রামদা চাপাতিতে ভরে গেছে ভবনটা
... ... থাকতে থাকতে জং ধরে গেছে তালাটা।
আর আমি, তোদের জন্য সব গুছিয়ে রেখেছি, খোকরা তোরা কবে আসবি,
কবে নিবি নতুন রামদাটি।
মাগো,
ওরা বলে, আমাদের রামদা চাপাতি কেড়ে নেবে।
সোনার বাংলায়
দাবড়ে বেড়াতে দেবে না।
বলো মা, তাই কি কখনও হয়?
তাইতো আমাদের বিষ
উঠেছে। বিষ
নামিয়ে পাকা কলার
কলজে ভেঙে, তের
হাজার বৈরাগীর কেশ
ছিঁড়ে তবেই
না গর্তে ঢুকবো।
দস্যি মা, রাগ কোরো না।
মাত্রতো আর ২টা বছর।
তারপর সোনার বাংলায়
তেলাপোকা খুঁজে পাবে,
চামচিকা খুঁজে পাবে,
আমাদের আর পাবে না।
মা বিশ্বাস করো এ
দেশের মানুষ নষ্ট
হয়ে গেছে, সবকিছু
নষ্টদের
অধিকারে চলে গেছে!
শুনেছি ওরা আমাদের
রেপ করতে দেবেনা,
টেন্ডারবাজি ভুলিয়ে দেবে।
জগন্নাথের দুষ্টু
ছেলেরা বলেছে বাপের নাম ভুলিয়ে কপালে দাদার
নাম টাঙিয়ে দেবে।
তোমার বাবার নাম
ভাঙিয়ে খেতে দেবে না।
মাগো, মনে অনেক
কষ্ট। দু:খের শেষ নেই
জাহাঙ্গীর নগরে।
ওরা আমাদের
ক্যাম্পাসে উঠতে দেবে না।
বলো মা,
তাই কি হয়?!
তোমার দোয়ায়
সকালে একটারে ফেলে দিয়েছি।
নিশ্চয় শুনেছো এরআগে বুয়েট,কুয়েট দিয়েছি, বন্ধ করে!
এখন ক্যাম্পাসে উঠলেই
ওরা দৌড়ের
উপরে রাখে।
এইতো মা, ধৈর্য্য ধরো।
আবার
দুয়েকটা দেবো ফেলে,
তারপর তোমার জন্য
সুনাম নিয়ে তবেই
না ঘরে ফিরবো।
দস্যি মা, রাগ ক’রো না।
মাত্রতো আর
ক’টা মাস।
তোমার মৃত্যুকামনা করে স্টাটাস দিতে দিবো না!
“পাগলা কুত্তা আমার।”
মা পড়ে আর
ভেটকি মারে, “তোদের
ওপরে রাগ
করতে পারি !”
এইতো সেদিন
তোদেরকে সতর্ক
করে পিঠ চাপড়ে দিয়ে,
এটা-সেটা আর কত
দোয়া করে !
কবিতাটির সাথে জীবিত বা মৃত কারো কোন মিল থাকলে লেখক দায়ি থাকবে না।
পোস্টটি পড়ে কারো যদি গায়ে মাথায় বা অন্য কোন জায়গায় চুলকানি হলে লেখক ঔষধ কিনে দিতে পারিবে না
কপি পেষ্ট ফেসবুক

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


