
গতকাল মেয়ের জন্মদিন গেল। ঘরোয়াভাবে ছোট্র অনুষ্ঠান করেছি। আমাদের আশে পাশের সব বাচ্চাকে গুরুত্বসহকারে দাওয়াত করে নিয়ে এসেছি। তাদের জন্য বিশেষ গিফটের ব্যবস্থা করেছি। আমার মেয়ে ভিষণ খূশি। সারাটা দিন সে খুব আনন্দ করেছে। তার আনন্দই আমার আনন্দ।

বাচ্চাদের সাথে তাদের বাবা মা-ও এসেছেন। এসেই তারা গল্প নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। আর ছোটরা তাদের গল্প নিয়ে ব্যস্ত। মেয়ের বয়স ছয়। দেখতে দেখতে মেয়েটা বড় হয়ে যাচ্ছে। এই তো সেদিন এক ঝুম বৃষ্টির মধ্যরাতে স্কয়ার হাসপাতালে জন্ম নিলো।

মেয়েটা আমার দিকে তাকিয়ে বলল, বাবা পোজ দিয়েছি। কুইক। আমি ছবি তুলে নিলাম। মেয়েটা লেখা পড়ায় ভিষন ভালো। ইংরেজি উচ্চারন খুব সুন্দর। উপস্থিত বুদ্ধি দারুন। আমার প্রতি দারুন যত্নশীল। ঘরের কাছে তার মাকে সাহায্যও করে।

কালকের অনুষ্ঠানে মেয়ের সাথে আমার এই একটাই ছবি। মেয়েটা আমার সাথে নিয়মিত মুভি দেখে। মুভির যে জায়গা গুলো বুঝে না, আমার কাছ থেকে প্রশ্ন করে করে জেনে নেয়। প্রতি সপ্তাহে আমরা দু'টা মুভি দেখি। এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ টা মুভি আমরা দেখে ফেলেছি। আমরা মুভি দেখি আর সুরভি ঘুমায়।

কুপার থেকে কেক এনেছি। সব বাচ্চারা মিলে কেক কেটেছে। তারা একজন আরেকজনকে খাইয়ে দিয়েছে। কেকে কাটার আগেই দু'টা বাচ্চা আঙুল দিয়ে কেকের ক্রীম খাওয়া শুরু করেছে। আরেক বাচ্চা এসে তাকে ধমক দিচ্ছে। ধমক খেয়ে সে গাল ফুলাচ্চে।

বাচ্চারা ছবি তুলতে চায় না। তারা দৌড়াদৌড়ী নিয়েই ব্যস্ত। আমি বাচ্চাদের বিরক্ত করি না। তারা যা করতে চায়, তাই'ই করতে দেই। এজন্য অবশ্য সুরভি খুব বিরক্ত হয়। বাচ্চাদের কথাবার্তা, চালচলন, খাওয়া দাওয়া এবং খেলাধূলা বড় অদ্ভুত।

মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষ্যে ১১ জন দরিদ্র মানুষকে আগ্রহ নিয়ে খাইয়েছি। ঈদ উপলক্ষ্যে তাদের হাতে কিছু টাকা গুঁজে দিয়েছি। তারা সবাই খুব খুশি। আনন্দে তাদের চোখে আমি পানি দেখেছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

