
কেমন ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী রাসুল (স)?
আল্লাহকে পেতে হলে আগে নবীকে পেতে হবে। নবীকে পেতে হলে নবীর দেখানো পথে চলতে হবে।
১। তিনি ছোট বড় সবাইকে আগে সালাম দিতেন! তিনি সমাবেত মহিলাদের সালাম দিতেন। তিনি শিশুদের পরম স্নেহ করতেন।
২। তিনি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতেন। তিনি কম হাসতেন। তিনি মুচকি হাসতেন, হাসি ওনার ঠোঁটে লেগে থাকতো। তিনি অট্রহাসি হাসতেন না।
৩। তিনি তাহাজ্জুদ নামাজ ত্যাগ করতেন না। তিনি শতবার এস্তেগফার করতেন।
৪। তিনি যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া কাউকেও আঘাত করেননি। তিনি বিপদে পড়লে তাৎক্ষনিক নামাজে দাড়িয়ে যেতেন। তিনি অসুস্থ হলে বসে নামাজ পড়তেন।
৫। তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে কোমল আচরণ করতেন। তিনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন।
৬। তিনি ঘুম থেকে জেগে মেসওয়াক করতেন। তিনি মিথ্যাকে সার্বাধিক ঘৃণা করতেন। তিনি উপহার গ্রহণ করতেন।
৭। তিনি সাদকাহ (দান) করতেন। তিনি সব সময় আল্লাহ কে স্মরণ করতেন। তিনি আল্লাহ কে সার্বাধিক ভয় করতেন।
৮। হাতে যা আসত, তা আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতেন। কেউ কথা বলতে বসলে সে ব্যক্তি উঠা না পর্যন্ত তিনি উঠতেন না।
৯। বক্তব্য দীর্ঘতর করতেন না যাতে শ্রোতারা বিরক্ত হয়ে যায়। এবং এত সংক্ষিপ্ত করতেন না যাতে কথা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
১০। খাদ্য দ্রব্যের দোষ ধরতেন না। মন চাইলে খেতেন না হয় বাদ দিতেন।
১১। যে কোন প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতেন, যাতে প্রশ্নকারী সে ব্যাপারে পরিপূর্ণ অবহিত হয়।
১২। সর্বদা ধৈর্য্য ধরতেন। নিজে ক্ষুধার্ত থেকেও অন্যকে খানা খাওয়াতেন!
১৩। কেউ কষ্ট দিলে প্রতিশোধ নিতেন না,ক্ষমা করে দিতেন ও তার হেদায়েতের জন্য দোআ করতেন!
রাসুল (সা.) এর গুণাবলী বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে মহানবী (সঃ) এর চরিত্রে চরিত্রবান হওয়ার তাওফীক দান করুন।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মে, ২০২০ রাত ২:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



