হয়তো তোমায় দিতে পারিনি –
বর্ণহীন একটি মৃত গোলাপ, একটুকরো
কাঁচের ভাঙ্গা কাঁকন, আঠাহীন পুরনো
একটি টিপ, রংখসা একটি পুরনো শাড়ি।
তবুও ভালবেসেছিলে, রক্তের নহরে যে
কাঁটা ভরা পথের শুরু করছিলে, সে রক্ত
গঙ্গা আজো আমার প্রতিটি শিরা-উপশিরায়
প্রবাহমান।
কোথায় পাবো তোমার মত?
কোথায় ভালোবাসা?
কোথায় সুখ এইজগতে?
আমিতো আমাকে জানিনা, না চিনতে শিখেছি,
আমি বুঝিনি, বুঝতে শিখিনি, তোমাকে বুঝি;
তোমাতে সুখ, তোমাতে দু;খ তোমাতে
আমি, তোমাতেই আমার সব।
পরিবার, সমাজ, বন্ধু, স্বজন কিছুই দেখিনি
সব পরতে তুমি, তুমি ছাড়া সব ধোঁয়াশা।
তোমার তো সবই আছে, আমার শুধু তুমি।
আমি অনেক স্বার্থপর, তুমি যে শুধু আমার।
তুমি কি জানো? তুমি কি বুঝ?
তবে জেনে নাও, তবে বুঝে নাও
তুমিহীনা আমার আমিঃ
“সেই চেনা পথ, যে পথে তুমি নেই আমি
বড় ভীতসন্ত্রস্ত, লাগছে প্রতি কদমে ভয়,
আবার যদি দেখা না মিলে তোমার, আবার
যদি তোমার কাছে ফিরে যেতে না পারি?”
আর যদি বুঝতে পারো তবে আমায় আর
যেতে দিওনা, আমায় রেখো বন্দী করে,
তোমার হিয়ার চার দেয়ালে। আমি রইবো
তোমার-আমার কথার মিছিলে, শুনতে চাই
তোমার সেই অট্ট হাসির সুর পুরোনো সোডিয়াম
বাতির আলোতে, খুব মন দিয়ে শুনবো তোমার
বাকবিতণ্ডার বেসুরো সুর। আর যেতে দিওনা
আমায়, কে জানে কপালের খেল, মনে জাগে
সংশয়, এই মায়ার পৃথিবী চলে বিষাক্ত চিন্তার সমীকরণে।
বি.দ্র. এই কবিতাটি আমার আগের কিছু কবিতা নিয়ে পুনরায় লিখা। আমার এক বন্ধু্র অনুরোধে এমন করে লিখার পর আমার নিজের কাছে ভালো লাগলো তাই কিছু নতুন বাক্যের সংযোজন করে এই মিশ্রণ ব্লগে তুলে ধরলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

