
১। কথা বলা শিখতে একজন মানুষের প্রায় দুই বছর লেগে যায়, কিন্তু কোন জায়গায়, কোন কথাটি বলা যাবে না, তা কেউ কেউ সারা জীবনেও শিখতে পারে না।
২। জ্ঞান অর্জনে ব্রতী হওয়াই মূর্খতা। কারণ জ্ঞানের কোন শেষ নেই। যার শেষ নেই, অন্ত নেই, যে দরজায় প্রবেশ করে বের হওয়ার কোন পথ খোলা থাকে না, তাতে প্রবেশ করা মানে পাগলামী।
৩। বঙ্কিমচন্দ্র, ঈশ্বরচন্দ্র, হেমচন্দ্র, নবীনচন্দ্র, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্যরা তাদের সাহিত্যে যে মুসলিম বিরোধী বিষ উদগিরণ করেছেন সেটি বাংলার সমাজ ও আলোবাতাস থেকে উদ্ভুত হলে তার নমুনা মধ্য যুগের বা আদি যুগের সাহিত্যেও পাওয়া যেত। কিন্তু তা নেই। তাদের মগজে ঘৃনাপূর্ণ মিথ্যার বিষটি ঢুকিয়েছিল বস্তুত ইংরেজগণ। তারাই প্রথম আবিস্কার করে, ভারতের মুসলিম শাসন শুধু ধ্বংস, বঞ্চনা, নিপীড়ন ও শোষণ ছাড়া আর কিছুই দেয়নি। বলেছে, মন্দির ভেঙ্গে তার উপর মসজিদ গড়েছে। তাদের লেখনিতে শিবাজীর চরিত্র অংকিত হয়েছে হিন্দু জাগরনের এক মহান ও আদর্শনীয় বীর রূপে, আর মোঘল বাদশা আওরঙ্গজীব চিত্রিত হয়েছেন কুৎসিত ভিলেন রূপে।
বাংলায় হিন্দুদের বাস মুসলমানদের চেয়ে অধিক কাল ধরে। অথচ তাদের ব্যর্থতা হল, সমগ্র ইতিহাস ঘেঁটে একজন হিন্দুকেও বের করতে পারে যিনি স্বাধীনতার লড়াইয়ে বাংলার মানুষের সামনে আদর্শ হিসাবে চিত্রিত হতে পারেন। তেমন চরিত্রের তালাশে বঙ্কিম ও মাইকেল মধুসূদন যেমন ব্যর্থ হয়েছেন, রবীন্দ্রনাথও ব্যর্থ হয়েছেন। সে এক বিশাল শূন্যতা।
ফিরোজ মাহবুব কামাল @ বাঙালী হিন্দুর রেনেসাঁ ও নাশকতা
৪। হে আল্লাহ, সকল বিপদ ও দুর্যোগমুক্ত থাকুক প্রিয় বাংলাদেশ। পুরো বিশ্ব। জানি তা সম্ভব না।
৫। আমি তোমাদের কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং ধনসম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা অবশ্যই পরীক্ষা করবো। তুমি শুভ সংবাদ দাও ধৈয্যশীলগণকে- যারা তাদের উপর বিপদ আসলে বলে, 'নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তাঁরই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো।'
[সূরা বাকারা :১৫৫-১৫৬]
৬। মনীষী সক্রেটিশ বলেছেন, রাষ্ট্রনায়ককে হতে হবে দার্শনিক।
৭। আমার দুর্ভাগ্য আমি কখনো প্রমান করতে পারি না যে আমি নির্দোষ।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০২০ রাত ৯:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


