somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভাবছি ব্যবসা করবো। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

টুকরো টুকরো সাদা মিথ্যা- ১৩৫

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



১। আমাদের দেশের মানুষের অল্পতেই চোখে জল আসে, বিশেষ করে মেয়েদের । এই দেশটা আসলেই বড় বিচিত্র, প্রাকৃতিক দৃশ্যে, সম্পদের উপকরনে, মানুষের স্বভাব এবং চরিত্রে । তাই তো এই দেশটা নিঃশেষ হতে গিয়েও হয় না । অটল বিশ্বাসে দাঁড়িয়ে থাকে অফুরন্ত প্রানশক্তি নিয়ে ।

২। সব মানুষের একটা ভরকেন্দ্র থাকা উচিত । আমার ভরকেন্দ্র রবীন্দ্রনাথ । যেখানে যাই আর যতোই চেচাই বুড়োটায় এসে সব ঠান্ডা । বাঙালির ১৪ না ১১৪ পুরুষের ভাগ্য যে রবীন্দ্রনাথ বাংলায় জন্মেছিলেন ।

৩। গতকাল দুপুরবেলা ভাত খেয়ে হঠাৎ টিভি দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। গভীর ঘুম। ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে দেখলাম রবীন্দ্রনাথকে। স্বপ্নে রবীন্দ্রনাথ কবি নয়, তিনি একজন দাঁতের ডাক্তার। আমি তার চেম্বারে বসে আছি। তিনি আমার দাঁত ফেলবেন। রবীন্দ্রনাথ বললেন- ভয়ের কিছু নেই। তুমি বুঝতেও পারবে না দাঁতটি আমি কখন তুলে ফেলেছি।
আমি বললাম, তবু আমার ভয় লাগছে ডাক্তার রবি। দাঁতের গোড়ায় ইনজেকশন - ওরে বাপরে বাপ!! আমি মরে যাবো।
রবীন্দ্রনাথ বললেন- এতই যখন ভয় পাচ্ছো, এক কাজ করো, খানিকটা ব্র্যান্ডি খেয়ে নাও। ব্র্যান্ডি খেলে দেখবে সাহসটা বেড়ে গেছে।
আমি ডাক্তার রবীন্দ্রনাথের দেওয়া ব্র্যান্ডি খেলাম।
রবীন্দ্রনাথ বললেন- এবার সাহসটা বেড়েছে তো?
আমি বললাম, বেড়েছে মানে? দাঁতের গোড়ায় একবার হাত লাগিয়ে দেখুন না, এক ঘুষিতে আপনার সব ক'টি দাঁত আমি গুঁড়ো করে দিব।

৪। মায়াবতী, আমার শিরায় শিরায় তুমি।
তোমাকে ছাড়া আমি আর কিছুই জানি না। তোমার বাবা একটি কঠিন চীজ। তিনি আমাকে দু'চোখে দেখতে পারেন না। সারাদিন তোমার বাসার সামনে ঘুরঘুর করেও তোমাকেও দেখতে পেতাম না, তার জন্য। যে লোকটির সাথে তোমার সম্বন্ধ হয়েছে সে তোমাকে আমার মতো করে সুখী করতে পারবে না। আমি নারী স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, কিন্তু সে না। তোমার উপর নানান রকম সংস্কার চাপিয়ে দিবে।
তোমার বাবা কিছু মনে করো না, খুব বদমাশ। তার সঙ্গে লড়তে হলে সোজা পথে হবে না। আমাকেও বাঁকা পথ নিতে হবে।
এখন তুমি বলো রাজী আছো? তোমাকে ঠিক করতে হবে কাকে চাও? আমাকে না তোমার বাবাকে? যদি আমাকে চাও তাহলে আমার পরিকল্পনা মতো কাজ করতে হবে। মন স্থির করে আমাকে জানাও।
আসমুদ্র হিমাচল ভালোবাসা বুকে নিয়ে তোমার অপেক্ষায়।

