
পুরো পৃথিবীতেই গজব অবস্থা।
করোনা ভাইরাস মানুষকে কাপিয়ে দিয়েছে। তবু মানুষের শিক্ষা হবে না। ক'দিন পর সবাই ভুলে যাবে। আবার নতুন কোনো ইস্যু নিয়ে মাতবে। বাঙ্গালীদের কপালে দুঃখ আছে। এই দুঃখের জন্য তারা নিজেরাই দায়ী। কারন তারা বেশি বুঝে। দেশ এবং সমাজের প্রতি মানুষের যা দায়িত্ব তা যদি সবাই সে সঠিকভাবে পালন করে তাহলেই দেশ দ্রুত এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের মানুষ কর্মক্ষেত্রে তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে না। সব ফাঁকিবাজ। বিশেষ করে সরকারী অফিসের লোকজন।
এদিকে আমি আগের মতোই আছি। খাইদাই আর শহরের পথে পথে ঘুরে বেড়াই। চলতে চলতে ইচ্ছা হলে দুই একটা ছবি তুলে নিই। ১৫/২০ টা ছবি জমে গেলেই ব্লগে পোষ্ট দেই। যাই হোক, এখন ছবি দেখুন। সবাই ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন। আর হ্যা অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে। খুব সচেতন থাকতে হবে।
১।

খিলগাও। আমতলা মসজিদের মিনার। আগে এরকম লাইটিং ছিলো না। কয়েকদিন ধরে দেখছি। এই মসজিদের ইনকাম মনে হয় খুব ভালো। আগের মসজিদটা ভেঙ্গে নতুন করে করা হয়েছে।
২।

বলুন তো এই ছবিটা ঢাকার কোন এলাকা থেকে তুলেছি? একটু সহজ করে দেই- এই ছোট্র লেকের পাশ দিয়েই রেল লাইনে গিয়েছে। লেকটার পাশেই নামীদামী একটা আবাসিক হোটেল আছে। দূরে একটা বিল্ডিং দেখা যাচ্ছে। সেটা সরকার ভাঙতে শুরু করেছে।
৩।

ফলের দোকানে আপেল, আঙ্গুর ঝুলিয়ে রাখে। দেখতে ভালো লাগে। আমি এরকম থোকা ধরে আঙুর কিনতে পছন্দ করি।
৪।

সামনে সচিবালয় দেখা যাচ্ছে। সচিবালয়ের ক্যান্টিনে একদিন দুপুরবেলা ভাত খেয়েছিলাম।
৫।

সন্ধ্যার পর মাছের বাজার গুলো খুব জমে উঠে। কাপড়ের দোকানে যেমন অনেক লাইট থাকে। মাছের দোকানেও অনেক লাইট থাকে। লাইটের আলোতে মাছ গুলো ঝকমক করে।
৬।

সেদিন রমনা পার্কে গিয়েছিলাম। রমনা পার্কে আমি প্রায়ই যাই। গাছপালা আমার ভালো লাগে।
৭।

এই ছবিটাও রমনা পার্ক থেকে তুলেছি। এই সিজনে গাছ থেকে সব পাতা ঝরে যায়। তারপর নতুন পাতা গজায়। গাছ ভরতি সবুজ পাতা দেখতে ভালো লাগে।
৮।

এই ছবিটা তুলি মধ্যদুপুরে। যেখানে দাঁড়িয়ে ছবিটা তুলেছি। তার পাশেই হাজীর বিরানীর দোকান। দুপুরে সেই হোটেলে খেয়েছি। খাসি দিয়ে রান্না করে। খাবারটা খেতে বেশ।
৯।

এই শহরে কেউ কেউ কাগজ টোকায়। সেই কাগজ বিক্রি করে তিনবেলা খায়। এরকম কাগজ টোকানো কত লোক আছে এই শহরে? এই হিসাব কি কারো কাছে আছে?
১০।

বুড়ো চাচা চা-সিগারেট বিক্রি করে। সিগারেটের পেকেট চুরী হয়ে যায়। তাই চাচা সিগারেটের পেকেট ব্যাগে করে কাঁধে ঝুলিয়ে রাখে। অবাক ব্যাপার হলো স্থানীয় থানার পুলীশ তাদের কাছ থেকে প্রতিদিন টাকা নেয়। অথচ সিটি কর্পোরেশন এসে তাদের দৌড়ানী দেয়। তখন পুলিশ তাদের সহযোগিতা করে না।
১১।

এই শহরের মানুষ সচেতন না। তারা কোনো নিয়ম কানুন মানেন না। রংসাইট দিয়ে তারা যাবেই। নিয়ম না মানাটাই তারা বাহাদুরি মনে করে।
১২।

ভোক্তা অধিকার দিবস চলছে পিকআপ এ মাইক লাগিয়ে। মাইকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের কথা বলা হচ্ছে। সেদিন মহিলা অধিদফতরে দেখলাম নারী দিবসের বিশাল বিশাল ব্যানার আর পোস্টার করেছে। সেখানে শুধু বঙ্গবন্ধুর ছবি।
১৩।

কাজের বিনিময় খাদ্য। জীবনে কোনো হাতের কাজ শিখলাম না। হাতের কাজ জানা থাকলে বেকার থাকতে হয় না।
১৪।

তেজগা এলাকা। ঢাকার সব এলাকাই এখন জমজমাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দিয়ে ভরে গেছে।
১৫।

রাত নয়টা। খিলগাও রেলগেট মোড়। ভীষন ব্যস্ত রাস্তা। সবচেয়ে বড় কথা এখানে রেললাইন আছে। বড্ড অগোছালো এবং এলোমেলো জায়গা। কেউ নিয়ম মানে না। অথচ আল্লাহর রহমতে এখানে দূর্ঘটনা খুব কম ঘটে। যদিও প্রতিদিন দূর্ঘটনা ঘটার কথা।
১৬।

দুই বিল্ডিং এর ফাঁকা জায়গাটায় রাজমনি সিনেমা হল ছিলো। ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে। এই হলে আমি একটা সিনেমা দেখেছি।
১৭।

পুরো বাংলাদেশে কি পরিমান লোক পান খায় এই হিসাব কি কারো কাছে আছে?
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ২:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


