শাহবাগের আন্দোলনকারীদের দাবীর সাথে আমিও একমত। আমিও চাই রাজাকারদের ফাঁসি হোক। জামাত শিবিরের রাজনীতির রাজনীতি নিষিদ্ধ হোক। কিন্তু আরও কিছু দাবী তোলা উচিত ছিল আন্দোলনকারীদের আর তা হলো, দুর্নীতি বন্ধ হোক, রাজনীতিতে দুর্বিত্তায়ন বন্ধ হোক, রাজনীতির নামে সীমাহীন ভন্ডামী বন্ধ হোক। কিন্ত এদেশের রাজনীতিবিদরা কি পারবে? ভন্ড রাজনৈতিক ধারা থেকে বেড়িয়ে আসতে? বর্তমান শাহবাগের আন্দোলক কেন শুরু হলো, কিভাবে শুরু হলো, কারা শুরু করলো? এটা এখন দেশের সাধারণ মানুষের কাছে দিবালোকের মত পরিস্কার হতে শুরু করেছে। এই সরকারের অশুভ হস্তেক্ষেপেই কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় না হয়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের রায় হয়েছে। আবার তাদের মদদেই শাহবাগের আন্দোলন শুরু হয়েছে। তারাই পৃষ্ঠপোষকতা করছে, তারাই টাকা খরচ করছে আন্দোলনকারীদের খাওয়াতে। বর্তমান সরকার তাদের সীমাহীন দুর্নীতি ও ব্যার্থতা ঢাকতে জনগণের চোখ অন্যদিকে ফিরিয়ে নিতে এই অভিনব ব্যবস্থা করেছে। কোথায় শাহবাগ থেকে তো তত্বাবধায়ক সরকারের দাবী ওঠেনা? আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে বসে থাকা রাজাকারদের বিরুদ্ধে কোন কথা ওঠে না? আস্তে আস্তে জনগণের সামনে সব কিছু পরিস্কার হতে শুরু করেছে। আওয়ামীলীগ যতই চালাকি করুক না কেন আগামী নির্বাচনে তার সমুচিত জবাব পাবেই। আজও বিশ্বজিতের আত্না চিৎকার করে বলে, “তোমরা সংখ্যা লঘুরা আর আওয়ামীলীগকে ভোট দিও না, কেননা, আওয়ামীলীগ ভন্ড, তারা আমার আকুতি শোনেনি, আমি চিৎকার করে বলেছিলাম আমি হিন্দু, আমি কোন রাজনীতি করি না। কিন্ত আওয়ামী দুর্বিত্তরা আমার কথা শোনেনি।
আমি আবারও সকল রাজাকারের ফাঁসি দাবী করছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


