এক সপ্তাহের ছুটি তাই কিভাবে সময়টা কাজে লাগানো যায় সেই চিন্তা। আল্লাহ তা’য়ালা মানুষকে এমন এক শক্তি দান করেছেন যে সে চিন্তা করে যে কোন সম্ভাব্য জঠিল সমস্যার সমাদান বের করতে পারে। আমাদেরও ছুটি কাজে লাগানোর চেষ্টা ব্যর্থ হলো না। সিদ্ধান্ত হলো সমুদ্র সৈকতে যাওয়ার। কথা অনুসারে কাজ যাকে বলে, জুমাবার জুমার নামায আদায়ের পর খাওদা-দাওয়া সেরে শুরু হয়ে গেল ভ্রমণ প্রস্তুতি। তবে আ্জকে লিখব ভ্রমণের প্রসঙ্গিক একটা বিষয়ে। ফেরার পথে আমাদের ইহসান ভাইয়া তার এক বন্ধু ‘মাহবুব ভাই’কে ফোন দিয়ে জানালেন আমরা ‘দুখান’ থেকে ‘দোহা’র পথে। মাহবুব ভাই এবার আমাদের ছাড়তে রাজি নন। তিনি বারবার জোর করতে লাগলেন তার বাসায় জেতে। শেষ পযন্ত সিদ্ধান্ত হলো। মাহবুব ভাইয়ের বাসায় যাওয়ার। মাগরিবের নামাজের কিছুক্ষণ পূর্বে আমরা পৌঁছলাম তার বাসায়। ওমা! একি! এ লোক তো তার বাসার আশেপাশে বাংলাদেশ বানিয়ে ফেলেছে! চারিপাশে সাজানো বিভিন দেশীয় ক্ষেত। একদিকে ঘেরাও দিয়ে মুরগি পালার ব্যবস্থা! দেশ থেকে আসেছি প্রায় ছয় মাস হয়ে গেল। হঠাৎ এ দৃশ্য দেখে মনটা ভরে গেল! নিজের অজান্তে চলে গেলাম, হাজারো মাইল দূরের সেই সুজলা-সুফলা দেশে... আর বললাম- হে বাংলাদেশী ভাই তোমার প্রতি ভালবাসা!
ভাইয়ের কুমড়া বাগান
মুরগির খামার, ছবিটা স্পষ্ট না বলে মুরগিগুলো দেখা যাচ্ছে না।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ২:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




