somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাইরের ওপর ঔষধ নাই...!

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১১:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আফসানার কথা মনে আছে? মিরপুরের সাইক ইন্সিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড টেকনোলজির স্থাপত্য বিভাগের ছাত্রী। যাকে গত ১৩ আগস্ট তেজগাঁও কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান রবিন হত্যা করে দলীয় সাঙ্গ পাঙ্গ সাথে নিয়ে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করে রেখে পালিয়ে যায়। পরে অবশ্য বিশেষ মহলের বিশেষ ইশারায় চিকিৎসক জানিয়েছেন, আফসানার মৃত্যু হত্যা নয়, এটি আত্মহত্যা।


প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে সারাদেশ। বিচারের দাবীতে আওয়াজ ওঠে সবার কন্ঠে। খুনীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ওঠে সর্বমহলে।



কিন্তু খুনী ছাত্রলীগ নেতা রবিন ও তার সাঙ্গ পাঙ্গরা বহাল তবিয়তে ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়। জনগণের রাজপথের প্রতিক্রিয়া রাজপথেই আছড়ে পড়ে। ছাত্রলীগ নেতা হলে যেন সাতখুন না শতখুন মাফ!


গতকাল সোমবার সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিস পরীক্ষার হল থেকে বের হওয়ার সময় তাঁর ওপর চাপাতি নিয়ে হামলা চালায় শাবিপ্রবির ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম। দিনে দুপুরে জনসম্মুখে নির্দয়ভাবে কুপিয়ে আহত করে খাদিজাকে। খাদিজা এখন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। আহত খাদিজার অপরাধ সে ছাত্রলীগ নেতা বদরুলের প্রেমের আহ্বানে সাড়া দেয়নি। আর ছাত্রলীগ নেতার সাথে এ দুঃসাহস দেখানোর খেসারত দিতে হল তাকে।


আশার ব্যাপার হলো দেশের মানুষ ধাক্কা খেয়ে খেয়ে বেশ সচেতন হয়ে উঠছে। বিচারহীনতা নীরবে সহ্য না করে বিচারের দায়িত্ব তারাই গ্রহণ করেছে। আর তাই খাদিজাকে কুপিয়ে বদরুল পালিয়ে যেতে পারেনি। জনগণ উত্তম মাধ্যম দিয়ে অবশেষে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।



বিচারহীনতা যখন সমাজকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলে তখন জনগণের এ পথে হাঁটার বিকল্প থাকে না। খাদিজা বাঁচুক অথবা মরুক গতানুগতিকভাবেই দেশের পুলিশ প্রশাসন বাঁচিয়ে নেবে বদরুল আলমকে। কিন্তু জনগণ সচেতন হলে তাৎক্ষনিক অন্যায়ের প্রতিরোধ করা সহজ হবে। সোনার ছেলেদের ভয়ে আতঙ্কিত নারীরা সাহস পাবে নির্ভয়ে পথচলার। কারণ, মাইরের উপর ঔষধ নাই...
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১২:০৮
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×