somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্প ঃ রোস্তম ফকিরের দেমাগ (শেষ পর্ব)

২৫ শে আগস্ট, ২০১৬ রাত ৮:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

পানাউল্লাহ আস্তে আস্তে বলল, চেয়ারম্যান সাব, ধরেন রোস্তম ফকিরের সাথে রাগ কইরা তার লাশের কোন সৎকারের ব্যবস্থা করলেন না, কোন টাকা পয়সা বা সাহায্য সহযোগীতা করলেন না। তহন আপনার বিরোধী পার্টি এইটা পুরা এলাকায় ছড়াইয়া দিয়া এমন অবস্থার সৃস্টি করবো যে, আগামী ইলেকশনে আপনি যাতে ভোট না পান, সেই ব্যবস্থা পাকাপোক্ত কইরা ছাড়বো। মানুষও এই ঘটনায় আপনার প্রতি বিমুখ হইবো। তখন হাজার কাইন্দাও লাভ হইবো না।
এই কথা শোনার সাথে সাথে চেয়ারম্যানের হিংসাত্মক ভাব ভিতরে থাকলেও বাইরের প্রকাশ কমে গেল। পানাউল্লাহ যে বিষয়টি তাকে বুঝাল সে বিষয়টি তার মাথায় এতক্ষণ কাজ করে নাই। রোস্তম ফকিরের সৎকারের উপর তার আগামী ইলেকশনের লাভ লোকশান বোধগম্য হওয়ায় মুহুর্তেই সে পানির মত সহজ সরল ভাব ধরে বলল, তাইলে আমাকে এখন কি করতে হইবো?
পানাউল্লাহ বলল, চেয়ারম্যান সাব, শুধু টাকা পয়সা দিলেই হইবো না। আপনি নিজে গিয়া উপস্থিত থাইকা সব তদারকি কইরা সমস্যার সমাধান কইরা আসেন। তাইলে রোস্তম ফকিরের দ্বারা যা ক্ষতি হইছে তা আবার পুষায়া যাইবো।
চেয়ারম্যান কথাটি যুক্তিযুক্ত মনে করে তাদের সাথে টাকা পয়সা নিয়ে রওনা হলেন। গিয়ে দেখেন অনেক লোক সেখানে জড় হয়েছে। দু’একটি বাঁশও জোগাড় হয়েছে। আবার অনেকে পাঁচ টাকা দশ টাকা একটাকা দু’টাকা করে কিছু টাকাও দিয়েছে। চেয়ারম্যান উপস্থিত হওয়ার সাথে সাথে অনেকেই বলল, এই তো চেয়রম্যান সাব আইসা পড়ছে, আর কোন চিন্তা নাই।
কথাটি চেয়ারম্যানের কানেও গেল। চেয়ারম্যান মওকা বুঝে উপস্থিত লোকজনকে উদ্দেশ্য করে বলল, আপনাদের আর কিছুই করা লাগবো না। আমি যহন উপস্থিত হইছি তহন সব ব্যবস্থা আমিই করতেছি। আপনারা দয়া কইরা আমার সাথে থাইকা সহযোগীতা করেন, যাতে তাড়াতাড়ি কাফন-দাফনের ব্যবস্থা করা যায়।
চেয়ারম্যানের কথা শুনে উপস্থিত সবাই খুশি হয়ে বলল, ঠিক আছে চেয়াম্যান সাব, আমরা আপনের সাথে আছি। আপনে যা কইবেন আমরা তাতেই রাজী।
উপস্থিত লোকজনের কথা শুনে চেয়ারম্যান সকলকে উদ্দেশ্য করে বলল, রোস্তম ফকির মরার সময় কি কোন উছিয়ত কইরা গ্যাছে?
অনেকে সাথে সাথেই জবাব দিল, মরার সময় তার কাছে কেউ আছিল না, অছিয়ত করবো কেমনে?
আছিয়ার মা নিকটেই ছিল, সে তাড়াতাড়ি বলল, মরার সময় তার কাছে কেউ আছিল না। তবে মরার দুইদিন আগে আমারে ডাক দিয়া কয়ডা কথা কয়া গ্যাছে। হে কইছে, তার মরার পরে যেন ফালুর মা’র কাছে খবর দেওয়া হয়। আর কয়া গ্যাছে, ফালুর মা না আসা পর্যন্ত যেন কেউ তার কাফন-দাফন না করে। যদি সে না আসে তহন গ্রামের মাইনষে যেন তার কাফন-দাফন করে।
আছিয়ার মায়ের কথা শুনে গ্রামের মানুষ বলল, ফালুর মা’র কাছে খবর পাঠাইতে কইছে আপনে কি খবর পাঠাইছেন?
-- হ খবর পাঠাইছি।
প্রায় আধাঘন্টা পার হওয়ার পরও ফালুর মা’র দেখা নাই। চেয়ারম্যান বলল, আমি এখন কোন ভরসায় বইসা থাকি। ফালুর মা আসবো কি আসবো না তা কেমনে বুঝুম? আমি কাফনের কাপড়ের দাম দিয়া দেই, আপনারা কেউ বাজারে গিয়া নিয়া আসেন।
এমন সময় কে একজন বলে উঠল, ওই তো ফালুর মাও আইতেছে।
ফালুর মা আইতেছে কথা শুনে সবাই দক্ষিণ দিকে তাকালো। ফালুর মা আধাপুরান একটা কমদামের কাপড় পরে হাতে একটা পুটলি নিয়ে হন্তদ›ত হয়ে ছুটে আসছে।
কাছে আসতেই চেয়ারম্যান তাকে জিজ্ঞেস করল, আপনার কাছে ফকির কি কয়া গ্যাছে?
ফালুর মা বলল, আমারে এক মাস আগে রাস্তা থেকে ডাইকা আইনা কইল, বোন রে, মনে হয় আমর মরণের আর বেশি দেরি নাই।
-- আমি কইলাম-- আপনার মরণের যে বেশি দেরি নাই, এইটা আপনি কেমনে বুঝলেন?
-- হে কইল-- কিছু দিন হইল আমার খুব অস্থির অস্থির লাগে। একটু হাঁটলেই হয়রান হয়ে যাই। আমি বুঝবার পারতেছি আমার মৃত্যু খুব কাছাকাছি।
-- বাঁচা মরা আল্লাহর হাতে-- আপনে কইলেই কি মরণ তাড়াতাড়ি হইবো?
-- আমার এ কথায় ফকির মুখটা নিচের দিকে দিয়া ধরা গলায় কইল, বাঁচা মরা আল্লাহর হাতে তবে মানুষ মরার আগে কিছু আলামত চোখে দেখে। আমি সেই আলামতগুলা দেখতে পাইতেছি।
-- কি আলামত দেখলেন?
-- স্বপ্নে নতুন নতুন কবর দেখি আর তর ভাবি আমারে কবর থাইকা হাত ইশারায় ডাক পারে।
