somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দেশ দিয়ে যাওয়া একজন মুক্তিযোদ্ধা এই দেশের বুকেই বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন, ধন্যবাদ বাংলাদেশ।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করলেও এখন জীবন যুদ্ধে অর্থের অভাবে হেরেই যাচ্ছেন অসহায়-দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধা আলী আকবর। বি.বাড়িয়া সদর হাসপাতালের চারতলার একটি কক্ষে তার হচ্ছে নাম মাত্র চিকিৎসা। তিনি বিপত্নীক এবং আপন বলতে তেমন কেউই নেই, স্ত্রী আর একমাত্র মেয়েও মারা গেছেন।। ফলাফলে চিকিৎসা বা যত্ন তার জন্য অতিকল্পনা।

এমনই অসহায় অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন সত্তরোর্ধ হতদরিদ্র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আকবর। প্রতিবেশির সহায়তায় হাসপাতালে ভর্তি হলেও অর্থাভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না। হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসকরা বিভিন্ন পরীক্ষা দিলেও অর্থাভাবে তা করতে পারছেন না।

গত সোমবার অজ্ঞান অবস্থায় প্রতিবেশি মহব্বত আলী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আকবরকে। চিকিৎসকরা ঢাকায় পাঠাতে বললেও অর্থাভাবে তা সম্ভব হয়নি। সদর হাসপাতালের চিকিৎসক শ্যামলচন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি তিনি ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। তাকে ঢাকা নিয়ে যাওয়া দরকার।’

এদিকে, এখন পর্যন্ত জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের কর্মকর্তাদের কেউ খোঁজ নেয়নি তার। আলী আকবরের বাড়ি সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের তেলীনগর গ্রামে। তার মুক্তিযোদ্ধা সনদ নম্বর মুক্তি/ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্র: ৩/২৭/২০০২/৩৬৯৬।

তার মেয়ের জামাই হানিফ জানান, ডাক্তাররা জানিয়েছেন তার (আলী আকবর) অবস্থা খুব খারাপ। ঢাকা নিয়ে যেতে বলেছেন তারা। কিন্তু টাকার জন্যে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

দেশ দিয়ে যাওয়া মানুষগুলো কি বিনা চিকিৎসায় এই দেশের বুকে মরবে, আমরা চেষ্টাও করবো না তাকে বাঁচাবার? ধন্যবাদ বাংলাদেশ, তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

--------------------------------------------------------------------------

প্রকাশিত খবরের লিংকঃ

অর্থাভাবে চিকিৎসা হচ্ছেনা মুক্তিযোদ্ধা আলী আকবরের

চিকিৎসা হচ্ছেনা মুক্তিযোদ্ধা আলী আকবরের
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২২
১২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান- ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই!

লিখেছেন রাজীব নুর, ১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:০৪



অসুস্থ মানুষের সেবা করা, অবশ্যই মহৎ একটি কাজ।
বয়স হয়ে গেলে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে। আসলে মানুষ অসুস্থ হয়ে গেলেই অসহায় হয়ে যায়। অবচেতন মন বারবার বলে- এবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভয়ের সংস্কৃতি নয়, চাই জবাবদিহিমূলক রাজনীতির বাংলাদেশ

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান কেবল একটি সরকারের পতন ছিল না, এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অন্ধকার অধ্যায়ের অবসান। পনের বছরের দীর্ঘ আওয়ামী দুঃশাসন যেভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছু অনুভূতি

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৪

" কিছু অনুভূতি "

অনেক দিন থেকেই অসুস্থ ছিলাম , তারপরও এখন সবার দোয়ায় আস্তে আস্তে ভালো হয়ে উঠছি আলহামদুলিল্লাহ। মাঝেমধ্যে ব্লগে এসে সবার সুন্দর সুন্দর লেখাগুলো পড়ে আমার মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

পারমাণবিক বিস্ফোরণের আগে সন্তানের সাথে আমি যে কথাগুলো বলবো

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:১০


যদি শুনি আজ রাত আটটায় পারমাণবিক বোমা হামলা হবে আমাদের এই শহরে, যেমন ইরানে সভ্যতা মুছে ফেলা হবে বলে ঘোষণা দিলেন পৃথিবীর সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী মহামান্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, তাহলে আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রান্সজেন্ডাদের উপর কারা হামলা করলো ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৫৩


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ গত সপ্তাহে সংসদে দাঁড়িয়ে একটি কথা বললেন যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এর আগে কেউ সরকারিভাবে বলেননি। মানবাধিকার কমিশন নিয়ে আলোচনার মাঝখানে তিনি বললেন, বাংলাদেশে LGBT ইস্যু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×