
অনেক আগের তোলা একটি ছবি।
অভিনেতা আনোয়ার হোসেন মৃত্যুর আগে বলেছিলেন- আমি কিছু বলতে চাই। কিন্তু তিনি আর কিছুই বলতে পারেন নি। তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি কি বলতে চেয়েছিলেন? কাজেই আমরা যারা ব্লগ লিখি, মৃত্যু আসার আগেই আমাদের কথা গুলো ব্লগে লিখে রাখা দরকার। তা না হলে মৃত্যুর সময় আমাদের অনেক আফসোস থাকবে। তখন মনে হবে, আহারে--- আমার কত কথা ছিল, কিছুই বলা হলো না। কাজেই সম্মানিত ব্লগার গন আলসেমি না করে, সময়ের অপচয় না করে নিজের মনের কথা গুলো ব্লগে লিখে ফেলুন। একটা ব্লগ লেখার পর আমার মতো আপনারাও শান্তি পান, তৃপ্তি পান নিশ্চয়ই।
আজ সন্ধ্যার পর দুইটা পোষ্ট লিখে ধরা খেয়েছি। যখন লেখা শেষের দিকে তখন হঠাত বিদ্যুৎ চলে যাওয়াতে লেখাটা খোয়া গেল। দ্বিতীয় লেখাও এই ভাবে খোয়া গেল। আত্মবিশ্বাস খুব বেশি থাকাতে লেখা সেভ করিনি। ভেবেছিলাম কারেন্ট যাবে না। তাই রিস্ক নিয়েছিলাম। কিন্তু কপাল মন্দ কারেন্ট চলে গেল। পরপর দুই টা লেখা মুছে যাওয়াতে মনটা খুব খারাপ হয়েছে। এই যে এখন আবার লিখছি এবারও ড্রাফট করিনি। দেখি এখন আবার ইলেকট্রিসিটি চলে যায় কিনা। যদিও আমি সেটিং এ অটোড্রাফট দিয়ে রেখেছিলাম। কিন্তু সেখানে গিয়েও লেখাটা পাইনি।
এবছর আমাদের ভাগ্যটা ভালো। বেশ ভালো। সব কিছুতেই বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে দেশি পেয়াজ ৪০ টাকা কেজি, কাচা মরিচ ৪০ টাকা কেজি। মিনিকেট চালের দামও কমেছে। আগে ছিল ৬৬ টাকা কেজি, এখন ৬০ টাকা। সরকারের কথা মেনে গরুর মাংস ৪৫০ টাকা করেই বিক্রি হচ্ছে। মোটামোটি মাঝারি সাইজের একটা ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে, চার শ' টাকায়। সয়াবিন তেলের কেজি আগের মতোই আছে। বেগুন ৬০ টাকা কেজি। আলু ২৫ টাকা কেজি। বাজারে কোনো সব্জির অভাব নেই। চিংড়ি পাওয়া যাচ্ছে ৪৫০ টাকায় এক কেজি। হিমসাগর আম বড়টা পাওয়া যাচ্ছে ৮০ টাকা কেজিতে। মাশাল্লাহ এবছর আমের ফলনও খুব ভালো হয়েছে। লিচুও প্রচুর হয়েছে। তিন শ' টাকা দিয়ে এক শ' লিচু পাওয়া যাচ্ছে। দেশে কোনো কিছুর'ই অভাব নেই। ফার্মের মুরগী ১৬০ টাকা। জাম, তাল, আমরুজ প্রচুর হয়েছে। বিদেশি ফলের দামও খুব বেশি বাড়েনি।
আমাদের দেশের এখন প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে জ্যাম। ঢাকা শহরে যদি জ্যাম না থাকে। তাহলেই অনেক সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব। জ্যামে ঘন্টার পর ঘন্টা আটকে থেকে মানুষের মন মেজাজ হয়ে যায় বিক্ষিপ্ত। তার উপর আছে প্রচন্ড রোদ। আবার রোজা। যথা সময়ে মানুষ তার গন্তব্যে যেতে পারে না। সঠিক সময়ে গন্তব্যে যেতে না পেরে মানুষের মন মেজাজ হয়ে যায় খারাপ। তখন মানুষ অকারনেই ঝগড়া, চিল্লাচিল্লি করে। এদিকে রাস্তা ঘাট ফুটপাত ভেঙ্গে একাকার। সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা, তিতাস সবাই একসাথে কাজ শুরু করেছে। নগরবাসী পড়েছে ভয়াবহ বিপদে। কতদিন হয়ে গেল, তাদের কাজ শেষ'ই হচ্ছে না।
রাস্তায় বের হলেই পতাকা আর পতাকা চোখে পড়ে। কম করে হলেও এবার বিশ্বকাপে বাংলাদেশের মানুষ প্রায় চারশো কোটি টাকার পতাকা এবং জার্সি কিনেছে। দরিদ্র একটি দেশে এটা অবশ্যই বিলাসিতা। আমাদের দেশে প্রায় তিন কোটি যুবক বেকার আছে। এই টাকা দিয়ে বেকারদের জন্য কি কিছু করা যেত না?বাংলাদেশ সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের বিধি-৯ ধারায় স্পষ্ট বলা হয়েছে-" বিদেশী রাষ্ট্রের পতাকা কোনো গাড়িতে বা ভবনে উত্তোলন করা যাইবে না।
পতাকা আইন অমান্য করে যারা বিদেশী পতাকা উড়াচ্ছে শাস্তিস্বরূপ তারা ১ বছরের কারাদন্ড বা ৫০০০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ইমরান এইচ সরকার, আসিফ মহিউদ্দিন, আরিফ জেবতিক, ডাক্তার আইজু, অমি রহমান পিয়াল এবং আরিফ আর হোসাইন এই ছয় জনকে আমার দারুন বুদ্ধিমান বলে মনে হয়। তাদের দ্বারা মহৎ কিছু করা সম্ভব?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