-- আমি তারে ধমক দিয়া কইলাম, রাখেন আপনের আলামত। এই সব সারা দিন চিন্তা করেন হের লাইগা আজে বাজে স্বপ্ন দেখেন। স্বপ্ন আর মরণের চিন্তা ছাইড়া আল্লাহ আল্লাহ করেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়েন, এসব স্বপ্ন টপ্ন কিছু না।
-- আমার ধমক খায়া ফকির কিছুক্ষণ চুপ কইরা থাকল। এরপর উইঠা গিয়া ঘরের কোনায় থাকা একটা খ্যাতার গাট্টির ভিতর থেকে একটা পুটলি বাইর কইরা আইনা আমার হাতে দিয়া কইল-- বোন রে-- এই কুলে আমার তো আর কেউ নাই। কখন মরি কখন বাঁচি তার তো কোন ঠিক ঠিকানা নাই। তুই আমার ধর্মের বোন হইলেও আছোস আর নিজের বোন হইলেও আছোস। আমি তরে একটা দায়িত্ব দিয়া যাইবার চাই, তুই আমার দায়িত্বটা দয়া কইরা পালন করবি।
--- আমি কইলাম, এলাকায় এত মানুষ থাকতে ভাই আমারে আবার কি দায়িত্ব দিবার চান? আমি গরীব মানুষ, আমি কি দায়িত্ব পালন করবার পারমু?
--- হে কইল, বোনরে, সব মানুষ দিয়া সব কাজ হয় না। দায়িত্ব যে পালন করবার পারে, হে ধনী হইয়াও পারে, গরীব হইয়াও পারে।
-- তহন আমি কইলাম, কি দায়িত্ব?
-- এই পোটলাডা তর কাছে রাইখা যাইতে চাই।
-- এই পোটলার মধ্যে কি আছে?
-- এই পোটলার মধ্যে তেমন কিছু নাই। কিছু ট্যাকা-পয়সা আর গুরুত্বপুর্ণ কিছু জিনিষ আছে।
-- এই পোটলা দিয়া আমি কি করমু?
-- আমি মরার পর, আমার মরার খবর যদি পাও, তাইলে এই পোটলাডা নিয়া আমার গ্রামের মসজিদের মোয়াজ্জিনের হাতে দিয়া কইবা, আমার কাফনের কাপড় এই পোটলার মধ্যে আছে, আগর বাতি, আতর, গোলপজল সবই এর মধ্যে আছে। আমার জিনিষ দিয়াই যেন আমার কাফনের ব্যবস্থা করে। কবরের বাঁশ কেনার জন্য কিছু ট্যাকা পয়সা আছে, এই ট্যাকা দিয়াই যেন বাঁশ কেনে। আর যদি পয়সাপাতি বেশি হয়, তাইলে যেন ফকির মিসকিনরে দিয়া দেয়।
-- তার কথা শুনে আমি কইলাম, পোটলাডা মসজিদের ইমাম সাবরে দিলে হইবো না?
-- আমার কথায় একটা হাসি দিয়া কইল, না রে বোন, ইমাম সাবরে দিও না। ইমাম সাবের এলেম বেশি তবে ঈমান আমল কম। মোয়াজ্জিন সাবের এলেম কম কিন্তু ঈমান আমল ভালো। তুই মোয়াজ্জিন সাবের কাছেই পোটলাডা দিস।
-- তার কথা শুনে একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাইড়া আমতা আমতা কইরা কইলাম, ফকির ভাই-- তয় কথা হইল কি- - মরার পরে কি কি করুম সবই তো অছিয়ত কইরা গেলেন কিন্তু জানাজা কারে দিয়া পড়ামু তা তো কইলেন না?
-- ফকির একটা হাসি দিয়া কইল, ধূর পাগলী-- এইডাও কইতে হইবো। আরে পাগলী--যার কাছে পোটলা দিবার কইলাম সেই যেন আমার জানাজা পড়ায়।
-- ফকিরের কথা শুইনা চোখের পানি আটকায়া রাখতে পারলাম না। কান্দা কান্দা ভাব নিয়া কইলাম, আচ্ছা ঠিক আছে, আপনি যা কইছেন তাই করুম।
আমার কথা শুইনা ফকির একটা তৃপ্তির হাসি দিয়া কইল, আমি বুইঝা শুইনাই তরে দায়িত্ব দিলাম। আমি জানি তুই আমার এই দায়িত্বডা ঠিক ঠিক পালন করবার পারবি।
চেয়ারম্যান সাব এতক্ষণ ফালুর মায়ের কথা মনোযোগসহকারে শুনতেছিল। সব কথা শোনার পরে রাগে গোস্বায় জ্বলে যাচ্ছিল। মনে মনে রোস্তম ফকিরের চৌদ্দ গোষ্ঠী তুলে গাল দিতে লাগল। শালা মরার পরও দেমাগ ঠিক রেখেছে। রাগান্বিত হয়েই সে বলল, বাঁশ, কাফনের ব্যবস্থা না হয় করছে, কিন্তু মাটি দিব কোন জায়গায়-- হে কথা কয় নাই? কাফন পরায়া কি নদীতে ভাসায়া দিবার কইছে?
ফালুর মা অন্য দিকে তাকিয়েছিল। চেয়ারম্যানের তাচ্ছিল্যভাবের কথা শুনে চেয়ারম্যানের দিকে মুখ ফিরিয়ে বলল, হ চেয়ারম্যান সাব, হে কথাও কইছে।
চেয়ারম্যান মুখ ভেংচি কেটে মাথাটা উপর দিকে ঝাঁকি দিয়ে বলল, কি কইছে?
--- উত্তর গ্রামে যে গোরস্থান আছে, সেই গোরস্থানের পূর্বপার্শ্বে পাঁচ কাঠা জমি কিনছে, সেই জায়গায় মাটি দিবার কইছে। সেই দলিলও এই পোটলার মধ্যে আছে। ্ওই জমিটা গোরস্থানের নামে দান কইরা গ্যাছে। হে মরার পর এই এলাকায় যত ফকির-মিসকিন, ভুমিহীন, ঘরবাড়ি ছাড়া অসহায় গরীব মানুষ মরবো, সব ওইখানে মাটি দিবার কইছে।
এবার চেয়াম্যানের মাথায় যেন হাতুরীর আঘাত পড়ল। সে আর কোন কথা না বলে চোরের মত আস্তে করে উঠে চলে গেল।
সবাই বলাবলি করতে লাগল, রোস্তম ফকির রোস্তম পালাওয়ানের মত কাজ কইরা মরল। দশ বাড়ি হাইটা হাইটা ভিক্ষা কইরা খাইছে, হেই মানুষ কি কাম কইরা গ্যাছে? এমন কাম কইরা গ্যাছে-- কেয়ামত পর্যন্ত মানুষ হের কথা মনে করব। চেয়ারম্যান তো দূরের কথা গ্রামের কোন মাইনষের কোন দানই তার মরার পর আর লাগল না। উল্টা তার দান করা জমিতে সবাইর কবর হইবো, সেই ব্যবস্থা কইরা গ্যাছে।

