রেম নিবেদন করছি না ( ট্রেম শব্দের আভিধানিক অর্থটা আমার জানা নেই, তোমার জানা থাকলে একটু জানিয়ে দিও আমাকে)। মানুষের খুব কাছাকাছি বা খুব ঘনিষ্ঠ হতে হলে ঠিক কী করতে হয় সেটা আমি আদৌ জানি না, বা জানা হয়ে ওঠেনি এখনো। সবচেয়ে বড় কথা বন্ধুত্ব, যেটা শুধু ছেলে বা মেয়ে হিসেবে প্রতিটি মানুষ চায়। তাই চাই আমিও। আমরা ভালো কথা বলি অনেকেই, কিন্তু মনের ভিতরের কথাটা জানা হয়ে ওঠে না কখনো কখনো। বা জানলেও সেটা হয়ে যেতে পারে খুব দুঃখজনক কোনো ঘটনা। তাই মানুষ হিসেবে তুমি যেমন আমার কাছে খারাপ কিছু আশা করো না, ঠিক তেমনি তোমার বেলাতেও ঐ একই কথা প্রযোজ্য।
একজন অপরিচিত হিেিসবে বোধয় একটু বেশীই অনধিকার চর্চা করে ফেললাম আমি। যা হোক, সেটা তুমি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবে বা বিচার করবে এটাই আমি আশা করি, অথবা বলতে পারো প্রার্থনা করি।
ভালো থেকো তুমি, ভালো থেকো প্রতিদিন, প্রতিটি মুহূর্ত। প্রতিদিনের সুখগুলো যেন ছুঁয়ে যায় তোমায় প্রতিটি মুহূর্তে।

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×