অফিসের কাজে উত্তরা গিয়ে হেঁটে হেঁটে বাসায় ফিরলাম। সারা শহর আজ অচল হয়ে গিয়েছিল। সময় লাগল চার ঘন্টা। এক ঘন্টা হাঁটি, তারপর দশ মিনিট বিশ্রাম নিই। রাস্তায় যত রকমের খাবার পাওয়া যায়, সব খেয়েছি। আমড়া খেয়েছি, আখের রস খেয়েছি, বাদাম খেয়েছি, ঝালমুড়ি, পুরি খেয়েছি, জিলাপী খেয়েছি। এর মধ্যে শুরু হলো আবার বৃষ্টি। ইচ্ছা করেই ভিজলাম। রাগে-দুঃখে মন মেজাজ চরম বিক্ষিপ্ত। দেখার কেউ নেই, বলার কেউ নেই, সহ্য করা ছাড়া আর অন্য কোনো উপায় নেই।
তাই আজ সিদ্দান্ত নিয়েই ফেললাম। এই দেশে সুন্দর ভাবে আনন্দ নিয়ে জীবন-যাপন করা যাবে না। কাজেই খুব দ্রুত ইউরোপের কোনো দেশে চলে যাবো। বাকি জীবনটা সেখানেই অনেক আনন্দ নিয়ে কাটিয়ে দিব।
দেশ যখন প্রতিটি নাগরিকের শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারে না তখন প্রয়োজনই পথ খুলে দেয়। এভাবেই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর জন্ম।
বিশ্বের কোথাও কোনও শিক্ষার্থী ভ্যাট দিয়ে লেখাপড়া করে না। এরশাদের মত স্বৈরাচারী শাসকও শিক্ষাখাতে কর আরোপ করার সাহস দেখায়নি।
রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় গেলেই দেশটাকে নিজের সম্পত্তি ভাবে। শিক্ষার উপর কোন ভ্যাট হতে পারেনা। যতই এনবিআর বলুক ভ্যাট দেয়ার দায়িত্ব ইউনিভার্সিটির। কিন্তু দুদিন বাদে টিউশন ফি বাড়িয়ে দিয়ে ঠিকই এটা তারা আদায় করবে স্টুডেন্টস দের কাছ থেকে।
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ লক্ষ ছাত্রের টিউশন ফির উপর ৭.৫% ভ্যাট বসিয়ে সরকার বছরে প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা আয় করবে। এরচেয়ে বেশি পয়সা আসবে যদি পীরের দরবার আর মাজারের আয়ে কর বসায় সরকার। মাজার ভ্যাট আয়ের একটি ভাল মাধ্যম হতে পারে।
'শিক্ষা কোন পণ্য নয়'- দ্যাট ইজ এনাফ!!
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



