
শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
গানের পাখি মমতাজের বাবার মৃত্যুবাষিকী উপলক্ষ্যে তিনদিন ব্যাপী মধুর মেলার আজ শেষ দিন। ভারত থেকে কবিয়াল অসীম সরকারসহ আরো অনেকে এসেছেন। ভারতের কবিয়াল এসেছে শুনে মেজদার সাথে যোগাযোগ করে যাওয়ার জন্য মনস্থির করি। ভারতের এই বিখ্যাত কবিয়ালের গান ইউটিউবে অনেক শুনেছি কিন্তু সরাসরি শোনার সুযোগ কোনদিন হয়নি। এই সুযোগ হাত ছাড়া করতে মন চাইছিল না। গান শোনার জন্য বিকাল বেলা পুরানা পল্টন থেকে বাসে রওনা হয়ে সাভার হেমায়েত পুর গিয়ে নেমে সিএনজিতে গিয়ে উঠলাম। এরপর হেমায়েত পুর থেকে পশ্চিম দিকে মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানার জয়মন্টপ গিয়ে নামলাম। জয়মন্টপ যখন পৌছি তখন সন্ধ্যা হয়েছে।
সিএনজি থেকে নামতেই মাইকে গানের সুর কানে এলো। মনোমুগ্ধকর মিউজিক ও সুরে মোহিত হয়ে গানের আসরের দিকে দৌড়াতে লাগলাম। গিয়ে দেখি লোকেলোকারন্য। স্টেজের কাছে যাওয়ার সুযোগ নেই। বাধ্য হয়ে অন্য রাস্তায় স্টেজের পিছনে গিয়ে মেজদা ও নীল সাধুকে খুঁজতে লাগলাম। স্টেজের পিছনে গিয়ে তাকাতেই দেখি মেজদা স্টেজে কবিয়ালদের দলের সাথে বসে আছে। অসীম সরকার গান শুরু করতেই প্রকৃতি বিরুপ ভাব নিল। তুমুল বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। মানুষ বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য ছোটাছুটি করতে লাগল। এই ফাঁকে মেজদার সাথে স্টেজে গিয়ে দেখা করলাম। কিন্তু বৃষ্টির জন্য বেশিক্ষণ থাকা গেল না। দৌড়ে পাশের বিল্ডিংয়ের নিচে গিয়ে দাঁড়ালাম। সেখানেও দেখি বৃষ্টি পড়ে। উপরে তাকিয়ে দেখি বাঁশের ফালি লাগানোর মত ফাঁকা ফাঁকা ছাদ। ছাদের ফাঁক দিয়ে বৃৃষ্টি পড়ে। কাজেই সেখান থেকে অন্য জায়গায় চলে গেলাম।
বৃষ্টির মধ্যে দৌড়াদৌড়ি করায় আধাভেজা হয়ে একটি দোকানে আশ্রায় নিযে দাঁড়িয়ে থাকলাম। একে তো শীতের রাত তারোপর বৃষ্টিতে ভিজে কাঁপতে কাঁপতে মেজদাকে না বলেই রাত আটটার দিকে মোবাইলে কিছু ছবি তুলে নিয়ে ঢাকার দিকে দৌড়ালাম। ভারতের কবিয়ালদের গান তৃপ্তিসহকারে শোনার ভাগ্য আর হলো না।
১। ছামিয়ানার ভিতরের ছবি।

২। স্টেজে হলুদ পোষাক পড়া ভারতের কবিয়াল দল।

৩। মমতাজ এবং মেজদাসহ অনেক বসে গান শুনছেন।

৪। গানের পাশাপাশি চলছে বিভিন্ন পন্যের মেলা।

৫।

৬।

৭।

৮।

৯।

১০। বৃষ্টির কারণে হাতপা গুটিয়ে বসে আছে দোকানী।

১১। বিভিন্ন রকম মুখোরোচক খাবার দাবার ও মিষ্টান্ন

১২।

১৩। মজাদার বুট মুড়ি


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
