হুজুর আর মন্ত্রীর কথোপকথন
হুজুরঃ তুমি ই বাবা কম হিসেবে? তুমি যা বলেছ---এক্কেবারে এই বুড়ো শরীরেও ধাক্কা ধাক্কি করার খায়েস চলে আসে।
মন্ত্রীঃ তবে আপনি যে তেঁতুল নিয়ে বয়ান দিয়েছেন, সেটা আপনার মাথায় আসল কি করে?
হুজুরঃ আমার উত্তর পরে দেই……তার আগে তুমি বল ধাক্কা, দিয়ে বিল্ডিং ফেলার ব্যাপারটা মাথায় আসল কি করে?
মন্ত্রীঃ এই তো ছোট বেলা থেকেই তো ধাক্কা খেয়ে খেয়ে বড় হয়েছি। বাবা মায়ের থাপ্পর এক ধাক্কা, পরীক্ষায় ফেল করা আরেক ধাক্কা। এই ধাক্কা খেয়ে খেয়েই মন্ত্রী পর্যন্ত হয়ে গেছি। এর থেকে ধারণা হয়েছে, ধাক্কা দিয়ে কি-না হয়? বিল্ডিং ফেলা তো ছোট ব্যাপার। হে হে হে ………
হুজুরঃ তোমার হাসি তো বেশ সুন্দর। কেমন একটা তেঁতুল তেঁতুল ভাব। আবার লালা না এসে পড়ে।
মন্ত্রীঃ কি যে বলেন!
হুজুরঃ আমার দশা অনেকটা তোমার মতই। সেই ছোট বেলা থেকেই সব কিছু ধরা ছোঁয়ার বাইরে। মনে মনে ভেবেই সব কিছু পেতে হত। তার থেকেই লালা বয়ে একাকার হত।
মন্ত্রীঃ কিন্তু সব নারী দেখলেই কি আর তেঁতুল ব্যাপার আসে? মা বোন আছে না?
হুজুরঃ তুমি মন্ত্রী। তোমাকে বিষয়টা গোপনে বলি……… মানে আসল ক্ষমতা না থাকলে, লালা ফেলা ছাড়া আর কি করা যেতে পারে?
মন্ত্রীঃ আপনার শুনলাম এক ডজন ছেলে মেয়ে!
হুজুরঃ তুমি মন্ত্রী হয়েছ, বয়স বাড়িয়েছ, কিন্তু বুদ্ধি বাড়াতে পার নি। আসল শক্তি আসে, আসল কাজ করার থেকে। আমরা তো ক্ষেতেও কাজ করি না, ফ্যাক্টরিতেও কাজ করি না। শুধু বয়ান দিয়ে বেড়াই। এর থেকেই মেলা আয় রোজগার হয়ে যায়। কিন্তু মহিলারা জিনিষটা একেবারে ধরে ফেলে……… ভিতরটা একেবারেই অন্তঃসারশূন্য। বাইরে আসল কাজ না করতে পারলে, ভিতরে আসল হবে কি করে? তার পরে কি আর মাথা তুলে ওদের সাথে চোখে চোখ রাখা যায়। শুধু ওদের নামে তেঁতুল থিওরি বানান যায়।
মন্ত্রীঃ আমরাও যে এর থেকে বেশী অন্য রকম তাও না। আপনারা বয়ান দেন, আমরাও বড় বড় কথা বলে দেশ চালাই। আমাদের মেরুদণ্ড আছে, সোজা হয়ে দাঁড়াতে আর পারি কই। সত্যি কথা বলতে পারি না। থিওরি দেই আর থিওরি কবচাই।
হুজুরঃ তোমাদের অবস্থা দেখি আমাদের মতই, শুধু কথাতেই আমরা ওস্তাদ। কাজের বেলায় শুধু ধাক্কা, ধাক্কা আর তেঁতুল তেঁতুল। কেমন জানি লালা পরে, আর ধাক্কা ধাক্কি করতে ইচ্ছে হয়ে যায়। ভয় হয়, আবার চার পায়া জন্তু না হয়ে যাই।
মন্ত্রীঃ জী হুজুর। আমরা ধাক্কা দিব, লালা ঝরাব। তার পরে আবার লালা ঝরাব, ধাক্কা ধাক্কি করব। জাতিটাকে কাজে না কথা আর থিওরিতে বড় করে ছাড়ব।
জুলাই ২০, ২০১৩
http://www.lekhalekhi.net
সাদা নীল জার্সি

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্পর্শে_ _ _ _ _
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।