রোস্তম ফকির মরার পর এলাকার মানুষ খুব একটা গুরুত্বসহকারে দেখে নাই। একদম আশেপাশের লোক ছাড়া একটু দূরের লোকজন তার সৎকারের ব্যপারে তেমন একটা আগ্রহী ছিল না। তার মৃত্যুর খবর শোনার পরে অনেকে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী ইন্নানিল্ল--- রাজিউন পড়লেও মনে মনে বলেছে, মরে ভালই হয়েছে, কষ্ট থেকে বেঁচে গেছে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু তার কাফন কেনার টাকা এবং কবরস্থানের জমি দান করার খবর যখন এলাকায় ছড়িয়ে গেল তখন এলাকার মধ্যে হুলুস্থুল শুরু হয়ে গেল। সবাই এ ঘটনা শোনার সাথে সাথে নিজের কাজ ফেলে রোস্তম ফকিরের লাশ দেখার জন্য এবং তার মরদেহের সৎকারে অংশীদার হওয়ার জন্য ছুটে এলো। মুহুর্তের মধ্যে রোস্তম ফকিরের বাড়িসহ আশে পাশে লোকে লোকারণ্য হযে গেল। শুধু গ্রামের লোকজনই নয়, আশেপাশের গ্রাম থেকেও অনেক লোক ছুটে এলো। এমন কি রাস্তার পথিক যারা ছিল, তারাও ঘটনা শোনার সাথে সাথে ছুটে এলো। যারা কখনও কোন দিন খোঁজ খবর নিত না, তারাও রোস্তম ফকিরের সৎকারের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ল।

