
১। আজও দেশের কবি সাহিত্যিকেরা হয় খুন, হয় নির্বাসিত। যে দিন থেকে ধর্মগ্রন্থ দুনিয়ায় এসেছে, সে দিন থেকে জগতের মানুষ তার মনুষ্যত্ব পরিচয় ভুলে গিয়ে বিভক্ত হয়ে গেছে বহু ধারায়, বহু জাতিতে বহু পরিচয়ে।
২। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মৃত্যুশয্যায় ছিলেন। তিনি অসুস্থ অবস্থায়ও প্রতিনিয়ত জানতে চাইতেন ফ্যাসিস্ট জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের অগ্রগতির খবর। যেদিন সোভিয়েত বাহিনী পিছু হটতো সেদিন তাঁর মন খারাপ থাকতো বলে তাঁর জীবনীকার প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবিশ লিখেছেন। ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে মানবতার বিজয় তিনি দেখে যেতে চেয়েছিলেন। আজীবন লিখেছেন শান্তির পক্ষে।
৩। "যে ব্যক্তি মায়ের শবযাত্রায় কাঁদে না, আমাদের সমাজ মনে করে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া উচিত" এই একটি মাত্র বাক্যে একসময় "দি আউট সাইডার" উপন্যাসটিকে তুলে ধরে ছিলেন এর লেখক আলবেয়ার কাম্যু।
নায়ক মারসো নামের ফরাসি আলজিরীয় মধ্যবিত্ত পরিবারের এক অবিবাহিত যুবক। মায়ের মৃত্যু সংবাদ শুনেও যার চোখে পানি আসেনি। সপ্তায়ান্তে মেয়ে বন্ধুকে নিয়ে ফ্লাটে নিরানন্দময় জীবন কাটে তার। সমাজের চোখে সে দোষী। কেন না সমাজ মনে করে তার মধ্যে অভাব রয়েছে মৌল আবেগ ও প্রতিক্রিয়ার। দ্বাদশ ব্যক্তি হিসেবে সে পর্যবেক্ষণ করে জীবন, যৌনতা ও মৃত্যু। তারপর ঘটনাচক্রে একদিন সে খুন করে বসে....।
এই বইটি সচেতন, মুক্তমনা এবং আনন্দমুখর সব পাঠকের অবশ্যই অন্তত একবার পড়া উচিত। পারলে একাধিকবার।
৪। দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে এখন দেখি বেশির ভাগ পারিবারিক বন্ধন আলগা। পরিবারের এক সদস্য কী করছে অন্যরা তার খোঁজ রাখছে না। ছেলে ড্রাগ ধরেছে, বাবা-মা কিছুই জানে না। ভেরি স্যাড।
৫। বড় ভাই টিউশনির টাকা পেয়েছে তাই ছোট বোনকে থাইস্যুপ খাওয়াতে নিয়ে যাচ্ছে।
ভাইয়া, স্যুপ খাওয়ার পরেও কি তোমার কাছে টাকা থাকবে?
থাকতে পারে।
যদি টাকা থাকে আমাকে একটা জিনিস কিনে দিবে?
কী জিনিস?
একটা বোরকা। বাইরে যখন বের হই, পুরুষমানুষগুলা কেমন করে যেন তাকায়। এত বিশ্রী লাগে!
বোরকা কেনার মধ্যে আমি নাই।
প্লিজ ভাইয়া। প্লিজ।
ভাই বিরক্ত মুখে এগারো শ' টাকা দিয়ে একটা বোরকা কিনে দিল।
৬। কারো জন্য সুখ কামনা করি না! কামনা করি শান্তি। সবাই যেন শান্তিতে তাদের ক্ষনস্থায়ী জীবনটা উপভোগ করে যেতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