৫। ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ নিয়ে আমি কোনোদিনই মাথা ঘামাইনি। নিজেকে একটা কঠিন সংকল্পে নিজেই বন্দি করে রেখেছি।

৬। বড় কর্তার রিভলভিং চেয়ার, থানার দারগা, জর্জ-উকিল, বাড়ির গৃহিনী, ধারদাতা, মুদি দোকানদার, ইলেকট্রিক বিল, রাস্তার পাগলা কুকুর, বিয়ের দাওয়াত, আত্মীয়স্বজন, বঙ্গোপসাগরের নিন্মচাপ, বাজারের দরদাম - কোনো কিছুকেই আমি আর ভয় পাই না। সব কিছুর ক্যামোফ্লেজ আমি ধরে ফেলেছি।

৭। মানুষকে ভালো ভাবতে হবে নিজের ভালোর জন্যই। নিজের ভেতরের শ্রেষ্ঠ বৃত্তিগুলিকে সক্রিয় রাখবার এই একমাত্র উপায়। ভয় ও সন্দেহ জীবনের পক্ষে মারাত্মক, বিশ্বাস না থাকলে জীবন অসুন্দর হয়ে পড়ে। খোশমেজাজ ও বহাল তবিয়ত নষ্ট হয়। আর তা নষ্ট হলে মানুষের ভালো কাজেরও মূল্য দেওয়া যায় না।

৮।


ছবি ৮ বছর আগে টিএসসি থেকে তুলেছিলাম। মেয়েটা বাবার কাঁধে উঠে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:০৩
১০টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কাজে যোগদান ভুল হচ্ছে, ইউরোপ আমেরিকায় শীপমেন্ট বন্ধ থাকার কথা

লিখেছেন চাঁদগাজী, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:১৭



গত ৪০ বছরে, গার্মেন্টস'এর মালিকরা ও অন্যান্য মধ্যভোগীরা যেই পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছে, তাতে তাদের কর্মচারীদের বিনা কাজে ২/১ বছর মিনিমাম বেতন দেয়ার ক্ষমতা তারা রাখে। গার্মেন্টস'এর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল্লাহ কেলা?

লিখেছেন মোহাম্মাদ আব্দুলহাক, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৮




মানুষ মারার সব আছে, আহত অথবা অসুস্থ মানুষকে সম্পূর্ণ সুস্থ করার কিচ্ছু নেই। কেন জানেন? আঁতেলরা বলেন, মানুষ মানুষকে মারতে পারে, মানুষ মানুষকে বাঁচাতে পারে ন। জন্ম মৃত্যু মুসলমানদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

— করোনার সাথে পথে চলতে চলতে———

লিখেছেন ওমেরা, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২২



সারা পৃথিবী লক-ডাউন হয়ে আছে কভিড- ১৯ করোনা আতংকে। মানুষের প্রতিটা মূহুর্ত কাটছে ভয় আর উৎকন্ঠায়। এই মূহুর্তে সম্ভবত পৃথিবীর একমাত্র ব্যাতিক্রম দেশ,সেই দেশের বাসিন্দা আমি, নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

থটস

লিখেছেন জেন রসি, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৪৬





১৮৪৬ সালে মার্কস এবং এঙ্গেলস মিলে “The German Ideology” নামে একটা বইয়ের পান্ডুলিপি লিখেছিলেন। কিন্তু বইটা প্রকাশিত হয় ১৯৩২ সালে। এই বইতে তারা শুধু ভাববাদকেই না ফয়েরবাখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা কমপক্ষে গার্মেন্টস'এর ছুটিটা নিজ হাতে কন্ট্রোল করতে পারতো

লিখেছেন চাঁদগাজী, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৫২



শেখ সাহেব জানতেন যে, উনার মেয়ে বুদ্ধিমতি নন, সেজন্য মেয়েকে রাজনীতিতে আসতে দেননি; কিন্তু রাইফেল জিয়া শেখ হাসিনার জন্য পথ রচনা করে গেছে। কমবুদ্ধিমানরা অনেক সময় খুবই নিবেদিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×