
১। ইতালীতে যারা ঘরে ঘরে স্বেচ্ছা বন্দী হয়ে আছে, তাদের আনন্দফুর্তি করা টুইটার থেকে দেখলাম। বেলকনিতে বুড়োবুড়ি নাচছে , অন্য বেলকনিতে কেউ গিটার বাজিয়ে গান করছে।
রাতে এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে। এরা আনন্দ করতে জানে। আমিও তাই বলি, যতদিন বাঁচবো, আনন্দের সাথে বাঁচবো।
২। আত্মবিশ্বাস থাকলে হতাশার শক্তি আপনাকে বড় মানুষ বানাবে। কষ্টের জীবন একদিন মহান বানাবে। প্রচণ্ড ইচ্ছা শক্তিই আপনার শক্তি যোগাবে।
৩। ভুত, পেত, জ্বীন, পরীর ভয় আমার কোন কালেও ছিল না। মেয়েদের চেয়ে ছেলেরা জ্বীন ভুতের ভয় বেশি পায়। ঢাকা শহরের ৭৫% ভাগ ছেলের হাতে অথবা কোমরে তাবিজ বাধা। বলে মায়েরা নাকি বেধে দিছে। যদিও আমার মনে হয় কথাটা আংশিক সত্য।
৪। এই যে পৃথিবীতে এত মানুষ এদের কাজটা কী? এরা কেন এত দিন অকারন বেঁচে থাকে?
পৃথিবীর এত মানুষের দরকারটা কী?
৫। ইতালি থেকে আসা প্রবাসীরা যে ব্যবহার করেছেন, সেটি ঠিক করেননি তারা। এভাবে দেশকে গালাগাল করাটা অশোভন। পুলিশ কর্মকর্তারা অত্যন্ত ধৈর্য্যর সাথে পরিস্থিতি যে মোকাবিলা করেছেন, এটি প্রশংসনীয়। তবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত একটি স্পর্শকাতর দেশ থেকে আসা যাত্রীদের সাথে এত কাছে গিয়ে এভাবে কথা বলা সঠিক কাজ হয়নি। পুলিশ কর্তাদের যথাযথ প্রটেকশনও ছিল না। ওখানকার কেউ আক্রান্ত থাকলে পুলিশ সদস্যদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।
# অথচ আমার আত্মীয় বা পরিচিত কেউ ইতালী ফেরত হলে নিশ্চয়ই তদবির করতাম ছেড়ে দেবার জন্য। এমনকি সুযোগ থাকলে গাড়ি নিয়ে ভিআইপি লাউঞ্জে গিয়ে বসে থাকতাম রিসিভ করতে।
এদেশ ও মানুষকে আমি যতোটা চিনি ও বুঝি সেই প্রেক্ষিতে বললাম। ব্যতিক্রম বিবেচ্য নয়।
৬। পৃথিবীর সব স্লোগানই এক। এই এক স্লোগানে স্লোগানেই মানুষ বোঝাতে চায়—নিজ এবং নিজেদের রুহের কথা। যেমন স্বার্থ ছাড়া মানুষ ঈশ্বরকেও ডাকে না। আর পৃথিবীর রাজনীতিতে থাকা একই মানুষ—একেকজন জীবিত ঈশ্বর হতে চায়!
৭। সংক্রমনের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে ব্যাংকাররা। কারন এই দেশের মানুষ টাকা রাখে শরীরের চিপা চাপায় আর গোনে ছ্যাপ লাগায়া।
৮। নারীরা সারাজীবন মমতাময়ী সেজে ত্যাগের কাহিনী রচনা করে যাবে আর তাদের উত্তরসূরীরা সেইসব ত্যাগের উদাহরণ শুনে শুনে নিজেদেরকেও মহান ত্যাগীরূপে গড়ে তুলতে ব্রতী হবে এবং ঐরূপ ত্যাগে নিজেকে নিযুক্ত করতে অস্বীকৃতি জানালেই সে "ফাকিং নারীবাদী" আখ্যায় আখ্যায়িত হবে-- এই তো আপনাদের পলিটিকস, তাই না?
কী ফাকিং সুবিধাবাদী পুরুষতান্ত্রিক দলের পলিটিশিয়ান আপনারা!
৯। লাশের রাজনীতির দেশে সরকার মনে হয় একটা স্বীকৃত লাশের অপেক্ষা করছে। ওইটা পেলে তারপর স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করবে।
১০। “মানুষ নিরাশ হয়ে যাওয়ার পর, তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন, আর স্বীয় রহমত ছড়িয়ে দেন; তিনি-ই সকল গুণে প্রশংসিত, প্রকৃত অভিভাবক।”
——•সূরাঃ আশ-শূরা, ২৮
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ৯:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


