মৃত্যুপথযাত্রী বৃদ্ধ চমকে উঠল।
‘- একি? তুই ধনিয়া?
- হাঁ চাচা। আমার জাত নেই, আমি নাকি রাণ্ডি!
- ছি ছি, এ কি বলছিস?
- হাঁ চাচা, আমাকে নাম লেখাতে হয়েছে। কাল থেকে বাজারে থাকতে হবে।
- আরে না, তুইতো লছমী।
- না চাচা, আমার স্বামী নেই।
- গাইগরুরও স্বামী নেই, তারা কি লছ্মী নয়?
- তা বললে চলে না, আমি তো গাই নই। আমি মানুষ।’
বিয়ের পর যদি আপনার স্বামীর প্রতি প্রেম ভালোবাসা কমে যায়- তাহলে The Vow এই মুভিটি দেখুন। ইদানিং দেখা যায় আমাদের সমাজে বিয়ের পর ভালোবাসা উঠেই গেছে। এই মুভিটি স্বামী-স্ত্রীদের নতুন করে ভালোবাসাতে শেখায়। বিয়ের পর যদি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা না থাকে তাহলে বেঁচে থাকা অর্থহীন।
ছবির কাহিনী অনেকটা এই রকমঃ চরম রোমান্টিক একটি মুভি। ভালোবাসার মানুষটির জন্য মানুষ কি না কি করে মুভিটিতে তাই দেখতে পারবেন । মুভিতে লিও এবং পেইজ হচ্ছে দম্পতি যারা সবেমাত্র বিয়ে করেছে। একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় পেইজ এবং লিও মারাত্মকভাবে আহত হয়। লিও সম্পূর্ণ সুস্থ হলেও পেইজ তার স্মৃতিশক্তি হারায়। সে লিওকে চিনতে পারেনা। লিও পেইজকে তার বাসায় আনতে চাইল, কিন্তু বাধ সাধল তার বাবা মা। যেহেতু লিও পেইজের কাছে সম্পূর্ণ অচেনা একজন মানুষ। তাই সে চেষ্টা করতে থাকে পেইজের স্মৃতি ফিরিয়ে আনার। ছবিটি একটি সত্য ঘটনার উপর ভিত্তি করে তৈরি। মুভিটি দেখার পর এক আকাশ আনন্দে আপনার মন ভরে উঠবে। নিজের অজান্তেই চোখ ভিজে উঠবে। অবচেতন ভাবেই স্বামী-স্ত্রী দুইজনের প্রতি দুইজনের ভালোবাসা বেড়ে যাবে।
তো দেখে ফেলুন এই অসাধারন মুভিটি।
সুবোধ ঘোষের 'শুন বরনারী' উপন্যাসটি পড়ুন ভালো লাগবে। কাহিনী অনেকটা এই রকমঃ হিমাদ্রিশেখর দত্ত ওরফে হোমিও হিমু। পেশায় হোমিও চিকিৎসক। যদিও কেউ তাকে ডাক্তারি করতে দেখেনা। লোকের ছেলেপেলে পড়িয়ে রোজগার চলে। আর,আসল কাজ হচ্ছে পরোপকার, মানে,অমুকের সাথে অমুক জায়গায় যেতে হবে, অমুকের মেয়েকে ট্রেনে করে হোস্টেলে দিয়ে আসা, নিয়ে আসা, অমুক কে তীর্ত্থে নিয়ে যাওয়া, এইসব। না করতে পারেনা হিমু।এমন কাজেই ডাক পড়ে তার।
এবার ডাক পড়ল চারুবাবুর বাড়িতে। তার মেয়ে যূথিকা ঘোষ কে দিয়ে আসতে হবে পাটনায়। যূথিকার মামী পাটনা থেকে চিঠি পাঠিয়েছেন, নরেন আসছে, যার সাথে যূথিকার বিয়ে হবার কথা। তাই, যূথিকা ঘোষকে নিয়ে ট্রেনে চাপল হিমু… ।
অনেকে বলেন হুমায়ূন আহমেদ হিমু চরিত্রটি সুবোধ ঘোষের এই বই থেকে নেওয়া হয়েছে।
মানুষের জীবনে মাঝে মাঝে হুট করেই কিছু মন খারাপের ক্ষণ চলে আসে। আবার মাঝে মাঝে হুট করে মন এক আকাশ আনন্দে ভরে যায়। সারা বিশ্বকে করে অবাক,
চলে আসলো ক্রিকেট বিশ্বকাপ।
তরুণ তরুণীদের স্বচ্ছ পবিত্র হাসিমুখ আর ভালোবাসাবাসির দৃশ্য গুলো দেখতে খুব ভাল লাগে
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
চন্দ্রপ্রভা
চন্দ্রপ্রভা
সাইফুল ইসলাম সাঈফ
তোমাকে দেখে মোহিত হই চন্দ্রপ্রভা
রোদ পড়লে চকচক করে
এতই সুন্দর লাগে
একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকি।
তোমাকে ছুঁতে ইচ্ছে করে
কিন্তু পাই না যে সাহস।
তুমি নাই বলে কি এত ঝড়?
তুমি পাশে নাই বলে... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনি কি পেলেন?

বাংলার দুই নোবেল জয়ী রবি ঠাকুর আর ডঃ ইউনুসের পিছনে অনেক কথাই তো বললেন।
ব্লগ লেখায় ভরিয়ে ফেললেন!
খোদা তাঁদেরকে যে জায়গা দিয়েছেন, তা থেকে এক চুল কি নিচে নামাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন
তোমরা নেহা বোরা কে বাংলাদেশের কথা বোলো না

নেহা বোরাকে তোমরা বাংলাদেশের কথা বোলো না। বোলো না যে, তিনি যখন বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ভূয়সী প্রশংসা করছেন, তখন বাংলাদেশে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুনেরা ক্যাম্পাসে গরু জবাই করে জেয়াফত খাওয়ার আন্দোলন... ...বাকিটুকু পড়ুন
রংয়ের মানুষ

গ্রেট মাদ্রাজ ফ্যামিন যখন অনুপ্রেরণার উৎস
একদিন আমাদের সবার প্রিয় সংসদ সদস্য আমির হামজা ওয়াজে বেশ গরম গরম কথা বলছিলেন। মহান আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টির সৌন্দর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হঠাৎ রাশমিকা... ...বাকিটুকু পড়ুন
অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।