কয়েক ঘন্টার মধ্যে এতো লোকের সমাগম হলো যে কোন গণ্যমান্য ব্যাক্তি, রাজনৈতিক নেতা বা পীরমাশায়েকের মৃত্যুতেও এত লোকের সমাগম হয় না। সাবার সহযোগীতায় অতি দ্রুত কাফনের কাজ সমাধা হলো। ওদিকে দাফনের কার্য সমাধা করার জন্য একদল লোক আগেই কবরস্থানে চলে গিয়েছে। তারা সেখানে কবর খুঁড়ে বসে আছে। রোস্তম ফকিরের সৎকারের শরীক হওয়ার জন্য কবরস্থানও লোকে লোকারণ্য। রোস্তম ফকিরের মরদেহ কাফন পরিয়ে যখন খাটলীতে করে কবরস্থানের দিকে রওনা হলো, তখন রাস্তায় আর লোক ধরে না। কবর দেয়ার সময় হুড়োহুড়ি লেগে গেল, কার আগে কে একমুটো মাটি দিবে। প্রথমে যারা সামনে গেল তারা মাটি দেয়ার সুযোগ পেলেও পরে যারা গেল তারা আর মাটি দিতে পারল না। কবরে মাটি দেয়ার মত আর কোন আলগা মাটি ছিল না। অনেকেই আফসোস করে মোনাজাত শেষে বাড়ি ফিরল।

