somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

অপ্রত্যাশিত হিমু
বহু যাযাবর লক্ষ্যবিহীন, আমার রয়েছে পণnরঙের খনি যেখানে দেখেছি, রাঙিয়ে নিয়েছি মন।

দান নিরবেই করতে হয়, সেলফি দান নয়।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে অনেক স্বেচ্ছাসেবক ভাই এগিয়ে আসছেন এবং নানাভাবে সাহায্য সহযোগিতা করছেন কিন্তু আপনার সহযোগিতা টি কারো বাণিজ্য হয়ে দাঁড়াচ্ছে না তো? বর্তমান পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে যারা দান করছেন কেউ প্রবাসী কেউ সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, মেম্বার, চেয়ারম্যান, ব্যবসায়িক, এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মীরা দান করছেন। দান নিঃসন্দেহে কল্যাণকর। কিন্তু আপনার নৈতিক মূল্যবোধ নির্দিষ্ট সূচক এর ভেতরে থাকতে হবে। আমি মনে করছি দানের জন্য কিছু বিষয়ের পরিবর্তন আনা দরকার হতে পারে, ধরুন আপনি একজন প্রবাসী আপনি 200 মানুষের জন্য একটা তহবিল গঠন করছেন, 200 মানুষকে 10 কেজি চাল 2 কেজি ডাল করে প্রত্যেককে দিলেন। আরেকজন প্রবাসী একই স্থানের কল্যাণের জন্য দান করলেন এবং 200 মানুষকে দান করলেন 10 কেজি চাল 2 কেজি ডাল। এখন একটু ভেবে দেখলে বোঝা যায়, দানগ্রহীতা ব্যক্তি নিশ্চয়ই তার দ্বিগুণ সুবিধা পাচ্ছেন। যে বিষয়টি এই মুহূর্তে পরিবর্তনশীল সেটি হলো, প্রত্যেক সময় যদি দানগ্রহীতা ব্যক্তি সুবিধা পায় তাহলে আমি বলব আপনার নৈতিক মূল্যবোধ নির্দিষ্ট সূচকের বাহিরে। আপনি দান করে শুধুই দায় মুক্তি নিচ্ছেন কিন্তু সমাজ সংস্কার বা মেরামত হচ্ছে না। এভাবে প্রত্যেক গ্রহীতা ব্যক্তি তার ঘড়ে যদি দশ দিনের খাবার থাকা সত্ত্বেও যদি কেউ দান করে, সে আশায় নিশ্চয়ই বসে থাকতে পারে, এবং থাকবে। দানগ্রহীতা ব্যক্তি আড়ালে বাণিজ্যিক সুবিধা নেওয়ার সংখ্যাও ঝুঁকির বাহিরে নয়।
সমাজ সংস্কার: এ মুহূর্তে আমাদের যা করা দরকার তা হলো। প্রত্যেক সুবিধা বঞ্চিত মানুষ নিজ নিজ এলাকা পাড়া-মহল্লা, কার পরিবারে কতজন মেম্বার আছে তার তদারকি করে সবার নাম এন্ট্রি করা যেতে পারে, এন্ট্রি করে একটি কার্ড করে দেওয়া এবং কার্ডে প্রত্যেকের পরিবারের কতজন মেম্বার আছে বিবরণ থাকা। নিজ নিজ এলাকা,থানা,জেলা,শহর,উপ শহর ইত্যাদি ভিত্তিক সবার দানের তহবিল এক জায়গায় রাখতে পারা। এলাকা বিত্তিক এই তহবিল সংগঠনের তদারকি করবে সমাজের পাঁচজন জন বিশিষ্ট ভালো মানুষের মাঝে একজন অথবা সেনাবাহিনী ও হতে পারে ( যদিও আমার তাদেরকে দিয়ে আস্তা নেই)। এবং প্রত্যেক সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তিকে পাঁচ বা দশ দিনের খাবার দেওয়া, এবং সুবিধা বঞ্চিত ব্যক্তি পাঁচ দিন বা দশ দিন পর খাবার শেষ হলে একই তহবিল থেকে খাবার সংগ্রহ করতে পারা। সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তি যদি পাঁচ দিন বা দশ দিন খাবার না খেয়ে যদি সে বিক্রি করে দেয় এটা তার ব্যক্তিগত বিষয় হতে পারে। তাহলে আমি মনে করছি দান এক হাত দিয়ে যেতে পারবে। সুবিধাবঞ্চিত মানুষগুলো সুবিধার বাইরে থাকবে না। দান আত্মার খোরাক, দান নিরবেই করতে হয়, সেলফি দান নয়।

সবার মতামত প্রয়োজন এবং মতামত দিয়ে সহযোগিতা করবেন

লেখার সোর্স: অপ্রত্যাশিত হিমু
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গানটি বন্ধুত্বের, গানটি শান্তির প্রতি ভালোবাসায় সিক্ত

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:০০

আমেরিকা ও ইরানের শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে এই গানটি বুনেছি, নিজের বেসুরো গলা 'ব্যবহার' করেই।
এবারে কি ভারত - বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তির আলো দেখা দেবার কথা?



বন্ধু হে অনেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল গ্রহের শেষ প্রেম // কেয়া এবং আমি।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৪ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



আমি ভেসে আছি মহাশূন্যে।
আমার শরীরে রূপালী স্পেসস্যুট।
চারপাশে অসীম অন্ধকার।
আর আমার সামনে দূরে জ্বলছে এক নীলাভ-সবুজ গ্রহ—
Earth-666।
এই গ্রহেই আমার জন্ম।
এই গ্রহেই আমি প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম।
আর এই গ্রহই আমার কাছ থেকে সবকিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪



“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

এই বক্তব্যের মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দর্শনে। গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×