
১। " ভৈরব, ভৈরব "
বাসের হেল্পার অনবরত চিৎকার করে যাচ্ছে। অবাক হতে হয়! বাসটা লোকজনে একদম ঠাসা। মনে হচ্ছে তিল ধারণের জায়গা পর্যন্ত নেই! কিন্তু হেল্পারের সে বিষয়ে কোনও মাথা ব্যাথা নেই। সে অবিরাম বাসে যাত্রী উঠিয়ে যাচ্ছে। এত মানুষের জায়গা কিভাবে হচ্ছে তাও এক রহস্য!
২। এক লোক পোস্টঅফিসে গিয়ে বলতে লাগলো, "ভাই আমার বউ হারিয়ে গিয়েছে... "
পোস্টমাস্টারঃ পুলিশ ষ্টেশনে গিয়ে রিপোর্ট করেন, এখানে কি???"
লোকঃ "সরি ভাই...আসলে আনন্দে মাথা ঠিক নাই তো... তাই কোথায় যাব বুঝতে পারছি না !!..
৩। সফল মানুষরা একসঙ্গে দশটা কাজ করেন— এই ধারণাটা ভুল। এক সময়ে
তাঁরা একটাই কাজ করেন, এবং সেই সময়টার জন্য অন্য সব কাজের কথা
ভুলে যান। পরমুহূর্তেই, এই কাজটা শেষ হয়ে গেলে, মন চলে যায় অন্য কাজে।
৪। আমার আইন মেনে নাও। চোর ও চুরনীর হাত কেটে ফেলে দাও। চুরি বন্ধের ইহাই উৎকৃষ্ট পন্থা। নিশ্চয়ই আল্লা সবজান্তা। আল্লা সব বস্তুর উপরে ক্ষমতাবান। তার অবস্থানেই আছে সেই প্রমাণ। সবকিছুর উপরে সপ্তম আসমানে তার অদৃশ্য বাসস্থান।
৫। ঢং ঢং করে ঘড়ি বেজে উঠল- রাত তিনটা । আমি বিছানায় শুয়ে আছি ।কখন ঘুমিয়ে পড়েছিলাম- জানি না । একটা সুন্দর স্বপ্ন দেখেছি। স্বপ্নে দেখি- নুহাশ পল্লীতে হুমায়ুন আহমেদ আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খুব গল্প করছেন । আমি তাদের পাশে গিয়ে বসলাম ।রবীন্দ্রনাথ আমাকে বললেন- চা খাও। আমি চায়ে চুমুক দিয়ে দেখি চিনি ছাড়া চা । আমি বললাম চিনি ছাড়া চা আমি খাই না । হুমায়ুন আহমেদ বললেন- এখন চিনি কোথায় পাবো ? আমি বললাম, তাহলে এক চিমটি লবন কি পাওয়া যাবে ?হুমায়ুন আহমেদ লবনের বদলে চিনিই ব্যবস্থা করে দিলেন । আমাদের তিন জনের চা শেষ হওয়ার রবীন্দ্রনাথ বললেন-আমরা তিনজন মিলে একটা করে প্রেমের গল্প লিখব ।সময় এক ঘন্টা । হুমায়ুন তুমি লিখবে রুপাকে নিয়ে, আমি লিখব লাবণ্য কে নিয়ে আর রাজীব নূর তুমি লিখবে হিমিকে নিয়ে । আমি বললাম স্যার আমি পারব না । রবীন্দ্রনাথ বললেন, তুমি পারবে- আমি হিমিকে নিয়ে তোমার কিছু লেখা পড়েছি । ভালো লিখেছো । একজন প্রকাশক এসে আমাদের তিন জনের হাতে সাদা কাগজ আর কলম ধরিয়ে দিল ।আমার মনে হচ্ছে- বিশাল সমুদ্রের মাঝে ডুবে যাচ্ছি।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