এদিকে চেয়ারম্যানের বাড়ির আশেপাশের লোকজন সৎকারে অংশীদার হলেও চেয়ারম্যান হলো না। চেয়ারম্যান রাগে, দুখে, লজ্জায় ঘরে বসে থাকল। রোস্তম ফকির মরার পর তার লাশের সৎকার নিয়ে হিংসাত্মক আচরণের কারণে পুরো এলাকার মানুষ তার প্রতি খারাপ মন্তব্য করতে লাগল।

চেয়ারম্যান ঘরে শুয়ে শুয়ে হিসাব নিকাস করে বুঝতে পারল, চাল চুলোহীন অসহায় রোস্তম ফকিরকে একটা ঘাড় ধাক্কা দেয়ার বিনিময়ে এখন সে শত সহস্র ঘাড় ধাক্কা খাবে। আগামী ইলেকশনে তার যে ভরাডুবি হবে সেটাও সে নিশ্চিত অনুমান করতে লাগল।
(--- সমাপ্ত ---)

গল্প ঃ রোস্তম ফকিরের দেমাগ (পর্ব-০৫)
গল্প ঃ রোস্তম ফকিরের দেমাগ (পর্ব-০৪)
গল্প ঃ রোস্তম ফকিরের দেমাগ (পর্ব -০৩)
গল্প ঃ রোস্তম ফকিরের দেমাগ (পর্ব -০২)
গল্প ঃ রোস্তম ফকিরের দেমাগ (পর্ব -০১)
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে আগস্ট, ২০১৬ রাত ৮:৪৯
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?
মাজার বিদ্বেষ, বাউলগান বিদ্বেষ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপত্তি- এরপর কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কলেমা লেখা পতাকা টানানো; আর এখন সিলেটের বিয়ানীবাজারে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে ঐতিহ্যবাহী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা - 'সত্য বলার সনদ'

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮



রাত দুটায় রাকিবের ফোন বেজে উঠলো।

—ভাই, আপনার মুক্তিযোদ্ধা সনদটা কোথায়?

—কেন?

—একজন আমেরিকা-প্রবাসী ব্লগার বলেছেন, আপনি নাকি ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা।

রাকিব কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন,
—আমার সনদ তো আলমারিতে। কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ রক্ত ঋণ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৪




আমাদের পরিবারে সাব্বির নামটা উচ্চারণ করা নিষিদ্ধ । সাব্বির ভাইয়া আব্বুর প্রথম সংসারের একমাত্র সন্তান আর আমরা দুই ভাই -বোন তার দ্বিতীয় সংসারের।
সাব্বির ভাইয়ার মা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আর্কাইভ থেকে: আহ প্রিয়তমা, মিলনের গল্প জানো না

লিখেছেন অর্ক, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:১৫



ফেলে আসা এক সড়কের কথা মনে পড়ে। হলুদ নিয়ন বাতির ম্লানাভ সন্ধ্যেবেলা। পলেস্তারা খসা বয়োজীর্ণ দেয়াল। দুয়েকটি রিক্সা। সিটের ’পর পা তুলে আঁটোসাটো ঝিমানো চালক। খেলা শেষে ঘরে ফেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×