অন্তরে শুধু তুমি,১৩
রফিক তার কুটিরে ফিরে এলো,নির্জন এই ভয়ংকর জঙ্গলে গভীর রাতে একা একা নিরিবিলি এক পরিবেশে এক আরিফ গভীর ধ্যানে মগ্ন।দুনিয়ার কোনো খোঁজ খবর তার নেই।মাঝে মধ্যে জিন আসে, উৎপাত করে।কিন্তু সেদিকে তার কোনো নজর নেই।
একটি জীন হঠাৎ রফিকের নিকট চলে এলো,এসেই রফিকের কানের মধ্যে দিয়ে ভিতরে ঢুকে গেলো।রফিক গভীর ধ্যানমগ্নতার কারনে জীনের দিকে কোনো নজর নেই।জীন ঢুকেই রফিকের অন্তরে প্রবেশের জন্য কিছুক্ষন চেষ্টা করলো,তিন্তু পারলোনা,এর কারন,রফিকের অন্তর নূরে ভরা ছিলো।রফিক বুজতে পেরে জীনের দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিলো।জীন তৎক্ষনাৎ শরীরের ভিতর থেকে বাহিরে আছড়ে পরলো।
রফিক তাকে জিগ্যেস করলো,কেন আমার শরীরের ভিতর ঢুকলে।
জীন :আমাকে ফালতু নামক একটি শয়তান পাঠিয়েছে তোমার কাছে।বলেছে তোমার অন্তরকে যেন নিয়ন্ত্রনে নেই,এবং সেখানে আসন গেড়ে বসি।কিন্তু কি আশ্চর্য! তোমার অন্তরে এত পরিমান নূর!!আমি নিকটবর্তী হতেই পারলামনা।আমাকে তুমি ছেড়ে দাও।দ্বীতিয়বার আর আগমন করবোনা।কথা দিচ্ছি।
রফিক :যদি তুমি মুসলমান হও তোমাকে ছেড়ে দিবো।
জীন :মুসলমান হলে আমার কি লাভ হবে?
রফিক :মুসলমান হলে তুমি,এই নিখিল বিশ্বের সৃষ্টিকর্তার নূর দেখার যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে।কোনো শয়তান তোমাকে খাঁটাইতে পারবেনা,বরং তুমিই উল্টো শয়তানদেরকে খাঁটিয়ে মারতে পারবে।
জীন :তাহলে আমাকে মুসলমান বানিয়ে দিন,এবং প্রয়োজনীয় জ্ঞান শিক্ষা দিন।
(রফিক জীনটাকে মুসলমান বানিয়ে ফেললো।এবং মৌলিক কিছু জ্ঞান শিখিয়ে দিলো।সেই রাত জীনটা রফিকের সাথেই কাটালো।রফিক জীনটার অন্তরে বিশেষ তাওয়াজ্জুহ দিলো।জীনটাও আল্লাহর অলীতে পরিনত হলো।)
জীন
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



