২১ জানুয়ারি (রেডিও তেহরান) : যশোরের ধান্যখোলা সীমান্তে আরেক বাংলাদেশীকে গুলি করে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এ ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছে। সম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক যুবকের ওপর বিএসএফের নির্মম নির্যাতনের ভিডিও প্রকাশ এবং কুমিল্লা সীমান্ত থেকে এক বিজিবি সদস্যকে ধরে নিয়ে যাওয়া নিয়ে যখন সমালোচনার ঝড় বইছে তখন এই ঘটনা ঘটল।
বিজিবি ২২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের ধান্যখোলা ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার আতিয়ার রহমান জানান, ‘আজ (শনিবার) ভোরের দিকে রাশেদুজ্জামানসহ একদল বাংলাদেশী গরু ব্যবসায়ী ভারত থেকে গরু নিয়ে সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে আসছিল। এ সময় বেনাপোলের ধান্যখোলা সীমান্তের বিপরীতে ভারতের সুটিয়া সীমান্তে টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের তাড়া করে। বিএসএফের তাড়া খেয়ে গরু ব্যবসায়ীরা দৌড়ে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ফিরে আসে। এ সময় বিএসএফ ৩ রাউন্ড গুলি চালালে রাশেদুজ্জামান ঘটনাস্থলেই নিহত হন।' তিনি জানান, এ ঘটনায় বিজিবি'র পক্ষ থেকে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তবে বিএসএফ কোনো বাংলাদেশীকে হত্যার কথা অস্বীকার করেছে।
এদিকে, কুমিল্লায় ভারতীয় সীমান্তবর্তী দলকুঁইয়া গ্রাম থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য হাবিলদার লুৎফর রহমানকে ফেরত দেয়া হয়েছে। বিএসএফ গতকাল (শুক্রবার) রাত তিনটার দিকে বাংলাদেশের আখাউড়া সীমান্ত পোস্ট দিয়ে লুৎফর রহমানকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে বলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজিবি-১২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাব অনুযায়ী, গত এক দশকে প্রায় এক হাজার বাংলাদেশি বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ২০১০ সালের ডিসেম্বরে এক প্রতিবেদনে বলেছে, হত্যা এবং অন্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে বিএসএফের বিচার হওয়া উচিত।
লিংক
আর তো সহ্য হয় না।এই ভাবে কি আমাদের মারতেই থকবে???
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


