আমার মায়া দয়া কম এবং তাহা আর কে বলে জানিনা তবে আমার আপন সত্বা আমাকে প্রায়ই খোটা দিয়ে থাকে ওমন দুর্বিশেষনে।
তবে আজ বড়ই মায়া হচ্ছিল বাংলাদেশ আর ভারতের খেলা দেখার সময় খেলোয়াড় গুলোর হাপিত্তেশ চেহারা দেখে। জিও গ্রাফী চ্যানেলে হরিণের পিছে দৌড়িয়ে না ধরতে পারলে চিতাবাঘ যেমন হাপায় ঠিক তেমন ভাবে হাপাচ্ছিল তারা। গরমটাও ঢাকায় নিশ্চয় ওমন মাত্রায়ই ছিল। এত চরম হিউমিডিটিতে মনে হচ্ছিল গরমের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা হচ্ছিল ,
গোল্লা তো মনে হলো ছেড়ে দে মা কেন্দে বাচিঁ। বিপদে পড়িলে যেমন হরিণে উল্টো পাল্টা দৌড়ায় , গোল্লাও বুঝি তাই এক না দুই দুইটা ছয় মেরে বসল। দর্শক প্রানন্ত আনন্দ পেলো । অপ্রত্যাশিত আনন্দ বড়ই মধুর হয়। শেষ মেষ ৮০র পরে আর পারিলোই না দৌড়াইতে। ভালোই হলো ..রান আরেকটু বাড়ল সতেজ খেলোয়াড়গুলার বল্লেবাজে।
ওদিকে ২০ লিটার দুধ গলধকরন পটীয়সী ধনি মিয়াও কুপোকাত। গরমে মাংস পেশিও যেন ফুটছিল সকলের। কেউ ব্যাথা পায় পায়ে তো কেউ কোমরে। কেউ গরমের উত্তেজনায় ( রাজ্জাক) নিশ্চিত রান আউট মিস করে হারার বীজ বুনে। আর খোড়া হয়েও ২০ লিটার দুধের কামাল শেষ পর্যন্ত দেখায় দিলো ধনি মিয়া।
বাংলাদেশের যথেষ্ট ভালো খেলা, চরম হিউমেডিটি, বৃষ্টির প্রলভন সব হারল , জিতল কেবল ২০ লিটার দুধখোর ধনি মিয়া। ধনি মিয়া আজ তোমার দিন, তুমি পেরেছ। তোমায় দিলাম মনে মনে আরও বিশ লিটার কুল দুধ।
বিঃদ্রঃ একটু বলেতই হয়, লিখছিই যখন-- আমাদেলর ক্যােপ্ন মশাই প্যাভিলিয়নেই বসেই গরমের ভয়ে মরিছেলন। তাই আগে ফাগে নেম বিদায় নিয়ে ঠান্ডায় ফিরে গেলেন। মনে রাখবেন এটা কিন্তু আন্ধার কি বাত।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




